কোলহাপুরি চপ্পল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কোলহাপুরি চপ্পল
ভৌগোলিক নির্দেশক
কোলহাপুরি চপ্পল
বিকল্প নামকোলহাপুরি স্যান্ডেল
বর্ণনাহস্তশিল্প
ধরনচপ্পল
অঞ্চলমহারাষ্ট্রকর্ণাটক
দেশভারত
নথিবদ্ধজুলাই ২০১৯
উপাদানচামড়া

কোলহাপুরি চপ্পল (ইংরেজি: Kolhapuri chappal) হল ভারতের মহারাষ্ট্রকর্ণাটকে প্রচলিত ও পরম্পরাগত হস্তশিল্পজাত একপ্রকার চামড়ার জুতো। স্থানীয়ভাবে উদ্ভিজ্জ বা প্রাকৃতিক রং ব্যবহার করে এই জুতোর চামড়া পাকা করা হয়। ২০১৯ সালের জুলাইয়ে কোলহাপুরি চপ্পল পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেড মার্ক নিয়ন্ত্রক জেনারেলের কাছ থেকে ভৌগোলিক নির্দেশক স্বীকৃতি লাভ করেছে। একটি ভুল ধারণা প্রচলিত আছে যে কেবল মহারাষ্ট্রের শিল্পীরাই এই চপ্পল তৈরি করার সাথে জড়িত। তবে বাস্তবিক অর্থে কর্ণাটকের বহু শিল্পীও বহু শতাব্দী ধরে কোলহাপুরি চপ্পল তৈরির কাজে জড়িত হয়ে আছে। কর্ণাটকের বাগলকোট, বেলগাভি, ধারওয়াড় এবং বিজয়পুর জেলার পাশাপাশি মহারাষ্ট্রের কোলহাপুর, সাংলী , সাতারা এবং সোলাপুর জেলাগুলো কোলহাপুরি চপ্পল তৈরি ও বাণিজ্যিকীকরনের স্বীকৃতি লাভ করেছে।[১][২][৩]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

কোলহাপুরি চপ্পলের উৎপত্তি হয়েছিল দ্বাদশ শতাব্দীতে, যখন রাজা বিজ্জালা এবং তাঁর প্রধানমন্ত্রী বাসবন্ন কোলহাপুরি চপ্পল উৎপাদনকে উৎসাহিত করেছিলেন যাতে মুচি সম্প্রদায়ের উন্নতি হয়। ঐতিহাসিক দলিল অনুসারে ১৩শ শতাব্দীর প্রথমদিকে কোলহাপুরির প্রথম প্ৰচলন হয়েছিল। এর পূর্বে এটি কাপাসি, পেতান, কচকাদি, বক্কালনালী এবং পুকরি নামে পরিচিত ছিল। নামগুলো মূলত বিভিন্ন গ্রামকে নির্দেশ করত যেখানে ‌এসব জুতো তৈরি হত। [৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Kolhapuris: The famous leather chappal get Geographical Indication tag - Geographical Indication tag"The Economic Times। ১৯ জুলাই ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-২১ 
  2. Patil, Abhijeet (২১ জুন ২০১৯)। "Kolhapuri chappal gets GI tag after decade-long wait"The Times of India (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯ 
  3. "Namma Kolhapuri chappal gets GI boost"The New Indian Express। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯ 
  4. "History of Kolhapuri Footwear-Indianmirror"