আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক
AKM Mozammel Haque.jpeg
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
৬ জানুয়ারি, ২০১৪ - বর্তমান
প্রধানমন্ত্রীশেখ হাসিনা
গাজীপুর-১ আসনের
সংসদ সদস্য
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
জানুয়ারী ২০০৮ – বর্তমান
পূর্বসূরীরহমত আলী
সংখ্যাগরিষ্ঠবাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1946-10-01) ১ অক্টোবর ১৯৪৬ (বয়স ৭৪)
গাজীপুর
নাগরিকত্বব্রিটিশ ভারত (১৯৪৭ সাল পর্যন্ত)
পাকিস্তান (১৯৭১ সালের পূর্বে)
বাংলাদেশ
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
দাম্পত্য সঙ্গীলায়লা আরজুমান বানু
মাতারাবেয়া খাতুন
পিতাডা. আনোয়ার আলী

আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক (জন্ম ১ অক্টোবর ১৯৪৬) হলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন রাজনীতিবিদ। তিনি বর্তমানে গাজীপুর-১ আসনের সাংসদ ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। সংবিধান অনুযায়ী দশম জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে ৩ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে একাদশ সংসদের সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি শপথবাক্য পাঠ করেন।[১]

জন্ম[সম্পাদনা]

মোজাম্মেল হক ১৯৪৬ সালের ১লা অক্টোবর গাজীপুর সদর উপজেলার দাখিণ খান গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডা. আনোয়ার আলী ও মাতার নাম মরহুমা রাবেয়া খাতুন।[২]

রাজনীতি ও কর্মজীবন[সম্পাদনা]

মোজাম্মেল হক ছাত্রাবস্থায় পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সহ-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তৎকালীন গাজীপুর মহকুমা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ১৯৭৩ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত তিনি ৩ বার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ৪ বার পৌরসভার মেয়র এবং ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ গাজীপুরে সর্বপ্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধে তিনি সশস্ত্র প্রতিরোধ কমিটির আহবায়ক হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে ব্রিগেডিয়ার জাহান জেবের বিরম্নদ্ধে সম্মুখে যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন।[৩] ১৯৮৯ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত পৌর চেয়ারম্যান ও মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ২০০৮ ও ২০১৪ সালে গাজীপুর-১ আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হন।[৪][৫] এ সময় তিনি সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন. [২] তিনি ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ থেকে ৬ জানুয়ারি ২০১৯ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের ধর্মমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালযয়ের মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি গাজীপুরের প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশ নিয়ে সশস্ত্র প্রতিরোধ কমিটির আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "শপথ নিলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা"www.prothomalo.com। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৯ 
  2. "আ ক ম মোজাম্মেল হক, মাননীয় মন্ত্রী |Ministry of Liberation War Affairs-Government of the People's Republic of Bangladesh | মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৭-০১ 
  3. "আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক, মাননীয় মন্ত্রী: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এর জীবন বৃত্তান্ত"বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। ২৯ অক্টোবর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  4. BanglaNews24.com। "বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হচ্ছেন ১৩৩ জন"banglanews24.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৭-০১ 
  5. "ফাঁকা মাঠে ১২৭"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০১৭