অ্যাভ্‌রিল লাভিন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
অ্যাভ্‌রিল লাভিন
Avril Lavigne, Wango Tango 2013.jpg
কার্সন, ক্যালিফর্নিয়া কিস এফএম'র বার্ষিক ওয়াঙ্গো ট্যাঙ্গো কনসার্টে লাভিন, মে ২০১৩
স্থানীয় নাম Avril Ramona Lavigne
জন্ম আভ্‌রিল রামোনা লাভিন
(১৯৮৪-০৯-২৭) ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৮৪ (বয়স ৩৩)
বেলেভিলে, অন্টারিও, কানাডা
জাতীয়তা কানাডীয়
নাগরিকত্ব কানাডীয়
পেশা
  • গায়ক
  • গীতিকার
  • অভিনেত্রী
  • উদ্যোক্তা[১]
কার্যকাল ১৯৯৯–বর্তমান
আদি শহর অন্টারিও
দাম্পত্য সঙ্গী
ওয়েবসাইট avrillavigne.com
সঙ্গীত কর্মজীবন
উদ্ভব অন্টারিও
ধরন
বাদ্যযন্ত্রসমূহ
লেবেল
সহযোগী শিল্পী
উল্লেখযোগ্য বাদ্যযন্ত্র
স্কুইয়ার সিগনেচার টেলিক্যাস্টার মডেল গিটার
স্বাক্ষর
Avril Lavigne's signature.svg

অ্যাভ্‌রিল রামোনা লাভিন (/ˈævrl ləˈvn/; AV-ril lə-VEEN-'; জন্ম: সেপ্টেম্বর ২৭, ১৯৮৪) কানাডীয় গায়িকা, গীতিকার এবং অভিনেত্রী। তিনি বেলেভিলে, অন্টরিওতে জন্ম নেন এবং যৌবনের অধিকাংশ সময় এখানকার নাপানি শহরে ব্যয় করেন। ১৫ বছর বয়সে তিনি শানাইয়া টোয়েইনের সাথে মঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন। ১৬ বছর বয়সে এরিস্টা রেকর্ডসের সঙ্গে $২ মিলিয়ন ডলারের অধিক দুটি অ্যালবাম রেকর্ডিংয়ের চুক্তি স্বাক্ষর করেন। ২০০২ সালে, ১৭ বছর বয়সে, লাভিন তাঁর আত্মপ্রকাশ অ্যালবাম লেট গো মুক্তি দেন, এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় পপ পাঙ্ক শিল্পীদের একজন হয়ে উঠেন, কারণ তিনি একটি তার "স্কেটার পাঙ্ক" এবং "পপ পাঙ্ক প্রিন্সেস" খ্যাতি অর্জন করেন[৪][৫]। তার পেশাদার আত্মপ্রকাশের কাল থেকে এ-পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী প্রায় ৩০ মিলিয়নের অধিক অ্যালবাম এবং ৫০ মিলিয়নের অধিক একক অ্যালবাম বিক্রি হয়েছে।[৬]

লেট গো লাভিনকে কনিষ্ঠ মহিলা এককশিল্পী হিসেবে ইউকে-তে শীর্ষ স্থানে পৌঁছে দেয়। ২০১৩ সালের হিসেবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এ-অ্যালবামের প্রায় ৭ মিলিয়ন কপি এবং বিশ্বব্যাপী ১৭ মিলিয়নের অধিক কপি বিক্রি হয়েছে।[৭][৮] লেট গো অ্যালবামের মতোই তাঁর যুগান্তকারী একক, কমপ্লিকেটেড, বিশ্বের অনেক দেশে ১ম স্থানে অবস্থান নেয়। মে ২০০৪ সালে মুক্তি পায় তাঁর দ্বিতীয় স্টুডিও অ্যালবাম, আন্ডার মাই স্কিন। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ স্থানে অবস্থান নেয়া তাঁর প্রথম স্টুডিও অ্যালবাম। বিলবোর্ড ২০০, অবশেষে বিশ্বব্যাপী এর ১০ মিলিয়নের অধিক কপি বিক্রি করে। দ্য বেস্ট ড্যাম থিঙ্গ, ২০০৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত লাভিনের তৃতীয় অ্যালবাম, যা ইউকে অ্যালবাম চার্টে শীর্ষ স্থানে অবস্থান নেয় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমন্বিত প্রথম অ্যালবাম। বিলবোর্ড হট ১০০-এর শীর্ষ স্থানে অবস্থান নেয়, "গার্লফ্রেন্ড"। লাভিনের বিশ্বব্যাপী ছয়টি ১ নম্বর স্থানে অবস্থান নেয়া এককের মধ্যে রয়েছে, "কমপ্লিকেটেড", "স্কটোর বোই", "আই'ম উইথ ইউ", "মাই হ্যাপি এন্ডিং", "নোবডি'স্ হোম", এবং "গার্লফ্রেন্ড"। লাভিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ-বিক্রিত শিল্পীদের একজন, যার প্রায় ১১ মিলিয়নের অধিক কপি আরআইএএ কর্তৃক প্রত্যয়িত হয়েছে। তাঁর চতুর্থ স্টুডিও অ্যালবাম, গুডবাই লালাবাই, মার্চ ২০১১ সালে মুক্তি পায়। গুডবাই লালাবাই তাঁর চতুর্থ অ্যালবাম হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ ১০টি অ্যালবামের মধ্যে অবস্থান নেয়। বিলবোর্ড ২০০ এবং ইউকে অ্যালবাম চার্ট এবং জাপান ও অস্ট্রেলিয়ায় এটি তাঁর তৃতীয় নম্বর ১ম অ্যালবাম। গুডবাই লালাবাই মুক্তির তিন মাস পর, লাভিন স্বনামপ্রদত্ত শিরোনামে পঞ্চম স্টুডিও অ্যালবামের কাজ শুরু করেন, যা এপিক রেকর্ডস্ কর্তৃক নভেম্বর ১, ২০১৩ সালে মুক্তি পায়।[৯][১০][১১]

