জাস্টিন বিবার
জাস্টিন বিবার | |
|---|---|
২০১৫ সালে জাস্টিন বিবার | |
| জন্ম | জাস্টিন ড্রু বিবার ১ মার্চ ১৯৯৪[১][২] |
| জাতীয়তা | কানাডীয় |
| পেশা | |
| কর্মজীবন | ২০০৭–বর্তমান |
| প্রতিনিধি | স্কুটার ব্রোন |
| আদি নিবাস | স্ট্রাটফোর্ড, অন্টারিও, কানাডা |
| দাম্পত্য সঙ্গী | হেইলি ব্যাল্ডউইন (বি. ২০১৮) |
| পিতা-মাতা |
|
| পুরস্কার | সম্পূর্ণ তালিকা |
| সঙ্গীত কর্মজীবন | |
| ধরন | |
| বাদ্যযন্ত্র | |
| লেবেল | |
| ওয়েবসাইট | justinbiebermusic |
| স্বাক্ষর | |
জাস্টিন ড্রু বিবার (ইংরেজি: Justin Drew Bieber[৪]) (ইংরেজি উচ্চারণ: /ˈbiːbər/ (অসমর্থিত টেমপ্লেট) BEE-bər, জন্ম মার্চ ১, ১৯৯৪)[৫] একজন কানাডিয় সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার এবং সঙ্গীত প্রযোজক।[৬][৭][৮] বিবার ২০০৯ সালের শেষের দিকে তার প্রথম এক্সটেন্ডেড প্লে মাই ওয়ার্ল্ড মুক্তি দেয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রে প্লাটিনাম স্বীকৃতি লাভ করে। বিবার-ই প্রথম শিল্পী যার প্রথম অ্যালবামের সাতটি গান বিলবোর্ড হট ১০০ তালিকায় স্থান করে নেয়।[৯]
বিবারের প্রথম পূর্ণ অ্যালবাম মাই ওয়ার্ল্ড ২.০ ২০১০ এর ২৩ মার্চ প্রকাশিত হয়। অ্যালবামটি বাণিজ্যিকভাবে সাফল্য অর্জন করে এবং বেশ কয়েকটি দেশে শীর্ষ দশে স্থান করে নেয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রে প্লাটিনাম সনদে ভূষিত হয়। এই অ্যালবামের বেবি গানটি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে। ইউটিউবের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সর্বাধিক প্রদর্শিত, আলোচিত এবং পছন্দিত ভিডিওগুলোর একটি হলো এই গানটির মিউজিক ভিডিও।[১০] বিবারের পরবর্তি অ্যালবাম নেভার সে নেভার – দ্য রিমিক্সেস। এটি প্রকাশিত হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১। তার দ্বিতীয় স্টুডিও অ্যালবাম ছিল আন্ডার দ্য মিসলটো যা মুক্তি পায় ২০১১ সালের নভেম্বরে।
২০১২ সালে জাস্টিন বিবার প্রকাশ করে তার তৃতীয় স্টুডিও অ্যালবাম বিলিভ। তার চতুর্থ অ্যালবাম পারপাস ২০১৫ সালের নভেম্বরে মুক্তি পায়। যুক্ত্রাষ্ট্রে তার অ্যালবাম ও গানের মোট বিক্রি সংখ্যা ৪৪.৭ মিলিয়ন।[১১][১২]
জাস্টিন বিবার বিগত কয়েক অসংখ্য পুরস্কার ও সাধুবাদ অর্জন করেছেন। ২০১০ অ্যামেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস-এ বিবার বর্ষসেরা শিল্পীর পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তিনি ৫৩তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস-এ শ্রেষ্ঠ নবীন শিল্পী ও বেস্ট পপ ভোকাল অ্যালবাম পুরস্কার দুইটির জন্য মনোনীত হন। বিবারের সঙ্গীত, চিত্র ইত্যাদি বিশ্বব্যাপী আলোচনা, সমালোচনা ও বিতর্কের বিষয় পরিণত হয়েছে। তার সদ্য প্রকাশিত গান "Stuck with U" করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক শিশুদের শিক্ষা বৃত্তি দান করবে। ২০২২ সালের জুন মাসে জাস্টিন বিবার সঙ্কর পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন।[১৩]
প্রাথমিক জীবন
[সম্পাদনা]জাস্টিন বিবার ১৯৯৪ সালের ১ মার্চ কানাডার অন্টারিওর লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন।[১৪] বিবারের মা প্যাটি ম্যালেট যখন গর্ভবতী হন, তখন তার বয়স ১৮। বিবারের মা সামান্য বেতনে বিভিন্ন দপ্তরে কাজ করতেন। বিবারের বাবা জেরিমি বিবার পরবর্তিতে আরেক মহিলাকে বিয়ে করেন এবং তার আরও দুই সন্তান হয়।[১৫][১৬] বিবারের দাদা ছিলেন কানাডাতে অভিবাসী জার্মান নাগরিক।[১৭]
