জাস্টিন বিবার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জাস্টিন বিবার
Justin Bieber at Easter Egg roll - crop.jpg
২০১০ সালে জাস্টিন বিবার
প্রাথমিক তথ্যাদি
জন্ম নাম জাস্টিন ড্রিউ বিবার
উদ্ভব অন্টারিও, কানাডা
ধরন পপ সঙ্গীত, কনটেম্পোরারি আরএন্ডবি[১][২][৩]
পেশা সঙ্গীতশিল্পী, অভিনেতা
বাদ্যযন্ত্র কন্ঠশিল্পী, গিটার, পিয়ানো, ড্রামস[৪]
কার্যকাল ২০০৯-বর্তমান
লেবেল আইল্যান্ড রেকর্ডস, RBMG
সহযোগী শিল্পী আশার
ওয়েবসাইট

justinbiebermusic.com

Justin Bieber Signature

জাস্টিন ড্রিউ বিবার (ইংরেজীতে: Justin Drew Bieber[৫]) (ইংরেজি উচ্চারণ: /ˈbiːbər/ (অসমর্থিত টেমপ্লেট) BEE-bər, জন্ম মার্চ ১, ১৯৯৪)[৬] একজন কানাডিয় সঙ্গীতশিল্পী।[১][২][৩] ২০০৮ সালে ইউটিউব দ্বারা বিবারের প্রতিভা স্কুটার ব্রাউনের নজরে আসে।[৭] পরবর্তিতে স্কুটার ইউটিউবে বিবারের মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেন। এছাড়া স্কুটার ব্রাউন পরে বিবারের ম্যানেজার হন। স্কুটার বিবারকে পরে আশারের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। শিঘ্রই বিবার রেমন্ড ব্রাউন মিডিয়া গ্রুপ-এর সাথে চুক্ত করেন। পরবর্তিতে বিবার আইল্যান্ড রেকর্ড-এর সাথে চুক্তি করেন।[৮][৯] বিবারের প্রথম একক সঙ্গীত "ওয়ান টাইম" ২০০৯ সালে বিষ্বব্যাপী প্রকাশিত হয় এবং কানাডায় শীর্ষস্থান দখল করে। এছাড়া গানটি অন্যান্য দেশেও জনপ্রিয় হয়। তাঁর প্রথম অ্যালবাম মাই ওয়ার্ল্ড ২০০৯ এর ১৭ নভেম্বরে প্রকাশিত হয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে এটি প্লাটিনাম সনদে ভূষিত হয়। বিবার-ই প্রথম শিল্পী যার প্রথম অ্যালবামের সাতটি গান বিলবোর্ড হট ১০০ তালিকায় স্থান করে নেয়।[১০]

বিবারের প্রথম পূর্ণ অ্যালবাম মাই ওয়ার্ল্ড ২.০ ২০১০ এর ২৩ মার্চ প্রকাশিত হয়। অ্যালবামটি বাণিজ্যিকভাবে সাফল্য অর্জন করে এবং বেশ কয়েকটি দেশে শীর্ষ দশে স্থান করে নেয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রে প্লাটিনাম সনদে ভূষিত হয়। এই অ্যালবামের বেবি গানটী বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে। গানটির মিউজিক ভিডিও এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সর্বাধিক প্রদর্শিত, আলোচিত এবং অপছন্দিত ইউটিউব ভিডিও।[১১] বিবারের পরবর্তি অ্যালবাম নেভার সে নেভার – দ্য রিমিক্সেস। এটি প্রকাশিত হয় ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১১।

জাস্টিন বিবার বিগত কয়েক অসংখ্য পুরস্কার ও সাধুবাদ অর্জন করেছেন। ২০১০ অ্যামেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস-এ বিবার বর্ষসেরা শিল্পীর পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তিনি ৫৩তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস-এ শ্রেষ্ঠ নবীন শিল্পী ও বেস্ট পপ ভোকাল অ্যালবাম পুরস্কার দুইটির জন্য মনোনীত হন। বিবারের সঙ্গীত, চিত্র ইত্যাদি বিশ্বব্যাপী আলোচনা, সমালোচনা ও বিতর্কের বিষয় পরিণত হয়েছে।

প্রথম জীবন[সম্পাদনা]

জাস্টিন বিবার ১৯৯৪ সালের ১ মার্চ কানাডার অন্টারিওর লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন।[১২] বিবারের মা প্যাটি ম্যালেট যখন গর্ভবতী হন, তখন তাঁর বয়স ১৮। বিবারের মা সামান্য বেতনে বিভিন্ন দপ্তরে কাজ করতেন। বিবারের বাবা জেরিমি বিবার পরবর্তিতে আরেক মহিলাকে বিয়ে করেন এবং তাঁর আরও দুই সন্তান হয়।[১৩][১৪] বিবারের দাদা ছিলেন কানাডাতে অভিবাসী জার্মান নাগরিক।[১৫]