লাভিন চলচ্চিত্রে অভিনয়, পোশাক এবং সুগন্ধি নকশা-পরিকল্পনায় পেশাজীবন শুরুর লক্ষে, সঙ্গীত রেকর্ডিং থেকে বিছু সময়ের বিরতি নেন। ২০০৬ সালে তিনি ওভার দ্য হেজ অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্রে কণ্ঠ প্রদান করেন। একই বছর, ফাস্ট ফুড নেশন চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে তিনি রূপালী পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন। ২০০৮ সালে, লাভিন তাঁর পোশাক লাইন এ্যাবে ডন চালু করেন এবং ২০০৯ সালে, তিনি তাঁর প্রথম সুগন্ধি ব্যাক স্টার বাজারে মুক্তি দেন। এরপর ২০১০ সালে দ্বিতীয় সুগন্ধি ফরবিডেন রোজ, এবং ২০১১ সালে তৃতীয় সুগন্ধি ওয়াইল্ড রোজ প্রকাশ করেন। জুলাই ২০০৬ সালে, লাভিন তাঁর দুই বছরের ছেলেবন্ধু ডেরিক হুইব্লিকে বিয়ে করেন, যিনি সাম ৪১ দলের মুখ্য গায়ক এবং গিটারবাদক। এই বিয়ে তিন বছরের কিছু বেশি স্থায়ী হয়েছিলো, এবং অক্টোবর ২০০৯ সালে লাভিন বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেন। তবে হুইব্লি এবং লাভিন তাদের একত্রে কাজ করা অব্যাহত রাখেন, এবং লাভিনের চতুর্থ একক অ্যালবাম "এলিস" প্রযোজনা করেন হুইব্লি। গানটি রচিত হয়েছিলো টিম বার্টন-এর এলিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড চলচ্চিত্রের জন্যে। ২০১৩ সালে লাভিন নিকেলব্যাক দলের ক্যাড ক্রোইগারকে বিয়ে করেন।

প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা[সম্পাদনা]

অ্যাভ্‌রিল রামোনা লাভিন বেলেভিলে, অন্টারিও, কানাডায় জন্ম নেন। তাঁর বাবা, জাঁ ক্লদ জোসেফ লাভিন।[১২] ফরাসি শব্দে এপ্রিল মাসের নামানুসারে তাঁর "অ্যাভ্‌রিল" নামকরণ হয়েছে। দুই বছর বয়সে, তিনি তাঁর মা জুডিথ-রোজেন "জুডি"-এর (জাত লসহাও)[১৩] সাথে গির্জায় গান গাইতে শুরু করেন। জুডি গির্জায় তাঁর দু-বছর বয়সী মেয়ের "জেসাস লাভস্ মি" গান শোনার পর তার গানের প্রতিভা আবিষ্কার করেন।[১৪] লাভিনের বড় ভাই, ম্যাথু, এবং ছোট বোন, মিশেল,[১৫] দুজনই তাঁকে গান গাওয়ার সময় খেপাতো। "আমি যখন নিজেকে ঘুম পাড়াতে গান গাইতাম তখন আমার ভাই দেয়ালে শব্দ করতো, কারণ সে ভাবতো এটা সত্যিই বিরক্তিকর ছিল।"[১৪] তাঁর বাবা একজন ফরাসি বংশদ্ভুত এবং তাঁর মা একজন ইংরেজ, স্কটিশ, এবং জার্মান পূর্বপুরুষ।[১৬]

