ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(ইসমাইল ইবনে মূসা মেঙ্ক থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক
Menk talk at KSBEA 2015 (cropped).jpg
২০১৫ তে মেঙ্ক
জন্ম
জাতীয়তাজিম্বাবুয়ে
যেখানের শিক্ষার্থীমদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
পেশাইসলাম প্রচারক, বক্তা
যে জন্য পরিচিতদাওয়াহ
পুরস্কারKSBEA 2015 Awards সমাজ-সংস্কারে অবদান, ২০১৫
ওয়েবসাইটhttp://www.muftimenk.com/

ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক হলেন একজন বিখ্যাত মুসলিম শিক্ষাবিদ, ইসলাম প্রচারক ও বক্তা, যিনি মুফতি মেঙ্ক নামে অধিক পরিচিত। তিনি বর্তমানে জিম্বাবুয়ের মহান মুফতি বা "গ্র্যান্ড মুফতি"।[১][২]

জীবন[সম্পাদনা]

জন্ম ও শিক্ষা জীবন[সম্পাদনা]

মুফতি মেঙ্ক জিম্বাবুয়ের হারারে-তে জন্মগ্রহণ করেন, সেখানেই তাঁর প্রারম্ভিক শিক্ষার হাতেখড়ি। উনি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখতে যাবেন, তাঁর আগ দিয়ে জানতে পারেন উনার পিতা মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্যে উনার নাম দিয়েছিলেন এবং উনি নির্বাচিত হয়েছেন। তখন উনার বাবা উনাকে বলেন, মদিনা রাসুলুল্লাহ (সা) এর শহর, চেষ্টা করে দেখতে গিয়ে কি হয়। বাবার কথামত উনি সেখানে যান [১] এবং পরবর্তীতে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শরিয়া আইনের ওপর উপাধি অর্জন করেন। এরপর ভারতের গুজরাট থেকে আইনশাস্ত্রে উচ্চতর শিক্ষা অর্জন করেন[৩] এবং মুফতি উপাধি লাভ করেন।[৪]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

তিনি জিম্বাবুয়ের মুসলিম জনসংখ্যার শিক্ষার চাহিদা সরবরাহের জন্য প্রতিষ্ঠিত দার-উল ইলম (ইসলামিক এডুকেশনাল সেন্টার)-এর প্রধান পরিচালক। মুফতি মেঙ্ক বিশেষত পূর্ব আফ্রিকায় বিপুল জনপ্রিয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে মুসলিম-বক্তা হিসেবে পরিচিত মুখ।[৫]

সমাজ-সংস্কার[সম্পাদনা]

তিনি কঠোরভাবে সমকামের বিরুদ্ধে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি সমকামীদের উদ্দেশ্য করে বলেনঃ ‘কিভাবে তোমরা একই লিঙ্গের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করো? অথচ কুরআন একে স্পষ্ট ভাবে নিষিদ্ধ করেছে, নোংরা বলে আখ্যায়িত করেছে।'[৬]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনপ্রিয়তা[সম্পাদনা]

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনুপ্রেরণামূলক বিভিন্ন উক্তির মাধ্যমে তিনি তুমুল বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের মধ্যে তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। তাঁর ফেসবুকে প্রায় ২.৮ মিলিয়নের বেশি ফলোয়ার, টুইটারে প্রায় ৩.৫ মিলিয়ন ফলোয়ার বিদ্যমান। এছাড়া ইউটিউবে তাঁর প্রায় ২৮ লাখের বেশি সাবস্ক্রাইবার আছে।

সম্মাননা[সম্পাদনা]

২০১৫ সালে সমাজ-সংস্কারে অবদান রাখার জন্য কেএসবিইএ আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব ২০১৫ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।[৭] এছাড়া ২০১৬ সালে ফিলিপাইনের একটি ধর্মীয় বিশ্ববিদ্যালয় 'অ্যালডারসগেইট ইউনিভার্সিটি' তাঁকে সমাজ-সংস্কারের জন্য অনারারি ডক্টরেট দিয়ে সম্মানিত করে।[৮]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Peace comes calling a look into the Life of Mufti Menk, Grand Mufti of Zimbabwe."Cochin Herald। ৩১ আগস্ট ২০১৬। ২৬ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০১৭ 
  2. Stack, Liam (৪ জুন ২০১৬)। "The World Reacts on Social Media to Muhammad Ali's Death"The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ৯ আগস্ট ২০১৭Ismail Menk, the Grand Mufti of Zimbabwe, the African country’s highest Islamic religious authority 
  3. Jawad Sayed, Edwina Pio, Tahir Kamran, Abbas Zaidi, editors (২০১৬), Faith-Based Violence and Deobandi Militancy in Pakistan, Palgrave Macmillan, পৃষ্ঠা 461, আইএসবিএন 978-1-349-94965-6 
  4. "About Mufti Menk"। Mufti Menk.com। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৫ 
  5. "Mufti Ismail Menk"। themuslim 500.com। ৫ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ আগস্ট ২০১৫ 
  6. "Liverpool University Agreed To Host Islamic Preacher Ismail Menk, Who Says Gays Are 'Filthy' (POLL)"The Huffington Post UK। ১১ নভেম্বর ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুলাই ২০১৫ 
  7. "4th KSBEA 2015 Global Leadership Award 2015 Winners" (PDF)Times Of India। ১০ জুন ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুলাই ২০১৫ 
  8. "MUFTI ISMAIL MENK HONORED"Aldersgate College। ১৬ এপ্রিল ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]