উইলিয়াম হার্ভে
উইলিয়াম হার্ভি | |
|---|---|
ড্যানিয়েল মেইটেন্স কর্তৃক স্বীকৃত প্রতিকৃতি, আনু. ১৬২৭ | |
| জন্ম | ১ এপ্রিল ১৫৭৮ |
| মৃত্যু | ৩ জুন ১৬৫৭ (বয়স ৭৯) রোহ্যাম্পটন, লন্ডন, ইংল্যান্ড |
| শিক্ষা | গনভিল অ্যান্ড কাইয়ুস কলেজ, কেমব্রিজ পাদুয়া বিশ্ববিদ্যালয় (M.D., ১৬০২) |
| পরিচিতির কারণ | ডে মটু কর্ডিস, ১৬২৮ (১৯২৮-এ হৃদপিণ্ড ও রক্তের সঞ্চালনের অঙ্গসংস্থানিক বিবরণ নামে অনূদিত) — দেহগত সঞ্চালন |
| দাম্পত্য সঙ্গী | এলিজাবেথ ব্রাউন |
| বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন | |
| কর্মক্ষেত্র | চিকিৎসাবিজ্ঞান অঙ্গসংস্থানবিদ্যা |
| ডক্টরাল উপদেষ্টা | হায়রোনিমাস ফ্যাব্রিসিয়াস |
| স্বাক্ষর | |
উইলিয়াম হার্ভে ( ১ এপ্রিল ১৫৭৮[১] – ৩ জুন ১৬৫৭[২]) ছিলেন একজন ইংরেজ চিকিৎসক যিনি শারীরবিদ্যা ও চিকিৎসাশাস্ত্রে অভূতপূর্ব অবদান রেখেছেন। মানুষের দেহ আর রোগ নিয়ে যাঁরা গবেষণা করে গেছেন তাদের মধ্যে উইলিয়াম হার্ভে অন্যতম। আজ থেকে প্রায় চারশো বছর আগে মানুষের দেহের ভেতর রক্তের পদ্ধতিগত চলাচলের প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণরূপে এবং বিস্তারিত তিনিই প্রথম বুঝতে পেরেছিলেন। এর আগে রক্ত চলাচল সম্পর্কে কারও সঠিক ধারণা ছিল না। শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্তশিরা পথে হৃৎপিণ্ডে আসে এবং হৃৎপিণ্ড থেকে ধমনীর মাধ্যমে বিভিন্ন অংশে সঞ্চালিত হয়, এটা সর্বপ্রথম হার্ভেই বলেছিলেন। এই প্রতিভাবান চিকিৎসক এর সম্মানার্থে ১৯৭৩ সালে তার জন্মস্থান 'ফোকস্টনে'র নিকটে 'অ্যাশফোর্ড' শহরে দ্যা উইলিয়াম হার্ভে হাসপাতাল' নির্মাণ করা হয়।
পরিবার
[সম্পাদনা]হার্ভের পিতা থমাস হার্ভে ছিলেন ফোকস্টনের একজন জুরাৎট, ১৬০০ সালে তিনি সেখানকার মেয়র হয়েছিলেন। নথিপত্র ও ব্যক্তিগত বর্ণনা থেকে জানা যায় তিনি ছিলেন সর্বোপরি একজন অবিচল, পরিশ্রমী এবং প্রখর বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন লোক। তার সুখ্যাতির চর্চা হতো চারদিকে যার কিছুটা হার্ভের ব্যক্তিগত জীবনেও সুফল বয়ে এনেছিল। তিনি এতটাই জনপ্রিয় ছিলেন যে, এসসিক্সের চিংওয়েল শহরে 'রোলস পার্কে'র ডাইনিংয়ের কেন্দ্রীয় দেয়ালের এখনো তার পোট্রেট শোভা পাচ্ছে। সাত ভাই ও দুই বোনের মধ্যে হার্ভে ছিলেন বয়োজ্যেষ্ঠ।
প্রারম্ভিক জীবন ও পাদুয়া বিশ্ববিদ্যালয়
[সম্পাদনা]হার্ভের প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয়েছিল ফোকস্টনে, সেখানে তিনি ল্যাটিন শিখতেন। তারপর তিনি ৫ বছর কিংস্ বিদ্যালয়ে যান। এরপর ১৫৯৩ সালে তিনি ক্যামব্রিজের 'গনভিল অ্যান্ড কাইজ কলেজ' থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন।
হার্ভে ১৫৯৭ সালে কাইজ থেকে বি এ পাস করেন । এরপর তিনি ফ্রান্স ও জার্মানি হয়ে ইতালি পাড়ি জমান এবং ১৫৯৯ সালে সেখানে তিনি 'পাদুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে' ভর্তি হন।
২৫ এপ্রিল ১৬০২ সালে মাত্র ২৪ বছর বয়সে হার্ভে পাদুয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ডক্টর অব মেডিসিন'এ স্নাতক সম্পন্ন করেন।
শিক্ষকরা তার দক্ষতা, মেধা, আগ্রহ ও স্মৃতিশক্তিতে এতটাই মুগ্ধ হন যে অল্পদিনেই তিনি সকলের মনে বিরাট এক আশার সঞ্চার করেন। পরীক্ষায়ও তিনি চমৎকার ভাবেই নিজেকে জানান দেন।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "BBC - History - William Harvey"। www.bbc.co.uk (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "William Harvey | Biography, Education, Experiments, Discoveries, & Facts | Britannica"। www.britannica.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ নভেম্বর ২০২৫।
- ইংরেজ চিকিৎসক
- ১৫৭৮-এ জন্ম
- ১৬৫৭-এ মৃত্যু
- গনভিল ও কাইয়াস কলেজ, কেমব্রিজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- পাদুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ১৭শ শতাব্দীর ইংরেজ চিকিৎসক
- ১৭শ শতাব্দীর ইংরেজ বিজ্ঞানী
- ১৭শ শতাব্দীর লাতিন ভাষার লেখক
- ইংরেজ অ্যাংলিকান
- ১৭শ শতাব্দীর শারীরস্থানবিদ
- মার্টন কলেজ, অক্সফোর্ডের সভ্য
- রয়্যাল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানের সভ্য
- ইংরেজ জীববিজ্ঞানী