লাভিনের পাঁচ বছর বয়সে, তার পরিবার প্রায় ৫,০০০ জনসংখ্যার শহর নাপানী, অন্টারিও-তে,[১৩] স্থানান্তরিত হয়।[১৭][১৮][১৯] যদিও শিশুকাল থেকেই তিনি মনোযোগে ঘাটতি (ADHD) জনিত ব্যাধির সঙ্গে সংগ্রাম করেছেন।[২০][২১] এবং একারণে তিনি প্রায়ই শ্রেণীকক্ষ থেকে উন্মার্গগামী আচরণের জন্যে বিতারিত হতেন। তবে তাঁর বাবা গান গাওয়ায় সমর্থন জানাতেন। বাবা তাঁকে একটি মাইক্রোফোনও, একটি ড্রাম কিট, একটি কীবোর্ড, এবং সাধারণ গিটার কিনে দেন এবং তাঁদের বুনিয়াদ প্রায় একটি স্টুডিওতেই রুপান্তর করেন। সঙ্গীত এবং বিশ্বাসের প্রতি প্রেমের কারণে, জাঁ ক্লদ তার পরিবারকে কিংস্টনে প্রতি তৃতীয় দিবসে পূজা কেন্দ্রে যাওয়ার ব্যপারে নেতৃত্ব দিতেন। যেখানে লাভিন বেইস বাজাতেন। লাভিনের যখন ১৪ বয়স, বাবা-মা তাকে কারাওকে সেশানে পাঠালেন।[২২] লাভিন এছাড়াও দেশীয় মেলায় মঞ্চে গার্থ ব্রুকস, দ্য ডেকচি চিকস্, এবং শ্যানিয়া টোয়াইন-এর সঙ্গে একত্রে গান পরিবেশন করেছেন। তিনি তাঁর নিজের গান লেখা শুরু করেন। তাঁর রচিত প্রথম গান ছিলো কিশোর ভালোবাস সম্পর্কিত, "ক্যান'ট্ স্টপ থিংকিং এ্যবাউট ইউ", যা তিনি "চিজি কিউট" হিসেবে বর্ণনা করেন।[২৩]

সঙ্গীত কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৯৯–২০০১: প্রাথমিক পারফরমেন্স এবং রেকর্ড চুক্তি[সম্পাদনা]

১৯৯৯ সালে, লাভিন ২০,০০০ মানুষের একটি শ্রোতাদল ছাড়িয়ে, অটোয়ায় কোরেল সেন্টারে কানাডীয় গায়ক শ্যানিয়া টোয়াইনের সাথে সঞ্চালনের জন্য একটি বেতার প্রতিযোগীতায় জেতেন।[২৪][১৩][১৭] টোয়াইনে এবং লাভিন "হোয়াট মেড ইউ সে দ্যাট" গানটি গান,[১৩] এবং লাভিন টোয়াইনকে বলেন যে তিনি "একজন বিখ্যাত গায়ক" হতে যাচ্ছেন।[১৭] লেনক্স কমিউনিটি থিয়েটারে একটি সঞ্চালনের সময়, লাভিন স্থানীয় লোক গায়ক স্টিফেন মেড কর্তৃক সহযোগিতা লাভ করেন। মেড তাঁর ১৯৯৯ সালের কুইন্ট স্পিরিট অ্যালবামের "টাচ্ দ্য স্কাই" গানে কণ্ঠ দেবার জন্যে লাভিনকে আমন্ত্রন জানান। পরবর্তীতে লাভিন ২০০০ সালের ফলো-আপ মাই উইন্ডো টু ইউ অ্যালবামের জন্য "টেম্পল অব লাইফ" এবং "টু রিভার্স" গান গান।

