কার্কোট রাজবংশ
অবয়ব
কার্কোট রাজবংশ | |||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ৬২৫–৮৫৫ | |||||||||||
| ধর্ম | হিন্দুধর্ম | ||||||||||
| সরকার | রাজতন্ত্র | ||||||||||
| ঐতিহাসিক যুগ | ধ্রুপদী ভারত | ||||||||||
• প্রতিষ্ঠা | ৬২৫ | ||||||||||
• বিলুপ্ত | ৮৫৫ | ||||||||||
| |||||||||||
| বর্তমানে যার অংশ | আফগানিস্তান ভারত পাকিস্তান বাংলাদেশ | ||||||||||
কার্কোট রাজবংশ (৬২৫ − ৮৫৫) ৭ম ও ৮ম শতাব্দীতে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তরভাগের কিছু অংশ সহ কাশ্মীর উপত্যকায় শাসন করেছিল। তাঁদের শাসন রাজনৈতিক সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং সংস্কৃতি ও পাণ্ডিত্যের কেন্দ্র হিসাবে কাশ্মীরের উত্থানের সময়কাল দেখেছিল।[২][৩]
কার্কোট শাসকগণ তাঁদের রাজত্বে বিষ্ণুর বেশ কয়েকটি মন্দির নির্মাণ করেছিলেন।[৪] তবে তাঁরা তাঁদের অধীনে বৌদ্ধধর্মকে বিকাশ লাভ করতে দিয়েছিল। তাঁদের রাজধানীর ধ্বংসাবশেষে স্তূপ, চৈত্য ও বিহার দেখতে পাওয়া যায়। অনন্তনাগ জেলার মার্তণ্ড সূর্য মন্দিরটি ললিতাদিত্য তৈরি করেছিলেন। এটি ভারতের প্রাচীনতম সূর্য মন্দির, এবং সেই সময়ে সবচেয়ে বড় মন্দির চত্বরগুলির মধ্যে একটি ছিল।[৫]
অবন্তী বর্মণ ৮৫৫ খ্রিস্টাব্দে কাশ্মীরের সিংহাসনে আরোহণ করেন, উৎপল রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন এবং কার্কোটা রাজবংশের শাসনের অবসান ঘটান।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Schwartzberg, Joseph E. (১৯৭৮)। A Historical atlas of South Asia। Chicago: University of Chicago Press। পৃ. ১৪৬, map XIV.২ (f)। আইএসবিএন ০২২৬৭৪২২১০। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০২৩।
- ↑ Larson, Gerald James (২০০৭)। "Nagas, Monks, Tantrics and Poets"। Pal, Pratapaditya; Ames, Frank (সম্পাদকগণ)। The arts of Kashmir (ইংরেজি ভাষায়)। এশিয়া সোসাইটি; ৫টি মহাদেশ। পৃ. ৩৬–৩৭।
- ↑ Witzel, Michael (২০১৬)। "Kashmiri Brahmins under the Karkota, Utpala and Lohara Dynasties, 625-1101 CE"। Franco, Eli; Ratié, Isabelle (সম্পাদকগণ)। Around Abhinavagupta: Aspects of the Intellectual History of Kashmir from the Ninth to the Eleventh Century। Leipziger Studien zu Kultur und Geschichte Süd- und Zentralasiens। Münster, Germany। পৃ. ৬০৯–৬৪৩। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৬৪৩-৯০৬৯৭-৭।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থানে প্রকাশক অনুপস্থিত (লিঙ্ক) - ↑ Sanderson, Alexis (২০০৯)। "The Śaiva Age: The Rise and Dominance of Śaivism during the Early Medieval Period"। Einoo, Shingo (সম্পাদক)। Genesis and Development of Tantrism। Institute of Oriental Culture Special Series: 23। Tokyo: Institute of Oriental Culture, University of Tokyo। পৃ. ৬০–৬১, ৭৩, ২৯৮–৩০০। আইএসবিএন ৯৭৮-৪-৯০৩২৩৫-০৮-০।
- ↑ Siudmak, John (৫ এপ্রিল ২০১৩)। The Hindu-Buddhist Sculpture of Ancient Kashmir and its Influences। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০০৪২৪৮৩২৮।