শৈশবে বিবার হকি, সকার এবং দাবাতে আগ্রহী ছিলেন। সেসময় তিনি সঙ্গীতের প্রতি উচ্চাকাঙ্খা পোষণ করতেন।[১৫] বিবার নিজে নিজে গীটার, ড্রাম, পিয়ানো বাজানো শেখেন।[১৮][১৯] ২০০৭ সালে বিবার স্থানীয় এক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন।[১৯][২০] বিবারের মা ম্যালেট বিবারের সেই পরিবেশনা ধারণ করে ইউটিউবে প্রকাশ করেন। ম্যালেট বিবারের অন্যান্য সঙ্গীত পরিবেশনাও অনুরূপভাবে ইন্টারনেটে প্রকাশ করতে থাকেন এবং ক্রমেই ইউটিউবে বিবারের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেতে থাকে।[২১]
ক্যারিয়ার
[সম্পাদনা]২০০৮-১০: ক্যারিয়ারের সূচনা এবং মাই ওয়ার্ল্ড
[সম্পাদনা]২০০৮ সালে ইউটিউব দ্বারা বিবারের প্রতিভা স্কুটার ব্রাউনের নজরে আসে।[২২] পরবর্তিতে স্কুটার ইউটিউবে বিবারের মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেন। এছাড়া স্কুটার ব্রাউন পরে বিবারের ম্যানেজার হন। স্কুটার বিবারকে পরে আশারের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। এর কিছুদিন পরই বিবার রেমন্ড ব্রাউন মিডিয়া গ্রুপ-এর সাথে চুক্তি করেন। পরবর্তিতে বিবার আইল্যান্ড রেকর্ড-এর সাথে চুক্তি করেন।[২১][২৩] বিবারের প্রথম একক সঙ্গীত "ওয়ান টাইম" ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাপী প্রকাশিত হয় এবং কানাডায় শীর্ষস্থান দখল করে। এছাড়া গানটি অন্যান্য দেশেও জনপ্রিয় হয়। তার প্রথম এক্সটেন্ডেড প্লে মাই ওয়ার্ল্ড ২০০৯ এর ১৭ নভেম্বরে প্রকাশিত হয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে এটি প্লাটিনাম সনদে ভূষিত হয়। বিবার-ই প্রথম শিল্পী যার প্রথম অ্যালবামের সাতটি গান বিলবোর্ড হট ১০০ তালিকায় স্থান করে নেয়।[৯]
২০১০–১১: মাই ওয়ার্ল্ড ২.০ এবং নেভার সে নেভার
[সম্পাদনা]২০১০ সালের জানুয়ারিতে তার প্রথম অ্যালবাম মাই ওয়ার্ল্ড ২.০ থেকে প্রথম একক "বেবি" গানটি মুক্তি পায়। গানটি আন্তর্জাতিক জনপ্রিয়তা লাভ করে[২৪] এবং এর মাধ্যমে বিবার আন্তর্জাতিক বাজারের সেরা দশ শিল্পীর তালিকায় স্থান করে।.[২৫] তার দুইটি প্রমো গান "নেভার লেট ইউ গো", এবং "ইউ সমাইল" মার্কিন সেরা ১০০ গানের মধ্যে ৩য় এবং সেরা ২০ স্থান করে নেয়।[২৫] বিবারের প্রথম পূর্ণ অ্যালবাম মাই ওয়ার্ল্ড ২.০ ২০১০ এর ২৩ মার্চ প্রকাশিত হয়। অ্যালবামটি বাণিজ্যিকভাবে সাফল্য অর্জন করে এবং বেশ কয়েকটি দেশে শীর্ষ দশে স্থান করে নেয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রে প্লাটিনাম সনদে ভূষিত হয়।
ডিস্কের তালিকা
[সম্পাদনা]স্টুডিও অ্যালবাম
[সম্পাদনা]সংকলন অ্যালবাম
[সম্পাদনা]- মাই ওয়ার্ল্ড: দ্য কালেকশন
- জার্নালস
এক্সটেন্ডেড প্লে
[সম্পাদনা]- মাই ওয়ার্ল্ড
রিমিক্স অ্যালবাম
[সম্পাদনা]- নেভার সে নেভার – দ্য রিমিক্সেস
অ্যাকুয়িস্টিক অ্যালবাম
[সম্পাদনা]- মাই ওয়ার্ল্ড অ্যাকুয়িস্টিক
- বিলিভ অ্যাকুয়িস্টিক
- পারপাস অ্যাকুয়িস্টিক
চলচ্চিত্রের তালিকা
[সম্পাদনা]- জাস্টিন বিবার:নেভার সে নেভার (২০১১)
- ম্যান ইন ব্ল্যাক (২০১২)
- কেটি পেরি:পার্ট অব মি (২০১২)
- জেনডায়া:বিহাইন্ড দ্যা সিনস (২০১২)
- জাস্টিন বিবার'স বিলিভ (২০১৩)
- বিহেভিং ব্যাডলি (২০১৪)
- জুল্যান্ডার ২ (২০১৬)
- কিলিং হেসেলহফ (২০১৭)
ভ্রমণ (ট্যুর)
[সম্পাদনা]- আরবান বিহেভিওর ট্যুর (২০০৯)
- মাই ওয়ার্ল্ড ট্যুর (২০১০-২০১১)
- বিলিভ ট্যুর (২০১২-২০১৩)