ডিসেম্বর ১৯৯৯ সালে, কিংস্টন, অন্টারিওর চ্যাপ্টারস্ বইয়ের দোকান কান্ট্রি কভার গাইবার সময় লাভিন তাঁর প্রথম পেশাদার ব্যবস্থাপক ক্লিফ ফাব্রি কর্তৃক আবিষ্কৃত হন।[১৩][১৭] ফাব্রি ভিএইচএস টেপ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রসপেক্টাস পাঠান লাভিনের বাড়িতে এবং পরে লাভিন বিভিন্ন নির্বাহী কর্তৃক সেগুলো পরিদর্শন করেন।[২৫] মার্ক জোয়েট, কানাডীয় ব্যবস্থাপনা সংস্থা নেটউইর্ক-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা, লাভিনের কারাওকে প্রদর্শনের একটি সারাসরি রেকর্ডিং কপি গ্রহণ করেন।[২৬] ২০০০ সালের গ্রীষ্মকালে নিউ ইয়র্কে পিটার জিজো'র সাথে লাভিনের দুটি কাজের আয়োজন করেন জোয়েট; যেখানে তিনি লাভিন "হোায়াই" নামে একটি গান লেখেন। লাভিন নিউ ইয়র্কে পরবর্তীতে এরিস্টা রেকর্ডস্ কর্তৃক পরিলক্ষিত হন।[২৫]

নভেম্বর ২০০০ সালে,[১৮] এ এন্ড আর প্রতিনিধি কেন ক্রনগার্ড, আন্তোনিও "এল.এ." রিড-কে, যিনি পরবর্তীতে এরিস্টা রেকর্ডসে্র প্রধান হন, প্রযোজক পিটার জিজো'র ম্যানহাটান স্টুডিওতে লাভিনের গান শুনতে আমণ্ত্রন জানান। তাঁর ১৫ মিনিটের অডিশন শুনে "অভিভূত" রিড অবিলম্বে দুটি অ্যালবামের জন্যে $১.২৫  মিলিয়ন ডলার এবং প্রকাশনার জন্যে অগ্রিম অতিরিক্ত $৯০০,০০০ ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন।[১৯][১৩] সে সময়, লাভিন আবিষ্কার করেন যে তিনি স্বভাবতই তাঁর আদি শহরের স্কেটার উপদলের সাথে মানানসই ছিলেন, এবং এই ভাবমূর্তি তিনি তাঁর প্রথম অ্যালবামের মাধ্যমে প্রকাশ করবেন। কিন্তু, যদিও তিনি স্কেটবোর্ডিং উপভোগ করতেন, তবে বিদ্যালয় ছাড়ার পর এ-ব্যপারে পারদর্শীতা নিয়ে তিনি অনিরাপদ বোধ করেন। সশস্ত্র রেকর্ড চুক্তির সঙ্গে, তিনি তাঁর সঙ্গীত কর্মজীবনে[১৮] মনোযোগ কমে যায়। কিন্তু তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাঁর বাবা-মাকে অবহিত করেন। "আমি [রেকর্ড চুক্তি] প্রত্যাখ্যান করতে রাজী নই। এটা সবসময় আমার জীবনের স্বপ্ন ছিলো। তারা জানতো আমি এটা কতোটা চেয়েছিলাম এবং আমি কতোটা পুরো করতে পেরেছি।"[২৭][২৩]

২০০০–০৩: লেট গো[সম্পাদনা]

লাভিন পারফর্ম করছেন, টরোন্টো, কানাডায় সেপ্টেম্বর ২০০২ সালে

রেইড, লাভিনের উন্নয়ন তত্ত্বাবধান করার এবং তার আত্মপ্রকাশ অ্যালবাম রেকর্ডিংয়ের এঅ্যান্ডআর জোসুয়ার উপর দায়িত্ব দেন লাভিনের জন্য পৃথক শব্দ সৃষ্টি করতে করার চেষ্টা করতে তারা বিভিন্ন সহ-লেখকদের সঙ্গে নিউ ইয়র্কে বেশ কয়েক মাস অতিবাহিত করেন। সারুবিন বলেন হিটকোয়াটার্স যা তারা প্রথমেই প্রচেষ্টা চালান; যদিও গীতিকার-প্রযোজক সাবেল ব্রির, কার্ট ফ্রাস্কা এবং পিটার জিজোর সাথে প্রাথমিক সহযোগীতা নেন ভালো গানের জন্য, তবে তার কণ্ঠ মিল পাওয়া যায়নি। এট শুধুমাত্র লাভিন যখন মে ২০০১ সালে লস আঞ্জেলেস যান, এবং দ্য ম্যট্রিক্স প্রযোজনা দলের সাথে দুইটি গান তৈরি করেন— এর মধ্যে "কম্পিকেটেড" অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা পরবর্তীতে তার অভিষেক একক হিসেবে মুক্তি পায়,—যা রেকর্ড কোম্পানির মতে তার যুগান্তকারী কাজ হিসেবে বিবেচিত। লাভিন ম্যাট্রিক্সের সঙ্গে আরও কাজ করেন এবং এছাড়াও কাজ করেন গায়ক-গানলেখক ক্লিফ ম্যাগনেসের সাথে। লাভিনের লেট গো আত্মপ্রকাশ অ্যালবাম রেকর্ডিং শেষ হয়, জানুয়ারি ২০০২ সালে।[২৮]

