ওয়াঙ্গেরী মাথেই

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ওয়াঙ্গেরী মাথেই
Wangari Maathai in Nairobi.jpg
ওয়াঙ্গেরী মাথেই
জন্ম (১৯৪০-০৪-০১)১ এপ্রিল ১৯৪০
Ihithe গ্রাম, তেতু বিভাগ, নাইয়েরি জেলা, কেনিয়া
মৃত্যু ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১১(২০১১-০৯-২৫) (৭১ বছর)
নাইরোবি, কেনিয়া
শিক্ষা বি.এস. জীববিদ্যা
এম.এস. জীববিজ্ঞান
পিএইচ.ডি. ভেটেরিনারি এ্যানাটমি
প্রতিষ্ঠান মাউন্ট সেন্ট স্কলাস্টিকা কলেজ
পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়
নাইরোবির ইউনিভার্সিটি কলেজ
পেশা পরিবেশবাদী, রাজনৈতিক কর্মী
জাতি কিকুয়ু

ওয়াঙ্গেরী মাথেই বা ওয়াঙ্গেরী মুতা মেরি জো মাথেই (ইংরেজি: Wangari Muta Mary Jo Maathai) (১ এপ্রিল ১৯৪০- ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১১) কেনিয়ার একজন পরিবেশবাদী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র্রের মাউন্ট স্কলাস্টিকা, পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় এবং কেনাইরোবিনিয়ার নাইরোবি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা পড়া করেন। ১৯৭০ দশকে গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট নামক একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন, যার লক্ষ্য ছিল বৃক্ষরোপন, পরিবেশ বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টি এবং নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা। ১৯৮৬ সালে তিনি রাইট লাইভলিহুড অ্যাওয়ার্ড নামক পুরস্কার পান। ২০০৪ সালে প্রথম আফ্রিকান মহিলা হিসেবে তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।[১] মাথেই একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ওয়াই কিবাকি সরকারের সহকারী পরিবেশমন্ত্রী ছিলেন।

সম্মাননা[সম্পাদনা]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

তিনি ২০১১ খ্রিস্টাব্দের ২৫ সেপ্টেম্বর নাইরোবির একটি হাসপাতালে মারা যান। দীর্ঘদিন যাবত তিনি ক্যান্সারে ভুগছিলেন।[৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. The Nobel Peace Prize 2004:Press Release (2004-10-08). NobelPrize.org. Retrieved 2009-05-03.
  2. Wangari Maathai:'An alumna of whom we are most proud'. Retrieved 8 March 2010.
  3. NAACP sets a date for image awards: Nominees to be announced in January; ceremony to be held following month. Retrieved 24 February 2009.
  4. Mba, Ngozi (2009-01-22). Nominees for 40th NAACP Image Awards Unveiled. Jamati Online. Retrieved 24 February 2009.
  5. "Japan confers highest decoration on Professor Wangari Maathai"Nairobi, Republic of Kenya: Ministry of Foreign Affairs (Kenya)। আসল থেকে 2009-04-29-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 2009-05-24 
  6. "Professor Wangari Maathai was awarded "Grand Cordon of the Order of the Rising Sun""। Embassy of the Republic of Kenya in Japan। আসল থেকে 2009-05-04-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 2009-07-13 
  7. "Nobel prize-winner tells seniors to be agents of change" 
  8. "BBC News"। সংগৃহীত 26 September 2011 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]