বিষয়বস্তুতে চলুন

অন্নপূর্ণা দাশগুপ্ত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অন্নপূর্ণা দাশগুপ্ত
জন্ম
জাতীয়তাভারতীয়
নাগরিকত্বভারত
পেশারাজনীতিবিদ
নিয়োগকারীমাঝিহিড়া জাতীয় বুনিয়াদী বিদ্যালয়
পরিচিতির কারণব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্নিকন্যা
রাজনৈতিক দলভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস
আন্দোলনব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন
অপরাধের অভিযোগকৃষকদের মাঝে আন্দোলন পরিচালনা করেন
অপরাধের শাস্তি২ বারে দেড় বছর কারাবরণ করেন
পিতা-মাতা
আত্মীয়বাসন্তী দাশগুপ্ত (রায়) দিদি

অন্নপূর্ণা দাশগুপ্ত (সেন) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের নারী বিপ্লবী।

রাজনৈতিক জীবন

[সম্পাদনা]

অন্নপূর্ণা দাশগুপ্ত পুরুলিয়া এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস অধুনা বাংলাদেশের বিক্রমপুরের (বর্তমানে মুন্সিগঞ্জ জেলা) লৌহজং উপজেলার গাওপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। গাওপাড়া গ্রামটি বহু বছর আগে পদ্মা নদীর অতল গহ্বরে তলিয়ে যায়। তবে ২৫/৩০ বছর আগে আবার চর জেগে ওঠে এবং মানববসতি এবং প্রচুর ফসল উৎপাদন হতো কিন্তু কিছু দিন আগে আগে আবার সেই চর তলিয়ে যায় পদ্মার স্রোতে বিলীন হয়ে যায় সেই গাওপাড়া গ্রামটি।

তার পিতার নাম নিবারণ চন্দ্র দাশগুপ্ত ও মাতার নাম লাবণ্য দাশগুপ্ত। তার দিদি বাসন্তী দাশগুপ্ত (রায়) ছিলেন [১]।

পিতার আদর্শে প্রভাবিত হয়ে রাজনীতিতে যোগ দেন। ছোটবেলা থেকে তিনি রাজনৈতিক মনস্ক হয়ে ওঠেন। সে সময় কংগ্রেসের দলের কতিপয় সদস্যের সাথে তার যোগাযোগ তৈরি হয়। ১৯৩০-৩২ সালে কংগ্রেস আন্দোলনের সাথে যোগদানের দেন। গ্রামের কৃষকদের মধ্যে আন্দোলন পরিচালনা করেছিলেন। একারণে দুইবার জেল খেটেছেন। তিনি সমাজ সেবা ও বিপ্লবী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তিনি ছাত্রী সংঘের উদ্যোক্তা এবং ব্রিটিশ বিরোধী রাজনীতির জন্য কারাবরণ দু'বার করেন[১]।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 কমলা দাশগুপ্ত (জানুয়ারি ২০১৫)। স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার নারী, অগ্নিযুগ গ্রন্থমালা ৯। কলকাতা: র‍্যাডিক্যাল ইম্প্রেশন। পৃ. ২৩৫। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৮৫৪৫৯-৮২-০। {{বই উদ্ধৃতি}}: |সংগ্রহের-তারিখ= এর জন্য |ইউআরএল= প্রয়োজন (সাহায্য)