২০১২–বর্তমান: অ্যাভ্‌রিল লাভিন[সম্পাদনা]

লাভিন ব্রাসিলিয়ায় পারফর্ম করছেন, ২০১৪

এপ্রিল ২০১৫ সালে বিলবোর্ড-এর সঙ্গে এক সাক্ষাত্কারে লাভিন "ফ্লাই" শিরোনামে একটি নতুন একক মুক্তি পরিকল্পনার ঘোষণা করেন। এটি ২৬ এপ্রিল মুক্তি পায়, ২০১৫ স্পেশাল অলিম্পিকস ওয়ার্ল্ড সামার গেমসের অ্যাসোসিয়েশে, এবং একটি ক্রিসমাস অ্যালবাম মুক্তি.[২৯]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

ফরাসি নাগরিকত্ব[সম্পাদনা]

লাভিন'র বাবা ফরাসি হওয়ায় তিনি আইনত জন্মগতভাবেই একজন ফরাসি।[৩০] তিনি তাঁর ফরাসি পাসপোর্টের জন্যে আবেদন জানানন এবং তা গ্রহণ করেন ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে।[৩১] জানুয়ারি ২০১২ সালে, বেল-এয়ারে তার বাড়ি বিক্রয় করে ফ্রান্সের প্যারিসে চলে যান এবং ফরাসি ভাষা অধ্যয়ন করেন। সেখানে তিনি একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া করেন এবং বার্লিৎ বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি ফ্রান্সের দক্ষিণে তাঁর দ্বিতীয় বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।[৩২]

সম্পর্ক[সম্পাদনা]

ডেরিক হুইব্লি[সম্পাদনা]

চ্যাড ক্রোইগার[সম্পাদনা]

জুলাই ২০১২ সালে, লাভিন কানাডীয় রকা সঙ্গীতশিল্পী এবং নিকেলব্যাক দলের চ্যাড ক্রোইগারের সাথে ডেটিং শুরু করেন।[৩৩][৩৪][৩৫][৩৬] এই সম্পর্কের প্রস্ফুটন ঘটে মার্চ ২০১২ সালে, যখন লাভিনের পঞ্চম অ্যালবামের জন্য তারা একসাথে গান রচনা এবং রেকর্ডের কাজ শুরু করে।[৩৪][৩৭][৩৬] একমাসের ডেটিংয়ের পর লাভিন এবং ক্রোইগার ২০১২ সালের আগস্টে বাগদানে আবদ্ধ হন।[৩৭][৩৩] জুলাই ১, ২০১৩ সালে এই দম্পতি ফ্রান্সের দক্ষিণে ভূমধ্য সাগরের একটি পুনর্নির্মিত মধ্যযুগীয় দুর্গ চাটাউ ডি লা নাপউলে বিয়ে করেন, এবং দিনটি ছিলো কানাডা দিসব[৩৬][৩৮] তারা পোর্টোফিনো, ইতালিতে তাদের মধুযামিনী পালন করেন।[৩৯]

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত[সম্পাদনা]

ডিসেম্বর ২০১৪ সালে, লাভিন অপ্রকাশিত স্বাস্থ্য সমস্যা ভুগছেন বলে টুইটারে ভক্তদের উদ্দেশ্যে জানান,[৪০] যদিও রিহ্যাবে থাকার গুজব অস্বীকার করেন তিনি।[৪১] এপ্রিল ২০১৫ সালে, তিনি পিপল ম্যাগাজিনের কাছে তার লাইম রোগ ধরা পড়ার বিষয় প্রকাশ করেন।[৪২] বিলবোর্ড-এর সঙ্গে একটি সাক্ষাত্কারে, লাভিন বলেন তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছেন বলে জানান।[২৯]

প্রশংসা[সম্পাদনা]

লাভিন দুই বছরে আটটি গ্র্যামি এ্যাওয়ার্ড মনোনয়ন লাভ করেন, শেষ্ঠ নবাগত শিল্পী মনোনয়নসহ। তিনি এছাড়াও তিনটি আমেরিকান সঙ্গীত পুরস্কার মনোনয়ন, একটি ব্রিট পুরস্কার মনোনয়ন এবং একটি এমটিভি ভিডিও মিউজিক পুরস্কার মনোনয়ন লাভ করেন। তিনি এযাবৎ সর্বমোট ২২১টি পুরষ্কার এবং ৩০১টি মনোনয়ন অর্জন করেছেন।