- পারপাস ওয়ার্ল্ড ট্যুর (২০১৬-২০১৭)
- চেন্জেস্ টুর (১৪ মে ২০২০ তে শুরুর কথা থাকলেও কোভিড ১৯ পরিস্থিতির কারণে বর্তমানে স্তগিত আছে)
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Justin Bieber Biography"। The Biography Channel। A+E Networks। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৩।
- ↑ "Inogolo – English Pronunciation Guide to the Names of People, Places, and Stuff – Justin Bieber"। ৬ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০১৫।
- ↑ Mitchell, Gail (২৮ এপ্রিল ২০০৯)। "Usher Introduces Teen Singer Justin Bieber"। Billboard। Prometheus Global Media। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০০৯।
- ↑ Greenblatt, Leah (১০ মার্চ ২০১০)। "My World 2.0 (2010)"। Entertainment Weekly। Time। ৭ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০১০।
- ↑ inogolo:how to pronounce Justin Bieber ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৬ মার্চ ২০১২ তারিখে.
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;BILLBOARDBIOনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;NYনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ Collar, Matt; Leahey, Andrew। "allmusic (((Justin Bieber > Overview)))"। Allmusic। Macrovision Corporation। সংগ্রহের তারিখ ২১ অক্টোবর ২০০৯।
- 1 2 "Justin Bieber Fever Hits Miami"। CBS News। CBS Interactive। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০১০।
- ↑ "Top 10 YouTube Videos of All Time"। Readwriteweb.com। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১১। ২৯ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১।
- ↑ Lipshutz, Jason (২৭ আগস্ট ২০১৫)। "Justin Bieber, on the Comeback Trail, Back in 'Good Graces' of Fans and Industry"। Billboard। Prometheus Global Media। ২৯ আগস্ট ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১৫।
- ↑ "Justin Bieber"। riaa.com। RIAA। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৫।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ জাস্টিন বিবার, মুখ পক্ষাঘাতগ্রস্ত (১১ জুন ২০২২)। "Justin Bieber reveals facial paralysis after shows cancelled"। বিবিসি। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০২২।
- ↑ "Bieber - Birth Certificate" (PDF)। TMZ.com। ২০১০। ২৭ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০১০।
- 1 2 Hoffman, Jan (৩১ ডিসেম্বর ২০০৯)। "Justin Bieber is Living the Tween Idol Dream"। The New York Times। The New York Times Company। ১ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১১।
- ↑ Bartolomeo, Joey (২০ জুন ২০১০)। "Meet Justin Bieber's Rockin' Dad"। People। Time Inc.। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১১।
- ↑ “”। "Justin Bieber interview on German television"। Youtube.com। ২১ আগস্ট ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১০।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|লেখক=-এ সাংখ্যিক নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ Parvis, Sarah E (২০১০)। Justin Bieber। Kansas, Mo. : Andrews McMeel ; London : Simon & Schuster। পৃ. ১৩–১৭। আইএসবিএন ৯৭৮১৪৪৯৪০১৮১৮। ২৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০১০।
