ওয়াঝমা ফ্রঘ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ওয়াঝমা ফ্রঘ
Wazhma Frogh (Afghanistan) with Secretary of State Hillary Rodham Clinton and First Lady Michelle Obama.png
২০০৯ সালে হিলারি ক্লিনটনমিশেল ওবামার সাথে ওয়াঝমা ফ্রঘ
জাতীয়তাআফগানিস্তানি
পরিচিতির কারণআন্তর্জাতিক সাহসী নারী পুরস্কার ২০০৯ বিজয়ী

ওয়াঝমা ফ্রঘ হলেন একজন নারী অধিকার কর্মী।[১][২] তিনি ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক সাহসী নারী পুরস্কার লাভ করেছিলেন।

জীবনী[সম্পাদনা]

অষ্টম শ্রেণীতে পড়াকালীন সময়ে তিনি তার বাড়িওয়ালার সন্তানদের পড়াতেন, যাতে বাড়িওয়ালা তাদের বাড়িভাড়া হ্রাস করে এবং তিনি ও তার বোন স্কুলে যেতে পারে।[৩] তিনি সতের বছর বয়সে পাকিস্তানে আফগান শরণার্থী শিবিরের দুরাবস্থা এবং সেখানে নারী নির্যাতনের কাহিনী একটি পাকিস্তানি পত্রিকায় প্রকাশ করেন, যখন তিনি একটি পাকিস্তানি সংবাদপত্রে ইন্টার্নি করতেছিলেন।[৩] ১৯৯২ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনি নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তিনি পেশোয়ার থেকে ২০০১ সালে আফগানিস্তানে ফিরে আসেন।[৪] ২০০২ সালে তিনি আফগানিস্তানের নুরিস্তানের নারীদের অবস্থা বিষয়ক একটি প্রতিবেদনের কাজ শেষ করেন।[৪] তিনি দেশটির কান্দাহার, গজনি, হেরাত ও পারোয়ান প্রদেশে নারী উন্নয়ন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার সমর্থক ছিলেন।[৪]

তিনি আফগান অর্গানাইজেশন রিসার্চ ইন্সটিটিউট ফর উইমেন, পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির সহপ্রতিষ্ঠাতা।[২] ২০১৩ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যেয়ে ন্যাটোকে বারংবার মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী এক মিলিশিয়া কমান্ডার সম্পর্কে অবহিত করতে চেয়েছিলেন।[৫] ঐ মিলিশিয়া কমান্ডার প্রতিনিয়ত তাকে ও তার বোনকে হুমকি দিচ্ছিল। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্সটিটিউট অব ইনক্লুসিভ সিকিউরিটি তাকে ছয় থেকে বারো মাসের জন্য ভিজিটিং ফেলো হিসেবে কাজ করার আমন্ত্রণ জানালেও তার ভিসা প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল।[৫]

তিনি দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকায় আফগানিস্তান নিয়ে লিখেছেন। তিনি দেশটিতে নারী অধিকার নিয়ে কাজ করে চলেছেন।[৬]

তিনি নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদের সমর্থক, যেটি আফগানিস্তান ২০০৩ সালে অনুমোদন করেছিল।[৭][৮]

সম্মাননা[সম্পাদনা]

ওয়াঝমা ফ্রঘ ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক সাহসী নারী পুরস্কার লাভ করেন।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]