আর্তুক বে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জহির-উদ-দৌলা আর্তুক বে
জেরুজালেমের গভর্নর
কাজের মেয়াদ
১০৮৬ – ১০৯১
উত্তরসূরীইলগাজি and সাকম্যান
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মunknown
মৃত্যু১০৯১
জেরুজালেম, সেলজুক সাম্রাজ্য
জাতীয়তাTurk, Döger tribe of the Oghuz[১]
সামরিক পরিষেবা
আনুগত্যসেলজুক সাম্রাজ্য
পদজেনারেল
যুদ্ধমালাজগির্দ যুদ্ধ (1071)
এমিড বিজয় (১০৮৫)
আলেপ্পো যুদ্ধ (১০৮৬)

জহির-উদ-দৌলা আর্তুক বে, যিনি আর্তুক বে নামে খ্যাত। তিনি একাদশ শতাব্দীতে সেলজুক সাম্রাজ্যের তুর্কি সেনাপতি ছিলেন। তাঁর পিতার নাম আকসুক। তিনি ১০৮৫-১০১০ পর্যন্ত জেরুজালেমের সেলজুক গভর্নর ছিলেন। যদিও আর্তুকিদ রাজবংশের নামকরণ করা হয়েছিল আর্তুক বে নামে, তবে প্রকৃতপক্ষে রাজবংশের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল তাঁর মৃত্যুর ১১ বছর পর তাঁর পুত্র সাকম্যান এবং ইলগাজির মাধ্যমে। আল্প-ইয়ারুক, বাহরাম, আবদুল জব্বার এবং আরও তিন ছেলের তিনি পিতা ছিলেন। [২]

আনাতোলিয়ায়[সম্পাদনা]

আর্তুক বে ১০৭১ সালে মালাজগির্দের যুদ্ধের সময় গ্রেট সেলজুক সাম্রাজ্যের সেনাবাহিনীর অন্যতম কমান্ডার ছিলেন। যুদ্ধের পরে তিনি সেলজুক সাম্রাজ্যের পক্ষে আনাতোলিয়া বিজয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ১০৭৪ সালে ইয়েলিলমার্ক উপত্যকা দখল করেছিলেন। তিনি ১০৭৭ সালে বিদ্রোহ দমন করে সুলতানকে সহযোগিতা করেছিলেন। [৩]

তার পরবর্তী মিশন ছিল মারওয়ানিদের কাছ থেকে দিয়েরবাকর (এমিড) দখল করা। এই লক্ষ্যে তিনি ১০৮৬ সালে একটি অভিযানে অংশগ্রহণ করেন। এই অভিযানে তিনি প্রধান সেনাপতি ফখর আদ-দাওলা ইবনে জাহিরের সাথে মতনৈক্য তৈরী হয়। ফখর আদ-দাওলা ইবনে জাহির মারওয়ানিদের সাথে শান্তি স্থাপনের প্রতি মত দিয়েছিলেন। একটি আশ্চর্যজনক আক্রমণে তিনি মারওয়ানিদের সৈন্যদেরকে পরাজিত করেছিলেন। তবে সুলতান মালিক শাহ যখন ঘটনাটি শুনেছিলেন তখন তিনি আর্তুক বেকে অভিযুক্ত করেছিলেন। [৪]

সিরিয়ায়[সম্পাদনা]

১০৮৪ সালে আর্তুক বে যুদ্ধের মাঠ ছেড়ে তুতুশের সাথে সিরিয়ায় যোগ দিয়েছিলেন, যিনি মালিক শাহের ছোট ভাই ছিলেন। ১০৮৬ সালে সুলাইমান এবং তুতুশের মধ্যকার যুদ্ধে রুম সালতানাতের সুলতান সুলাইমান ইবনে কুতুলমিশকে পরাস্ত করতে তিনি মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন।

জেরুজালেমে[সম্পাদনা]

তুতুশ তাকে আল-কুদসের(জেরুজালেম)গভর্নর নিযুক্ত করেন। আর্তুক বে ১০৯১ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত গভর্নর ছিলেন। তাঁর কবরের পাশে আল-দাওদারিয়া গেটের নিকট একটি খানকাহ রয়েছে, যা আজ বাদশাহ ফয়সাল গেট নামে পরিচিত।

তলব[সম্পাদনা]

  1. "İslâm Ansiklopedisi Online (in Turkish)" PDF "TDV Encyclopedia of Islam" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে. Retrieved 25 March 2015
  2. Hillenbrand, Carole, History of the Jazira, 1100-1150:  The Contribution of ibn al-Azraq al-Fariqi,  Ph.D. thesis, University of Edinburgh, 1979, pg. 620
  3. Yüce- Sevim p.164
  4. Yüce-Sevim, p.68

সোর্স[সম্পাদনা]

  • Yücel, Yaşar; Sevim, Ali (১৯৯০)। Türkiye Tarihi Cilt I। AKDTYK Yayınları।