- 1 2 Colurso, Mary (১৭ ডিসেম্বর ২০১০)। "Temperature's rising as Justin brings Bieber fever to Birmingham"। ২০ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০১১।
- ↑ Mitchell, Gail (২৮ এপ্রিল ২০০৯)। "Usher Introduces Teen Singer Justin Bieber"। Billboard। ৮ জুলাই ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০০৯।
- 1 2 Herrera, Monica (১৩ জুলাই ২০০৯)। ""Time" is right for teen singer Justin Bieber"। Reuters। Thomson Reuters। ২৭ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০০৯।
- ↑ Konjicanin, Anja (২৪ ডিসেম্বর ২০১০)। "Justin Bieber makes them proud. But why?"। Vaver Observer। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০১১।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ Mitchell, Gail (২৮ এপ্রিল ২০০৯)। "Usher Introduces Teen Singer Justin Bieber"। Billboard। e5 Global Media। ৮ জুলাই ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০০৯।
- ↑ "Justin Bieber - Chart History"। Billboard। ১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০১৫।
- 1 2 "Justin Bieber Chart History"। Billboard। e5 Global Media। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০১০।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- দাপ্তরিক ওয়েবসাইট
- ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে জাস্টিন বিবার (ইংরেজি)
- কার্লিতে Justin Bieber (ইংরেজি)
- উদ্ধৃতি শৈলী ত্রুটি: সাংখ্যিক নাম
- কানাডীয় অভিনেতা
- কানাডীয় সঙ্গীতশিল্পী
- ১৯৯৪-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- শিশু পপ সঙ্গীতজ্ঞ
- কানাডীয় রোমান ক্যাথলিক
- তরুণ শিল্পী পুরস্কার বিজয়ী
- কানাডীয় ইউটিউবার
- পুরুষ ইউটিউবার
- লাতিন গ্র্যামি পুরস্কার বিজয়ী
- ডান্স ও ইলেকট্রনিক সঙ্গীতে গ্র্যামি পুরস্কার বিজয়ী
- এমটিভি ইএমএ বিজয়ী
- স্কুল বয় রেকর্ডসের শিল্পী
- ব্রিট পুরস্কার বিজয়ী
- সঙ্গীত ইউটিউবার
- শর্টি পুরস্কার বিজয়ী
- ওয়েবি পুরস্কার বিজয়ী
- নৃত্য-পপ সঙ্গীতজ্ঞ
- আইল্যান্ড রেকর্ডসের শিল্পী
- ২১শ শতাব্দীর কানাডীয় সঙ্গীতশিল্পী
- কানাডীয় শিশু সঙ্গীতশিল্পী
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কানাডীয় প্রবাসী সঙ্গীতজ্ঞ
- ২১শ শতাব্দীর স্মৃতিকথাকার
- আরিয়া পুরস্কার বিজয়ী
- কানাডীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা
- কানাডীয় টেলিভিশন অভিনেতা
- কানাডীয় কণ্ঠাভিনেতা
- ইলেকট্রনিক ডান্স মিউজিক সঙ্গীতজ্ঞ
- গ্র্যামি পুরস্কার বিজয়ী
- জার্মান বংশোদ্ভূত কানাডীয় ব্যক্তি
- সাইবার বুলিংয়ের শিকার
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কানাডীয় প্রবাসী অভিনেতা
- ২১শ শতাব্দীর কানাডীয় জনহিতৈষী
- আইরিশ বংশোদ্ভূত কানাডীয় ব্যক্তি
- ইংরেজ বংশোদ্ভূত কানাডীয় ব্যক্তি
- এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী
- ফরাসি বংশোদ্ভূত কানাডীয় ব্যক্তি
- সার্কেল চার্ট মিউজিক অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী
- স্কটিশ বংশোদ্ভূত কানাডীয় ব্যক্তি
- স্ট্রিমি পুরস্কার বিজয়ী
- ২১শ শতাব্দীর কানাডীয় স্মৃতিকথাকার