২০১৩ সালে লাভিন, বিশ্বব্যাপী আরো ৫০ মিলিয়ন একক এবং ৩০ মিলিয়ন অ্যালবাম কপি বিক্রি করতে যাচ্ছেন,[৬] যা তাঁকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ অ্যালবাম বিক্রিত শিল্পীদের একজনে পরিণত করেছে। তার ১০.২৫ মিলিয়ন কপি অ্যালবাম আরআইএএ কর্তৃক প্রত্যয়িত হয়েছে।[৪৩] ২০০৯ সালে, বিলবোর্ড ১০ পপ শিল্পীর তালিকা "২০০০-এর দশকের শ্রেষ্ঠ" চার্টে লাভিনের নাম যুক্ত করে।[৪৪] তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ্যালবাম এবং এককের উপর ভিত্তি করে দশকের সামগ্রিক শ্রেষ্ঠ পারফরম্যান্সের জন্য ২৮তম স্থানে তালিকাভুক্ত হন।[৪৫]

নেপথ্য সঙ্গীতদল[সম্পাদনা]

বর্তমান সদস্য

সাবেক সদস্য

  • ইভান তাওবেনফেল্ড – লিড গিটার, নেপথ্য কন্ঠ (২০০২–২০০৪)
  • ডেভিন ব্রন্সন – লিড গিটার, নেপথ্য কন্ঠ (২০০৪–২০০৮)
  • স্টিভ ফেকিট – লিড গিটার, নেপথ্য কন্ঠ (২০০৮–২০১৩)
  • জেস কলবার্ন – রিদম গিটার (২০০২–২০০৪)
  • ক্রেইগ উড – রিদম গিটার, নেপথ্য কন্ঠ (২০০৪–২০০৭)
  • জিম ম্যাকগোরম্যান – রিদম গিটার, নেপথ্য কন্ঠ (২০০৭–২০১৩)
  • মার্ক স্পিকোলাক – বেইস্, নেপথ্য কন্ঠ (২০০২)
  • চার্লি মনিজ – বেইস্ (২০০২–২০০৭)
  • ম্যাট ব্র্যান – ড্রামস্, পার্কুইশন, নেপথ্য কন্ঠ (–২০০৭)
  • সফিয়া তৌফা – নেপথ্য কন্ঠ, নর্তকী (২০০৭–২০০৮)
  • লিন্ডসে ব্লুয়েফার্ব – নেপথ্য কন্ঠ, নর্তকী (২০০৭–২০০৮)

সময়রেখা[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্র তালিকা[সম্পাদনা]

বছর শিরোনাম চরিত্র টীকা
২০০২ সাবরিনা, দ্য টিনেজার উইচ্ স্বভূমিকায় ক্যামিও; সঞ্চালন করেন "স্কটোর বোই"
২০০৪ গোয়িং দ্য ডিস্টেন্স স্বভূমিকায় ক্যামিও; সঞ্চালন করেন "লুসিং গ্রিপ"
২০০৬ ফান্ট ফুড নেশন এলিস উচ্চ বিদ্যালয়ের সক্রিয় কর্মী
ওভার দ্য হেজ হিদার কন্ঠ অভিনেত্রী
২০০৭ দ্য ফ্লোক বিট্রকিা বেল সন্দেহভাজনের বান্ধবী
২০১০ আমেরিকান আইডল স্বভূমিকায় অতিথি বিচারক (এল.এ. অডিশন)
২০১১ মেজরস্ এ্যন্ড মাইনরস্ স্বভূমিকায় অতিথি পরামর্শদাতা

ডিস্কোগ্রাফি[সম্পাদনা]

কনসার্ট[সম্পাদনা]

প্রধান ভ্রমণ
প্রচারমূলক ভ্রমণ

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

টীকা[সম্পাদনা]

