জয়ন্ত অমরসিংহে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জয়ন্ত অমরসিংহে
ජයන්ත අමරසිංහ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামঅমরসিংহে মুদালিগে জয়ন্ত গামিনি অমরসিংহে
জন্ম২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৪
কলম্বো, শ্রীলঙ্কা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনস্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স
ভূমিকাবোলার, রেফারি
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ২৫)
৯ মার্চ ১৯৮৪ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ টেস্ট২৪ মার্চ ১৯৮৪ বনাম নিউজিল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১৬
রানের সংখ্যা ৫৪ ১২০
ব্যাটিং গড় ১৮.০০ ৮.০০
১০০/৫০ -/- -/-
সর্বোচ্চ রান ৩৪ ৩৪
বল করেছে ৩০০ ৩২০৮
উইকেট ৬১
বোলিং গড় ৫০.০০ ১৯.৬০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ২/৭৩ ৭/৮২
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৩/- ৭/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৩০ নভেম্বর ২০১৯

অমরসিংহে মুদালিগে জয়ন্ত গামিনি অমরসিংহে (সিংহলি: ජයන්ත අමරසිංහ; জন্ম: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৪) কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী সাবেক শ্রীলঙ্কান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৮৪ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে নোম্যাডস ও অ্যান্টোনিয়ান্স দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচের সারিতে ডানহাতে ব্যাটিংশৈলী করেছেন তিনি।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৮৩-৮৪ মৌসুম থেকে ১৯৯২-৯৩ মৌসুম পর্যন্ত জয়ন্ত অমরসিংহের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কা বোর্ড একাদশের সদস্যরূপে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে অমর সিংহের। খেলায় তিনি ১৩০ রান খরচায় দশ উইকেট দখল করেছিলেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন জয়ন্ত অমরসিংহে। ঐ সময়ে অন্যান্য অনেক শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারের ন্যায় তিনিও টেস্ট দলে অল্প কিছুদিন খেলার পর আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হন। ৯ মার্চ, ১৯৮৪ তারিখে ক্যান্ডিতে সফরকারী নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এরপর, ২৪ মার্চ, ১৯৮৪ তারিখে কলম্বোয় একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

অভিষেক পর্বটি দারুণভাবে শুরু করেন। দলের সংগ্রহ ১৫৫/৯ থাকা অবস্থায় তিনি মাঠে নামেন। বিনোদন জনকে সাথে নিয়ে ৬০ রান যুক্ত করেন। এ জুটির সংগ্রহটি তৎকালীন শ্রীলঙ্কান রেকর্ড হিসেবে চিত্রিত হয়। তবে বামহাতি অর্থোডক্স বোলিং করে সুবিধে পাননি। ঐ টেস্টে মাত্র ২০ ওভার বোলিং করার সুযোগ হয়েছিল তার। কলম্বোয় পরবর্তী টেস্টে অংশ নেন। আঁটোসাটো ৩০ ওভার বোলিং করে ২/৭৩ পান। এটিই তার সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল।

একমাত্র শ্রীলঙ্কান টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে এগারো নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করার গৌরব অর্জন করেছেন। ১৯৮৪ সালে ক্যান্ডিতে সসফরকারী নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে তার দল ২১৫ রানে অল-আউট হলেও তিনি ৩৪ রান করেছিলেন।[১] এছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকান বিখ্যাত ক্রিকেটার বার্ট ভগলারের পর মাত্র দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে ১১ নম্বরে নেমে দলের পক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ রান করার কৃতিত্বের অধিকারী।[২] টেস্টের ইতিহাসে মাত্র পঞ্চম খেলোয়াড় হিসেবে ১১ নম্বরে দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "1st Test: Sri Lanka v New Zealand at Kandy, Mar 9–14, 1984"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০২-২২ 
  2. "Records | Test matches | Batting records | Number eleven top scoring in an innings | ESPN Cricinfo"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০২-২২ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]