প্রবেশদ্বার:দাবা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Chess.svg
প্রবেশদ্বার দাবা
সম্পাদনা
Chess.svg

দাবা একটি জনপ্রিয় খেলা যা বোর্ডের উপর খেলা হয়। খেলার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে - প্রতিপক্ষের ঘুঁটি আয়ত্তে আনার মাধ্যমে নতস্বীকারে বাধ্য করা। দাবায় দু’জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে। যিনি দাবা খেলেন তিনি দাবাড়ু হিসেবে আখ্যায়িত।

দাবা খেলায় জিততে হলে বোর্ডের ওপর ঘুঁটি সরিয়ে বা চাল দিয়ে বিপক্ষের রাজাকে ফাঁদে ফেলে “খেতে” বা নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়, দাবার পরিভাষায় একে বলে “কিস্তিমাত”। প্রত্যেক খেলোয়াড়েরই রাজা, মন্ত্রী, হাতি, ঘোড়া, নৌকা ও বোড়ের সমন্বয়ে গঠিত ১৬ ঘুঁটির সৈনিকদল একে-অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়। দাবা বোর্ডে বর্গাকৃতি ৬৪টি সাদা-কালো ঘর থাকে। ঘরগুলোতে প্রতিটি খেলোয়াড়ের একটি করে রাজা, মন্ত্রী, দু’টি করে - নৌকা, ঘোড়া ও গজ এবং ৮টি করে পন বা বোড়ে সহ মোট ১৬টি গুটি থাকে।

দাবা খেলার জন্ম ভারতবর্ষে বলে সর্বাধিক প্রচলিত মতবাদ । এছাড়া, পারস্য (বর্তমান ইরান) দেশে ৩য় শতাব্দীতে প্রচলিত শতরঞ্জ এবং চীন -এ ২য় শতাব্দীতে প্রচলিত শিয়াংছী নামক খেলাকে দাবার পূর্বসূরী হিসেবে গণ্য করার পক্ষেও মতামত আছে।

Chess.svg
দাবাড়ু
Rani Hamid.jpg

রাণী হামিদ একজন বাংলাদেশী দাবাড়ু। রাণী হামিদের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সিলেট জেলায়। রাণী হামিদ পেশাদারী দাবা খেলা শুরু করেন বিয়ের পরে। তিনি ১৯৭৬ সালে প্রথম মহসিন দাবা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৭ সালে নবদিগন্ত সংসদ দাবা ফেডারেশন নারীদের জন্য প্রথমবারের মতো আলাদাভাবে দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

পরবর্তীতে ১৯৭৮১৯৭৯ সালেও একই আয়োজন হয় এবং তিনবারেই রাণী হামিদ চ্যাম্পিয়ন হন। ১৯৭৯ সনে ঢাকায় উন্মুক্ত দাবা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে রাণী হামিদ চ্যাম্পিয়ন হন। এরপর থেকেই তিনি একের পর এক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন এবং কৃতিত্ব অর্জন করেন। ২০০৬ পর্যন্ত তিনি মোট ১৫ বার জাতীয় মহিলা দাবা চ্যাম্পিয়নশিপে চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব অর্জন করেছেন।

তার সম্পর্কে আরও তথ্য...
Chess.svg
আপনি জানেন কি
Chess.svg
সম্পর্কিত প্রবেশদ্বার
Chess.svg
রেখাচিত্র
Chess.svg
খেলার পর্যায় গুলি
Chess.svg
বিষয়শ্রেণী