  1. For more info about post-grunge, see the Background section of her first two albums Let Go and Under My Skin.

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Avril Lavigne live in Manila on Feb. 17"। Entertainment.inquirer.net। জানুয়ারি ২৫, ২০১৪। সংগৃহীত জুলাই ১৫, ২০১৪ 
  2. "MusicMight :: Artists :: AVRIL LAVIGNE"। MusicMight। সংগৃহীত ২০ অক্টোবর ২০১৪ 
  3. "Avril Lavigne reviews, music, news - sputnikmusic"। Sputnikmusic.com। সংগৃহীত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ 
  4. Altman, Billy (২০ আগস্ট ২০০৮)। "Avril Lavigne's Malaysian Malaise"Yahoo! Musicআসল থেকে ২৭ আগস্ট ২০০৮-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১৭ মে ২০১০ 
  5. "Avril Lavigne bares soul in latest release"The Observer। University of Notre Dame and Saint Mary's College, South Bend, Indiana। ৯ সেপ্টেম্বর ২০০৪। আসল থেকে ২৯ আগস্ট ২০১৩-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১ জুন ২০১০ 
  6. "Billboard Top 40" (PDF)। Billboard Top 40। Billboard। ১৮ এপ্রিল ২০১৩। সংগৃহীত ২২ এপ্রিল ২০১৩। "Already having sold 30 million albums and 50 million singles, “Here’s to Never Growing Up,” which is this week’s Most Added track at Top 40, is Lavigne’s first single on Epic Records." 
  7. Lipshutz, Jason (১০ এপ্রিল ২০১৩)। "Avril Lavigne: New Album Is 'All Over The Place'"। Billboard। সংগৃহীত ২২ এপ্রিল ২০১৩ 
  8. "Avril Lavigne: Madonna is my idol"Daily Record (Scotland) (Rick Fulton)। ১০ জানুয়ারি ২০১১। সংগৃহীত ১৯ ডিসেম্বর ২০১২ 
  9. "Rock N' Roll (Walmart Exclusive), Avril Lavigne: Pop"। Walmart.com। ২৭ আগস্ট ২০১৩। সংগৃহীত ৪ নভেম্বর ২০১৩ 
  10. Chestang, Raphael (২৩ এপ্রিল ২০১৩)। "How Well Does Avril Lavigne Know Nickelback?"। etonline.com। আসল থেকে ২৪ এপ্রিল ২০১৩-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২৪ এপ্রিল ২০১৩ 
  11. Corner, Lewis (২৪ এপ্রিল ২০১৩)। "Avril Lavigne new album scheduled for September?"। digitalspy.com। আসল থেকে ২৪ এপ্রিল ২০১৩-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২৪ এপ্রিল ২০১৩ 
  12. "Justin Bieber, Ryan Gosling and Avril Lavigne Relationship"। Storage.canoe.ca। সংগৃহীত ১৪ ডিসেম্বর ২০১২ 
  13. Thorley, Joe (২০০৩)। Avril Lavigne: the unofficial book। London: Virgin। আইএসবিএন 1-85227-049-7 
  14. Sperling, Daniel (২১ ফেব্রুয়ারি ২০১১)। "Lavigne: 'Siblings mocked my singing' "Digital Spyআসল থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১১-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  15. Kappes, Serena; Caryn Midler (৩০ জুন ২০০৫)। "Inside Her Life: The Middle Child"People। ২৮ মে ২০০৮-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ২৫ মে ২০০৮ 
  16. http://www.imdb.com/name/nm1245099/bio
  17. McQueen, Ann Marie। "Avril's wild ride to stardom"Canadian Online Explorer। সংগৃহীত ৮ জুন ২০১০ 
  18. Pak, SuChin; D'Angelo, Joe। "Avril Lavigne: The Real Deal"। MTV। ১২ মার্চ ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৪ মার্চ ২০০৯ 
  19. Willman, Chris (১ নভেম্বর ২০০২)। "Avril Lavigne The Anti-Britney"Entertainment Weekly। ২৫ এপ্রিল ২০০৯-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১৪ মার্চ ২০০৯ 
  20. "Avril Lavigne on Chelsea Lately, April 2013"। Downvids.net। সংগৃহীত জুলাই ১৭, ২০১৪ 
  21. "Fairlady, May We Have Your Attention Please, July 2011, p.60" (PDF)। সংগৃহীত ২৩ এপ্রিল ২০১৩ 
  22. Pauley, Jane (৯ ডিসেম্বর ২০০৩)। "All about Avril Lavigne"। MSN। ১৪ জুন ২০১০-এ মূল থেকে আর্কাইভ। সংগৃহীত ১ জুন ২০১০ 
  23. Quigley, Maeve (৭ সেপ্টেম্বর ২০০৩)। "They think I'm a tomboy .. but I'm looking forward to a white wedding"Sunday Mirror। সংগৃহীত ১ জুন ২০১০ 
  24. Tracy, Kathleen (২০০৫)। "Chapter 1: A Dream Duet"। Avril Lavigne। Blue Banner Biographies (1st সংস্করণ)। Delaware: Mitchell Lane Publishers। পৃ: ৫। আইএসবিএন 1-58415-314-8 
  25. Cantin, Paul। "The Real Lavigne, Behind Ontario's pop-punk princess lurks a not-so-wild past"Sk8ter Faker। সংগৃহীত ১ জুন ২০১০ 
  26. Patch, Nick (১৮ অক্টোবর ২০১০)। "Nettwerk battles through losses"The Canadian Pressআসল থেকে ১৯ অক্টোবর ২০১০-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১৯ অক্টোবর ২০১০ 
  27. "Cdn. teen Avril Lavigne climbing the pop charts"The Canadian Press। ৩ জুন ২০০২। সংগৃহীত ৮ জুন ২০১০ 
  28. "Interview with Joshua Sarubin"HitQuarters। ২ এপ্রিল ২০০৩। সংগৃহীত ৭ অক্টোবর ২০১১ 
  29. "Avril Lavigne's Post-Illness Plans: Special Olympics Song, Christmas Album & Film Work"Billboard। এপ্রিল ৬, ২০১৫। সংগৃহীত ৬ এপ্রিল ২০১৫ 
  30. Lavigne, Avril (৯ ফেব্রুয়ারি ২০১১)। "Interview on NRJ Radio"। "I love France, in fact my father was born here, so I have applied for my French passport. I love this country so much that I am getting a French passport." 
  31. Stéphanie Vallet (২২ অক্টোবর ২০১১)। "Avril Lavigne: francophone dans l'âme"La Presse 
  32. "Just married! Avril Lavigne weds Nickelback frontman Chad Kroeger in the 'south of France'"Daily Mail (London)। ২৯ জুন ২০১৩। 
  33. Migdol, Erin (৯ এপ্রিল ২০১৩)। "Avril Lavigne Wedding: Singer Reveals How Chad Kroeger Proposed, Big Day Plans"Huffington Postআসল থেকে ১৮ এপ্রিল ২০১৩-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১৮ এপ্রিল ২০১৩ 
  34. Seacrest, Ryan (host); Avril Lavigne (৯ এপ্রিল ২০১৩)। Avril Lavigne & Chad Kroeger Spill Wedding Details Part 2, Interview, On Air with Ryan Seacrest (Radio broadcast [video recording])। United States: youtube.com। event occurs at 2:44। সংগৃহীত ৯ এপ্রিল ২০১৩ 
  35. Migdol, Erin (১২ এপ্রিল ২০১৩)। "Avril Lavigne Engaged: Singer Talks Couple Tattoos, Wedding Plans"Huffington Postআসল থেকে ১৮ এপ্রিল ২০১৩-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১৮ এপ্রিল ২০১৩ 
  36. Ehrich Dowd, Kathy; Silverman, Stephen M. (২ জুলাই ২০১৩)। "Avril Lavigne and Chad Kroeger Are Now Married (Really)"People। সংগৃহীত ২ জুলাই ২০১৩ 
  37. Laudadio, Marisa (২১ আগস্ট ২০১২)। "Avril Lavigne Engaged to Nickelback's Chad Kroeger"। People। আসল থেকে ১৮ এপ্রিল ২০১৩-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২১ আগস্ট ২০১২ 
  38. DZurilla, Christie (২ জুলাই ২০১৩)। "Avril Lavigne, Chad Kroeger marry goth-style in south of France"Los Angeles Times 
  39. Jade Watkins (৮ জুলাই ২০১৩)। "Avril Lavigne and Chad Kroeger are the picture of marital bliss as they enjoy their honeymoon in Portofino | Mail Online"। London: Dailymail.co.uk। সংগৃহীত ৩০ জুলাই ২০১৩ 
  40. "Avril Lavigne Reveals Serious 'Health Issues'"। abcnews.com। ১০ ডিসেম্বর ২০১৪। সংগৃহীত ২ জানুয়ারি ২০১৫ 
  41. "Avril Lavigne: I'm Not in Rehab"। people.com। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪। সংগৃহীত ২ জানুয়ারি ২০১৫ 
  42. http://www.people.com/article/avril-lavigne-lyme-disease-bedridden
  43. "Top Selling Artists"Recording Industry Association of America। সংগৃহীত ১ জুন ২০১০ 
  44. "Billboard Best of the 2000s"Billboard। সংগৃহীত ১২ নভেম্বর ২০০৯ 
  45. "Billboard Artist of the Decade"Billboard। সংগৃহীত ১২ নভেম্বর ২০০৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:এভ্রিল লাভিন