আল-কুদস মসজিদ হামবুর্গ
| আল-কুদস মসজিদ হামবুর্গ | |
|---|---|
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | ইসলাম |
| অবস্থান | |
| অবস্থান | সেন্ট জর্জ, হামবুর্গ, জার্মানি |
| স্থানাঙ্ক | ৫৩°৩৩′২৫″ উত্তর ১০°০১′১০″ পূর্ব / ৫৩.৫৫৬৯৪° উত্তর ১০.০১৯৪৪° পূর্ব |
| স্থাপত্য | |
| ধরন | মসজিদ |
| সম্পূর্ণ হয় | ১৯৯৩ |
আল-কুদস মসজিদ হামবুর্গ (আরবি: مسجد القدس, যার অর্থ "জেরুজালেম" বা মসজিদ তাইবা مسجد طيبة) জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত একটি মসজিদ। মসজিদটি সুন্নি ইসলামের উগ্ররূপ প্রচারের জন্য পরিচিত। জার্মান নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ২০১০ সালে মসজিদটি বন্ধ করে দেয়।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]মসজিদটি ১৯৯৩ সালে চালু হয় এবং তাইবা জার্মান-আরব সাংস্কৃতিক সমিতি দ্বারা পরিচালিত হত।[১] এটি হামবুর্গের সেন্ট জর্জ সেকশনের রেল স্টেশনের কাছে অবস্থিত ছিল।[২]
হামবুর্গের অন্যান্য অনেক মসজিদের বিপরীতে (যা পারস্য ও তুর্কি জনবহুল) আল-কুদস হামবুর্গের সংখ্যালঘু আরবরা পরিচালনা করত।[৩] ইমান মোহাম্মদ আল ফিজাজির নেতৃত্বে, মসজিদটি সুন্নি ইসলামের একটি উগ্রবাদী নীতি প্রচার করছিল। মসজিদের অন্যান্য নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শেখ আজিদ আল কিরানি।
পুরুষদের জন্য প্রার্থনা কক্ষটি প্রথম তলায় অবস্থিত ছিল এবং এতে ৪০০ জন একত্রে নামাজ পড়তে পারত। মহিলাদের জন্য একটি পৃথক প্রার্থনা কক্ষ ছিল। শুক্রবার, মসজিদে সাধারণত প্রায় ২৫০ জন উপস্থিত হত।
জার্মান নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের মতে, ২০০৪ সাল নাগাদ মসজিদটি উত্তর আফ্রিকান এবং ইরাকি জিহাদিবাদের সমর্থকদের মিলনস্থলে পরিণত হয়। ২০০৯ সাল নাগাদ, মসজিদটি এমন জায়গায় পরিণত হয় যেখানে সালাফি আন্দোলনের সদস্যরাও আলাপ-আলোচনা করতে যেত।[৪]
২০১০ সালে নিষিদ্ধ ঘোষণা
[সম্পাদনা]২০১০ সালের ইউরোপীয় সন্ত্রাসী চক্রান্তের সাথে জড়িত ইসলামি চরমপন্থীরা মসজিদটিকে আবার একটি মিলনস্থল হিসেবে ব্যবহার করছে এমন অভিযোগ তুলে ২০১০ সালের আগস্টে জার্মান নিরাপত্তা কর্মকর্তারা মসজিদটিকে বন্ধ করে দেয়।[৫][৬][৭] জার্মান কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান করে তথ্য পায় যে মসজিদের ১০ জন সদস্য পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থান করেছিল এবং মসজিদের একজন ইরানি শাহাব উজবেকিস্তানের ইসলামী আন্দোলন দলে যোগ দিয়েছিল।[৮]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Moore, Tristana (১০ আগস্ট ২০১০)। "Jihadi Tourism and the Closed Hamburg Mosque"। Time। ২৮ আগস্ট ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১০।
- ↑ Finn, Peter (১১ সেপ্টেম্বর ২০০২)। "Hamburg's Cauldron of Terror"। The Washington Post।
- ↑ McDermott, Terry (২০০৫)। Perfect Soldiers: The Hijackers: Who They Were, Why They Did It। HarperCollins। পৃ. ৩। আইএসবিএন ০-০৬-০৫৮৪৬৯-৬।
- ↑ Online, FOCUS। "Islamismus-Experte klagt Hamburger Senat an: Integration von Muslimen gescheitert"। FOCUS Online (জার্মান ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১৮।
- ↑ "9/11 Mosque Continued To Produce Jihadis; German-Speaking Militants Came From Same Hamburg Mosque As 9/11 Hijackers," RICHARD ESPOSITO, RHONDA SCHWARTZ, MATTHEW COLE and ANNA SCHECTER, Sept. 29, 2010, ABC News.
- ↑ "Germany shuts 9/11 plotters' mosque in Hamburg"। BBC। ৯ আগস্ট ২০১০। ১৭ আগস্ট ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১০।
- ↑ "Hamburg Officials Raid Alleged Islamist Recruiting Site"। Der Spiegel। ৯ আগস্ট ২০১০। ১৭ আগস্ট ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১০।
- ↑ Hengst, Björn; Christoph Scheuermann (৯ আগস্ট ২০১০)। "Hamburg Hate Preachers Lose Their Home"। Der Spiegel। ১৮ আগস্ট ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১০।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- "Al Qaeda in Germany"। পিবিএস (PBS), অনলাইন নিউজ-আওয়ার। ২৫ অক্টোবর ২০০২। ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ এপ্রিল ২০২২।