ভোল্ট
ভোল্ট (ইংরেজি: Volt; সঙ্কেত: V) হল এসআই একক পদ্ধতিতে বৈদ্যুতিক বিভবের একক।[১]। এর নাম রাখা হয়েছে ইতালীয় বিজ্ঞানী আলেসান্দ্রো ভোল্টা'র নামানুসারে, যিনি সর্বপ্রথম বৈদ্যুতিক ব্যাটারি আবিষ্কার করেন।
পরিচ্ছেদসমূহ |
সংজ্ঞা [সম্পাদনা]
১ এম্পিয়ার বিদ্যুৎ প্রবাহ কোন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় যদি ১ ওয়াট কাজ সম্পন্ন করে, তাহলে ঐ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যকে ১ ভোল্ট বলে। অন্য কথায়:
.
১৯৯০ খ্রীস্টাব্দ হতে আন্তর্জাতিকভাবে ভোল্টকে সংজ্ঞায়িত করা হয় জোসেফসন ক্রিয়ার মাধ্যমে।
- K{J-90} = 0.4835979 GHz/µV.
প্রচলিত ভোল্টেজ [সম্পাদনা]
বিভিন্ন পরিচিত উৎসে ব্যবহৃত ভোল্টের উদাহরণ হল:
- স্নায়ু কোষের বিভব পার্থক্য: ৪০ মিলিভোল্ট
- পূনরাহিতকরণযোগ্য ক্ষারীয় ব্যাটারী: ১.২ ভোল্ট
- সাধারণ ব্যাটারী (উদাহরণস্বরূপ, এএএ, এএ, সি এবং ডি কোষসমূহ): ১.৫ ভোল্ট
- লিথিয়াম পলিমার রিচার্জেবল ব্যাটারী: ৩.৭ ভোল্ট
- ট্রানজিস্টর-ট্রানজিস্টর লজিক মাত্রা: ৫ ভোল্ট
- মোটরগাড়ির বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা: ১২ ভোল্ট
- গৃহস্থালী বিদ্যুৎ সরবরাহ: : ২৪০ ভোল্ট অস্ট্রেলিয়া, ১২০ ভোল্ট উত্তর আমেরিকা, ২৩০ ভোল্ট (ইউরোপ ), ২২০-২৩০ ভোল্ট (এশিয়া)
- বজ্রপাত: বিভিন্ন রকম, প্রায় ১০০ মেগাভোল্ট।
ভোল্ট এককের ইতিহাস [সম্পাদনা]
গ্যালভানিক ক্রিয়া সংক্রান্ত ব্যাপারে লুইজি গ্যালভানি'র সাথে মতপার্থক্যের কারণে আলেসান্দ্রো ভোল্টা ১৮০০ খ্রীস্টাব্দে আধুনিক ব্যাটারীর প্রাচীন সংস্করণ ভোল্টার স্তুপ তৈরি করেন।[২] ভোল্টা আবিষ্কার করেন যে, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সবচেয়ে কার্যকর ধাতু জোড় হচ্ছে দস্তা ও রূপা। ১৮৮০ এর দশকে আন্তর্জাতিক বৈদ্যুতিক সম্মেলন (বর্তমানে আন্তর্জাতিক ইলেক্ট্রো-টেকনিকাল কমিশন - IEC) বৈদ্যুতিক বিভবের (শক্তির) একক হিসাবে ভোল্টকে অনুমোদন করে।
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ Rudolf F. Graf, "Volt", Dictionary of Electronics; Radio Shack, 1974-75. Fort Worth, Texas. ISBN B000AMFOZY
- ↑ Robert Routledge (1881). A popular history of science (2nd ed.). G. Routledge and Sons. পৃ: 553. আইএসবিএন 0-415-38381-1. http://books.google.com/?id=VO1HAAAAIAAJ&pg=PA553.
.