বিনয় মজুমদার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বিনয় মজুমদার
জীবিকা কবি
জাতীয়তা ভারতীয়
জাতি বাঙালি
নাগরিকত্ব ভারত
সময়কাল পঞ্চাশ দশক


বিনয় মজুমদার বা মংটু (জন্ম: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৪- মৃত্যু: ১১ ডিসেম্বর, ২০০৬) একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি ও ইঞ্জিনিয়ার।

জীবনী[সম্পাদনা]

কবি বিনয় মজুমদার মায়ানমারের মিকটিলা জেলার তেডো নামক শহরের নমঃশূদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করন। তার বাবার নাম বিপিনবিহারী মজুমদার, মায়ের নাম বিনোদিনী। তারা ছিলেন ছয় ভাই-বোন এবং তিনি ছিলেন সবার ছোট। তার ডাক নাম মংটু। "ফিরে এসো চাকা" ছিল তার অতি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।

শিক্ষা জীবন[সম্পাদনা]

১৯৪২ সালে তাকে বাংলাদেশের একটি স্কুলে ভর্তি করা হয়। ১৯৪৪ সালে তিনি প্রথম বিভাগে ছাত্রবৃত্তি পরীক্ষায় পাশ করেন। ১৯৪৬ সালে তাকে বৌলতলী উচ্চবিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণীতে ভর্তি করা হয়। ১৯৪৮ সালে দেশভাগের সময় তারা সপরিবারে ভারতের কলকাতায় চলে আসেন। এখানে, ১৯৪৯ সালের জানুয়ারি মাসে তাকে কক্রিক রো-রতে অবস্থিত মেট্রপলিটন ইনস্টিটিউট (বউবাজার ব্রাঞ্চ)-এ নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হবার পরে, ১৯৫১ সালে আইএসসি (গণিত) পড়ার জন্য প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন। ১৯৫৭ সালে তিনি ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়ে পাশ করেন। শোনা যায়, তার পাওয়া নম্বর আজও কেউ নাকি ভাঙতে পারেননি। ১৯৫৮ সালের জানুয়ারি মাসে, অর্থাৎ ছাত্রজীবন সমাপ্ত হবার কয়েকমাস পরেই এনবিএ থেকে প্রকাশিত হয় "অতীতের পৃথিবী" নামক একটি অনুবাদ গ্রন্থ। এই বছরেই গ্রন্থজগৎ থেকে বের হয় তাঁর প্রথম কাব্য গ্রন্থ 'নক্ষত্রের আলোয়'।

কবি জীবন[সম্পাদনা]

তিনি মোট বিশটি কাছাকাছি কাব্যগ্রন্থ লিখেছেন। যার মধ্যে "ফিরে এসো চাকা" তাঁকে সবচেয়ে বেশি খ্যাতি দিয়েছে।[১]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

তিনি দীর্ঘ রোগভোগের পরে ২০০৬ সালে মৃত্যুবরণ করন।[২]

পুরস্কার[সম্পাদনা]

তার মৃত্যুর কয়েক বছর আগে তাঁকে দুটি বড় পুরস্কার দেওয়া হয়, রবীন্দ্র পুরস্কার এবং একাডেমি পুরস্কার।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]