কাজী আনোয়ারা মনসুর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ড.

কাজী আনোয়ারা মনসুর
জন্ম১৯১৮
নাগরিকত্ব বাংলাদেশ
যেখানের শিক্ষার্থীলেডি ব্রেবোর্ন কলেজ
প্রতিষ্ঠানঅগ্রণী স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা
পরিচিতির কারণশিক্ষাবিদ
দাম্পত্য সঙ্গীডা. কাজী আবুল মনসুর
সন্তাননাজমা করিম (কন্যা)
শহিদুল আলম (পুত্র)
পুরস্কারবেগম রোকেয়া পদক (১৯৯৯)

ড. কাজী আনোয়ারা মনসুর হলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী। নারী শিক্ষায় অনন্য সাধারণ অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে তাকে “বেগম রোকেয়া পদক” প্রদান করা হয়।[১]

জন্ম ও পারিবারিক পরিচিতি[সম্পাদনা]

মনসুর মিডিয়া” উদ্ভাবক অধ্যাপক ডাঃ কাজী আবুল মনসুর তার স্বামী এবং ফটো সাংবাদিক ড. শহিদুল আলম তার পুত্র।[১]

শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

তিনি কলকাতার লেডি ব্রেবোর্ন কলেজে শিক্ষা লাভের পর ১৯৮০ সালে ঢাকা হতে ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জন করেন।[২]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৫৭ সালের ২১ জানুয়ারি মাত্র ১৪ জন শিক্ষার্থী নিয়ে তিনি “আজিমপুর কিন্ডার গার্টেন স্কুল” প্রতিষ্ঠা করেন,[৩] যা পরবর্তীতে “অগ্রণী স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা” নামে পরিচিতি লাভ করে এবং তিনি এখানে একাধারে ৩০ বছর যুক্ত থেকে এদেশে নারী শিক্ষার প্রসারে অনন্য অবদান রাখেন।[৪] ১৯৬৯ সালে কবি সুফিয়া কামালের নেতৃত্বে প্রগতিশীল নারী সংগঠন গড়ে তোলার সময় তিনিও অংশগ্রহণ করেন।[২] তিনি বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারপার্সন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[৫]

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

১৯৯৯ সালে সমাজ ও নারীর ক্ষমতায়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত “বেগম রোকেয়া পদক” প্রদান করা হয় তাকে।[১]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "কারাগারে ড. শহিদুল : প্রথম শ্রেণির মর্যাদা দেওয়ার আবেদন"দৈনিক কালের কন্ঠ - অনলাইন। ২৮ আগস্ট ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  2. "ব্যক্তিত্ব : মায়ের চোখে শহিদুল আলম"দৈনিক প্রথম আলো - অনলাইন। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  3. "প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস"। অগ্রণী স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  4. শহীদুল ইসলাম বিশ্বাস (জানুয়ারি ২০০৩)। "অগ্রণী স্কুল ও কলেজ"। সিরাজুল ইসলামবাংলাপিডিয়াঢাকা: এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশআইএসবিএন 984-32-0576-6। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 
  5. "শহিদুল আলমকে নিয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে"পূর্বপশ্চিমবিডি.নিউজ - অনলাইন। ৯ আগস্ট ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]