শৈশবে বিবার হকি, সকার এবং দাবাতে আগ্রহী ছিলেন। সেসময় তিনি সঙ্গীতের প্রতি উচ্চাকাঙ্খা পোষণ করতেন।[১৩] বিবার নিজে নিজে গীটার, ড্রাম, পিয়ানো বাজানো শেখেন।[১৬][১৭] ২০০৭ সালে বিবার স্থানীয় এক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন।[৮][১৭] বিবারের মা ম্যালেট বিবারের সেই পরিবেশনা ধারণ করে ইউটিউবে প্রকাশ করেন। ম্যালেট বিবারের অন্যান্য সঙ্গীত পরিবেশনাও অনুরূপভাবে ইন্টারনেটে প্রকাশ করতে থাকেন এবং ক্রমেই ইউটিউবে বিবারের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেতে থাকে।[৯]

ডিসকোগ্রাফী[সম্পাদনা]

  • স্টুডিও অ্যালবাম: মাই ওয়ার্ল্ড ২.০
  • এক্সটেন্ডেড প্লে: মাই ওয়ার্ল্ড
  • রিমিক্স অ্যালবাম: মাই ওয়ার্ল্ড আকুয়িস্টিক, নেভার সে নেভার – দ্য রিমিক্সেস

২০১০–১১: মাই ওয়ার্ল্ড ২.০ এবং নেভার সে নেভার[সম্পাদনা]

২০১০সালের জানুয়ারিতে , "বেবি",গানটি মুক্তি পায় তার প্রথম অ্যালবাম , মাই ওয়ার্ল্ড ২.০. গানটি নির্বাচিত হয় হাস্যকর, এবং আন্তর্জাতিকে জনপ্রিয়তা লাভ করে.[১৮] এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সেরা দশ শিল্পীর তালিকায় স্থান করে।.[১৯] তার দুইটি প্রমো গান "নেভার লেট ইউ গো", এবং "ইউ সমাইল" মার্কিন সেরা ১০০ গানের মধ্যে ৩য় এবং সেরা ২০ স্থান করে নেয়।[১৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ "Justin Bieber Biography & Awards"Billboard। Nielsen Business Media, Inc.। সংগৃহীত ২০১০-০৬-১৫ 
  2. ২.০ ২.১ Farber, Jim (মার্চ ২৩, ২০১০)। "Justin Bieber, 'My World 2.0'"New York Daily News। সংগৃহীত ২০১০-০৬-১৪ 
  3. ৩.০ ৩.১ Collar, Matt; Leahey, Andrew। "allmusic ((( Justin Bieber > Overview )))"AllmusicMacrovision Corporation। সংগৃহীত অক্টোবর ২১, ২০০৯ 
  4. "MTV- Justin Bieber artist profile"MTV। MTV Networks। সংগৃহীত ডিসেম্বর ২২, ২০০৯ 
  5. Greenblatt, Leah (মার্চ ১০, ২০১০)। "My World 2.0 (2010)"Entertainment Weekly (Time)। সংগৃহীত জুন ১১, ২০১০ 
  6. inogolo:how to pronounce Justin Bieber.
  7. Konjicanin, Anja (ডিসেম্বর ২৪, ২০১০)। "Justin Bieber makes them proud. But why?"। Vaver Observer। সংগৃহীত জানুয়ারি ১১, ২০১১ 
  8. ৮.০ ৮.১ Mitchell, Gail (এপ্রিল ২৮, ২০০৯)। "Usher Introduces Teen Singer Justin Bieber"Billboard। e5 Global Media। সংগৃহীত জুলাই ২৩, ২০০৯ 
  9. ৯.০ ৯.১ Herrera, Monica (জুলাই ১৩, ২০০৯)। ""Time" is right for teen singer Justin Bieber"Reuters (Thomson Reuters)। সংগৃহীত জুলাই ২২, ২০০৯ 
  10. "Justin Bieber Fever Hits Miami"CBS News (CBS Interactive)। ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১০। সংগৃহীত মার্চ ২৭, ২০১০ 
  11. "Top 10 YouTube Videos of All Time"। Readwriteweb.com। ২০১১-০২-০৯। সংগৃহীত ২০১১-০২-২৪ 
  12. "Bieber - Birth Certificate" (PDF)। TMZ.com। ২০১০। সংগৃহীত ২০১০-০৮-২১ 
  13. ১৩.০ ১৩.১ Hoffman, Jan (ডিসেম্বর ৩১, ২০০৯)। "Justin Bieber is Living the Tween Idol Dream"The New York Times (The New York Times Company)। 
  14. Bartolomeo, Joey (জুন ২০, ২০১০)। "Meet Justin Bieber's Rockin' Dad"People (Time Inc.)। 
  15. “”। "Justin Bieber interview on German television"। Youtube.com। সংগৃহীত ২০১০-১২-৩১ 
  16. Parvis, Sarah E (২০১০)। Justin Bieber। Kansas, Mo. : Andrews McMeel ; London : Simon & Schuster। পৃ: 13–17। আইএসবিএন 9781449401818। সংগৃহীত ২০১০-০৮-০৪ 
  17. ১৭.০ ১৭.১ Colurso, Mary (ডিসেম্বর ১৭, ২০১০)। "Temperature's rising as Justin brings Bieber fever to Birmingham"। সংগৃহীত জানুয়ারি ১১, ২০১১ 
  18. "Justin Bieber - Chart History"। Billboard। 
  19. ১৯.০ ১৯.১ [[[:টেমপ্লেট:BillboardURLbyName]] "Justin Bieber Chart History"]। Billboard। e5 Global Media। সংগৃহীত মার্চ ১১, ২০১০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]