২০০৮ আসাম বোমা বিস্ফোরণ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
২০০৮ আসাম বোমা বিস্ফোরণ
Assam in India.png
স্থানআসাম, ভারত
তারিখ৩০ অক্টোবর ২০০৮
রাত
হামলার ধরনএকাধিক বোমা
ব্যবহৃত অস্ত্রRDX, TNT and PETN[১]
নিহত৮১ [২]
আহত৪৭০ [৩][৪]
হামলাকারী দলআলফা
NDFB

২০০৮ আসাম বোমা বিস্ফোরণ ৩০ অক্টোবর গুয়াহাটি এবং পশ্চিম আসামের প্রতিবেশী অঞ্চল সমূহে সংঘটিত হয়েছিল। প্রতিবেদনসমূহের মতে প্রায় ১৮টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে,[৫] যার ফলে কমপক্ষে ৬১জন মানুষ নিহত হয় এবং ৪৭০জনেরও অধিক মানুষ আহত হয়।[৩]

বোমা আক্রমণ[সম্পাদনা]

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাকীল আহমেদ নিশ্চিত করে বলেন ১০টা বিস্ফোরণ ঘটে, যদিও অন্যান্য প্রতিবেদনসমূহের মতে বোমার তালিকা ১৮ টি পর্যন্ত হতে পারে। বিস্ফোরণে গুয়াহাটি, বরপেটা রোড, বঙাইগাঁওএবং কোকরাঝার কে কাঁপিয়ে তুলেছিল।

বিস্ফোরণে গুয়াহাটির পানবাজার, ফাঁসি বাজার এবং গণেশগুরির নিসিনা এলাকাও কাঁপিয়ে তোলে যার জন্যে বাজারে এবং কার্যালয়ে যাওয়া মানুষে ভর্তি হয়ে পড়ে। কোকরাঝারায় তিনটি বোমা এর একটা সম্ভবত হাতবোমা (গ্রেনেড), বরপেটায় রোডে দুটা বোমা এবং বঙাইগাঁওয়ে একটা বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের মতে দেওয়ালীর ছুটির ঠিক আগে এই অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে এজন্যে ভুক্তভোগীর সংখ্যা অধিক হয়। গণেশগুরির বোমাটি একটি গাড়ীতে রাখা ছিল এবং বিস্ফোরণটি আসামের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈর সরকারী বাসভপবন থেকে ১০০মিটার দূরে সংঘটিত হয়।[৬]

গুয়াহাটিতে ৪১ জন, কোকরাঝারায় ২১জন এবং বরপেটা রোডে ১৫ জন মানুষের মৃত্যু ঘটে।[৭] নভেম্বরের ২ তারিখে আরো ৪ জন আহত লোক মৃত্যুবরণ করে। ৩ জনের গুয়াহাটি চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় এ এবং অন্য একজনের বিশিষ্ঠ সামরিক চিকিৎসালয় এ দেহাবসান ঘটে। অন্য ২০জনের অবস্থা সংকটজনক ছিল। [২]

নিরাপত্তা বিভাগের মতে বিপুল পরিমাণের বিস্ফোরক যেমন আ ডি এক্স টেমপ্লেট:Enwiki এবং অন্যান্য সি- ৪র নিশানা "প্লাস্টিক বিস্ফোরক" হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। বিস্ফোরণটি ঘটানোর জন্যে সময়-যন্ত্র (Timer) ব্যবহার করা হয়েছিল বলে সন্দেহ করা হয় যেহেতু সকল বিস্ফোরণ ১৫ মিনিটের ভিতর সংঘটিত হয়েছিল। অনুসন্ধানে মোটর সাইকেল ব্যবহারো সন্দেহ করা হয়েছিল। কিন্তু আসাম নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান পরিচালক আর.এন. মাথুরের ভাষ্যমতে অধিকসংখ্যক বোমা গাড়ীতে সংযুক্ত করা হয়েছিল।[৮]

তাৎক্ষণিকভাবে মৃত ছাড়াও হতাহতের ভিতর ৭জন ঐ রাতেই মৃত্যুমুখে ঢলে পরে।[৯]

তাৎক্ষণিক পরিণতি[সম্পাদনা]

  • বোমা বিস্ফোরণের পরপরই আসাম সরকার কঠোর সতর্কতা জারি করে এবং সম্ভাব্য চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আধাসামরিক বাহিনী ডেকে পাঠায়।[১০]

পরিণাম[সম্পাদনা]

তদন্ত[সম্পাদনা]

অপরাধী[সম্পাদনা]

প্রতিক্রিয়া[সম্পাদনা]

কেন্দ্রীয় প্রতিক্রিয়া[সম্পাদনা]

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Kalita, Prabin (নভেম্বর ১, ২০০৮)। "Car bombs were used in Guwahati blast"Times of India। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১১-০১ 
  2. "Assam blast toll rises to 81"। ১০ নভেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬  উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ অবৈধ; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "blasttoll" নাম একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  3. One arrested for Assam serial blasts
  4. "Serial blasts in Assam, 20 dead, 100 injured"Times of India। অক্টোবর ৩০, ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১০-৩০ 
  5. "At least 61 killed and over 470 injured in 18 blasts in Assam"। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  6. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Curfew imposed in Guwahati following blasts নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  7. "One arrested for Assam serial blasts-India-The Times of India"। Timesofindia.indiatimes.com। ২০০৮-১০-৩১। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১১-০১ 
  8. "Bomb explosions in India kill 24 peolpe(sic)"KBC। ২০০৮-১০-৩০। ২০১১-০৫-২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১০-৩০ 
  9. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; newkerala নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  10. "11 blasts in 15 minutes rip Assam, 26 killed"। Merinews। ২০০৮-১০-৩০। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১০-৩০ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]