আশাঘি গোভহার আগা মসজিদ
| আশাঘি গোভহার আগা মসজিদ | |
|---|---|
| |
পুনঃসংস্কারের পর, ২০২৪ সালে মসজিদটি | |
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | ইসলাম |
| যাজকীয় বা সাংগঠনিক অবস্থা | মসজিদ |
| অবস্থা | সক্রিয় |
| অবস্থান | |
| অবস্থান | শূষা |
| দেশ | আজারবাইজান |
আজারবাইজানে মসজিদের অবস্থান | |
| স্থানাঙ্ক | ৩৯°৪৫′৪৩″ উত্তর ৪৬°৪৫′১৩″ পূর্ব / ৩৯.৭৬১৯৪° উত্তর ৪৬.৭৫৩৬১° পূর্ব |
| স্থাপত্য | |
| স্থপতি | কারবালাই সাফিখান কারাবাখি |
| ধরন | মসজিদ স্থাপত্য |
| স্থাপত্য শৈলী | আজারবাইজানি স্থাপত্য |
| সম্পূর্ণ হয় | ১৮৭৫–১৮৭৬ |
| বিনির্দেশ | |
| গম্বুজসমূহ | চারটি (সম্ভবত আরও) |
| মিনার | দুটি |
আশাঘি গোভহার আগা মসজিদ (আজারবাইজানি: Aşağı Gövhər ağa məscidi, অর্থাৎ "নিম্ন গোভহার আগা মসজিদ"; আরবি: مسجد أشاغي غوهار أغا) আজারবাইজানের শূষা শহরে অবস্থিত একটি মসজিদ।[১][২]
"আশাঘি" শব্দটি "নিম্ন" অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা শহরের নিচের অংশে এই মসজিদের অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত। এটি ইুখারি গোভহার আগা মসজিদ থেকে আলাদা, যা শহরের উপরের অংশে অবস্থিত।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]এই মসজিদের নির্মাণ শেষ হয় কারাবাখ খানাতের ইব্রাহিম খালিল খানের কন্যা গোভহার আগা-এর নির্দেশে। এটি উপরের গোভহার আগা মসজিদের প্রায় আট বছর আগে নির্মিত হয়।[৩] দুটি মসজিদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো—আশাঘি মসজিদের মিনার দুটি পিছনের দেয়ালের কোণায় অবস্থিত, আর ইুখারি মসজিদের মিনার দুটি সম্মুখভাগে।
শূষা শহর দখলের সময় আর্মেনীয় সাঁজোয়া বাহিনীর তীব্র গোলাবর্ষণের ফলে মসজিদটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অবমাননার শিকার হয়।[৪] আরতসাখ প্রজাতন্ত্র সময়কালে ২০০৫–২০০৭ সালের মধ্যে এটি আংশিকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থায় ছিল।[৫]
যদিও দাবি করা হয়েছিল যে মসজিদটি সংস্কার করা হয়েছে, আজারবাইজানি একটি প্রতিনিধি দল সেখানে গিয়ে দাবি করে যে মসজিদ এখনও ক্ষতিগ্রস্ত এবং কোনো সংস্কার কাজ চলছে না।[৬][৭]
শেষ পর্যন্ত হেইদার আলিয়েভ ফাউন্ডেশন-এর সহায়তায় মসজিদটির পূর্ণ সংস্কার ২০২৪ সালে সম্পন্ন হয়।[৪]
গ্যালারি
[সম্পাদনা]- ২০১০ সালে মসজিদটি
- ২০১৭ সালে ছাদের দৃশ্য
- মসজিদের অভ্যন্তর
- মিনারসমূহ
- মিনার থেকে দৃশ্য
- অভ্যন্তরের শিলালিপি
- ধ্বংসাবশেষের চিত্র
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Plants Genetic Resources in Central Asia and Caucasus"। ১৬ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১০।
- ↑ "Shusha State Historical & Architectural Reserve"। ৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১০।
- ↑ "Şuşa məscidini təhlükə gözləyir"। Canaz.tv (আজারবাইজানী ভাষায়)। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১০।
- 1 2 "Ashaghy Govhar Agha Mosque"। Projects: Culture। Heydar Aliyev Foundation। ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ↑ "Ermənilər Şuşanı dağıdır"। arshiv.gamoh.info (আজারবাইজানী ভাষায়)। ২১ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১০।
- ↑ "Фотоснимки оккупированной Шуши"। Vesti (রুশ ভাষায়)। ৬ জুলাই ২০০৯। ৬ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১০।
- ↑ "Bu gün düşüncəmdə ermənilərin düşmən obrazı yoxdur"। azadliq.org (আজারবাইজানী ভাষায়)। ১ সেপ্টেম্বর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১০।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]
উইকিমিডিয়া কমন্সে আশাঘি গোভহার আগা মসজিদ সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।