E (গাণিতিক ধ্রুবক)
লক্ষ্য করুন: এই নিবন্ধের সঠিক শিরোনাম হবে e (গাণিতিক ধ্রুবক)।
e হলো প্রাকৃতিক লগারিদমের ভিত্তি। এটি একটি বাস্তব সংখ্যা যার সংখ্যাগত মান হলো ২.৭১৮ ২৮১ ৮২৮ ৪...
সংজ্ঞা [সম্পাদনা]
অর্থাৎ e হলো প্রদত্ত রাশিটির সীমা, যখন n এর মান অসীম পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। অন্য কথায়, n এর মান যত বৃদ্ধি পায়, রাশিটির মান তত e এর কাছাকাছি যেতে থাকে।
মান নির্ণয় [সম্পাদনা]
১ + ১/১! + ১/২! + ১/৩! + ১/৪! + ... অসীম ধারাটির সমষ্টি e এর সমান।
প্রমাণটাও সহজ, নিউটনের বাইনোমিয়াল সূত্র বলে,
সুতরাং, যখন
, তখন,
যার সীমা হলো e (কারণ n এর মান যত বৃদ্ধি পায়,
এর মান তত শূণ্যের দিকে কমতে থাকে)।
সূচক ফাংশন [সম্পাদনা]
রাশিটিকে x এর ফাংশন হিসেবে ধরে একে সূচক ফাংশন বলা হয়। একে
ও লেখা হয়।
ফাংশনটিকে একটি অসীম ধারা হিসেবে লেখা যায় (এই ধারাটি কোন নির্দিষ্ট x এর জন্য ফাংশনটির মান নির্ণয়েও ব্যবহৃত হয়),
ক== অয়লারের অভেদ ==
সমীকরণটি e কে ১, π এবং i এর মতন গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যার সাথে সম্পর্কিত করে। ১৭৩৭ সালে অয়লার দেখান যে, e একটি অমূলদ সংখ্যা। ১৮৭৩ সালে হেরমিট প্রমাণ করেন যে, e একটি তুরীয় সংখ্যা(π পাই এর মত)



