প্রথম সহস্রাব্দ
| সহস্রাব্দ: | |
|---|---|
| শতাব্দী: |


অ্যানো ডোমিনি বা প্রচলিত যুগের প্রথম সহস্রাব্দ ১ থেকে ১০০০ বছর জুড়ে বিস্তৃত একটি সহস্রাব্দ হিসেবে গণনা করা হয় (প্রথম থেকে দশম শতাব্দী; জ্যোতিষশাস্ত্রে: জেডি ১৭২১৪২৫.৫ -২০৮৬৬৬৭.৫)[১]। পূর্ববর্তী সহস্রাব্দের তুলনায় এই সময়কালে বিশ্বের জনসংখ্যা বেশ ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ১ খ্রিস্টাব্দে প্রায় ২০ কোটি জনসংখ্যা থেকে ১০০০ খ্রিস্টাব্দ অবধি মাত্র ৩০ কোটির মতো জনসংখ্যা হয়েছিল।[২]
পশ্চিমা ইউরেশিয়াতে (ইউরোপ এবং নিকট প্রাচ্য), প্রথম সহস্রাব্দ ছিল প্রাচীন যুগ থেকে মধ্যযুগে উত্তরণের সময়। প্রথম শতাব্দী রোমান সাম্রাজ্যের শীর্ষাবস্থান দেখেছিল যা পরবর্তীতে প্রত্নতাত্ত্বিক যুগে ধীরে ধীরে পতনের সম্মুখিন হয় এবং সে সাথে খ্রিস্টান ধর্মের উত্থান ও মহান অভিবাসনের সূচনা হয়। সহস্রাব্দের দ্বিতীয়ার্ধ ইউরোপের আদি মধ্যযুগ হিসেবে পরিচিত এবং পশ্চিমে ভাইকিং সম্প্রসারণ ও পূর্বে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের উত্থান দ্বারা চিহ্নিত।
পূর্ব এশিয়ায় প্রথম সহস্রাব্দ এক ব্যাপক সাংস্কৃতিক অগ্রগতির সময় ছিল। এ সময় পূর্ব এশিয়ায় বৌদ্ধধর্মের বিস্তার ঘটেছিল। চীনে দশম শতাব্দীতে পাঁচটি রাজবংশ এবং দশ রাজত্বের সময়কালে নতুন বিচ্ছিন্নতা উপস্থিত হওয়ার আগ পর্যন্ত হান রাজবংশের স্থান দখল করে নেয় চিন রাজবংশ এবং তারপর তাং রাজবংশের আবির্ভাব ঘটে। জাপানে, লোহার সরঞ্জামের ব্যবহারের দরুন কৃষকদের উৎপাদনশীলতা এবং ফসলের ফলন বৃদ্ধির ফলে জনসংখ্যার ব্যাপক বর্ধনশীল প্রবণতা দেখা যায়। জাপানে ইয়ামতো আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়। গুপ্ত সাম্রাজ্য গঠনের আগ পর্যন্ত প্রথম সহস্রাব্দ জুড়ে ভারতীয় উপমহাদেশ অসংখ্য রাজ্যে বিভক্ত ছিল। আরব থেকে পশ্চিম এশিয়া, ভারত, উত্তর আফ্রিকা এবং আইবেরীয় উপদ্বীপে ইসলাম ধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটেছিল যা ইসলামী স্বর্ণযুগে (–০০-১২০০) চূড়ান্ত রূপলাভ করেছিল।
মেসোমেরিকাতে (উত্তর আমেরিকার একটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক অঞ্চল যা প্রায় বেলিজ হয়ে মধ্য মেক্সিকো, গুয়েতেমালা, হন্ডুরাস, এল সালভাদর, নিকিরাগুয়া ও উত্তর কোস্তারিকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল) প্রথম সহস্রাব্দ ব্যাপক বিকাশের সময়কাল ছিল যা ক্লাসিক যুগ (২০০-৯০০) নামে পরিচিত। এসময় তেওতিহুয়াকান (মেসোআমেরিকান শহর) একটি মহানগরীতে পরিণত হয় এবং এর সাম্রাজ্য পুরো মেসোআমেরিকাতে আধিপত্য করত। দক্ষিণ আমেরিকায় প্রাক-ইনকা ও উপকূলীয় সংস্কৃতি সমৃদ্ধ হয়েছিল। সেখানে প্রাচীন বিশ্বের সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক ধাতুশিল্প এবং উৎকৃষ্ট মৃৎশিল্প তৈরি করা হতো। উত্তর আমেরিকায় সহস্রাব্দের শেষ দিকে মিসিসিপি নদ এবং ওহিও নদীর উপত্যকায় মিসিসিপি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল। অসংখ্য শহর নির্মিত হয়েছিল এ সময় যার মধ্যে বৃহত্তম শহর কাহোকিয়া বর্তমান ইলিনয় রাজ্যে গড়ে উঠেছিল। কাহোকিয়ায় সন্ন্যাসীদের স্তূপ বা ঢিবি নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল ৯০০-৯৫০ খ্রিস্টাব্দে।
সাব-সাহারান আফ্রিকাতে, বান্টু অভিবাসন প্রায় ৫ম শতাব্দীর মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকাতে পৌঁছে গিয়েছিল। অন্যদিকে ট্রান্স সাহারান ক্রীতদাস ব্যবসা ৯ম শতাব্দীর মধ্যে সাহারা এবং সোয়াহিলি উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল।
১ম সহস্রাব্দে যত সভ্যতা, রাজ্য ও রাজবংশ
[সম্পাদনা]| আফ্রিকা | এশিয়া/ওশেনিয়া | ইউরোপ | কলম্বিয়া পূর্ব আমেরিকা |
|---|---|---|---|
উত্তর আফ্রিকা
|
|
|
|
ঘটনাবলি
[সম্পাদনা]- এখানে জাতিসংঘ উপঅঞ্চল অনুসারে ঘটনাগুলো সাজানো হয়েছে
| আফ্রিকা | আমেরিকা | এশিয়া | ইউরোপ | ওশেনিয়া | |
|---|---|---|---|---|---|
| ১ম শতাব্দী | ৭০ সাল: কান্দাকে আমানিখাতাশান জেরুজালেম বিদ্রোহে রোমান সম্রাটের সাহায্যার্থে কুশাইট অশ্বারোহী সেনা প্রেরণ করেন[৩]১০০ সাল: আকসুম রাজ্যের উত্থান | ১ সাল: চাহুয়াচি প্রতিষ্ঠা [৫]৫০ সাল: সূর্য পিরামিডের সূচনা[৫] | ২৫ সাল: হান রাজবংশ সম্রাট গুয়াংগু অধীনে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় | ৯ সাল: রোম ও জার্মানির সীমানা হিসেবে রাইনের প্রতিষ্ঠা [৬]৪৭ সাল: লন্ডন প্রতিষ্ঠিত হয় | ১ সাল: ক্যারোলাইন দ্বীপপুঞ্জ উপনিবেশে পরিণত হয়[৭] |
| ২য় শতাব্দী | ১৫০ সোয়াহিলি পূর্ব চিহ্ন রাপটা, পেরিপ্লাস অফ দি ইরিথ্রিয়ান সি
২০০ বান্টু জনগোষ্ঠী পূর্য় আফ্রিকায় পৌঁছায়[৮] ২০০ নক সংস্কৃতির পতন |
১৫০ চাহুয়াচি দক্ষিণ পেরুর প্রভাবশালী আনুষ্ঠানিক কেন্দ্রে পরিণত হয়[৫] | ১৮৪ হলুদ টারবান বিদ্রোহ | ১০৬ দাচিয়া একটি রোমান প্রদেশে পরিণত হয়[৬]১৬৬ একুইলিয়া অবরোধ[৬] | |
| আফ্রিকা | আমেরিকা | এশিয়া | ইউরোপ | ওশেনিয়া | |
| তয় শতাব্দী | ২১২ মিশরীয়রা রোমার নাগরিকত্বের স্বীকৃতি দেয়[৮]২৩০ আকসুম রাজ্য হিমার এবং সাবা জোটের সঙ্গে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয় | ২৫০ Rise of লেগুনা ডি লস কেররোস এর উত্থান
২৯২ স্টেলা ২৯ উৎকীর্ণ করা হয়[৫] ৩০০ তিকাল এল মিরাদর জয় করে নেন[৫] |
২০৮ রেশক্লিফ যুদ্ধ হয় হান রাজবংশের পতনের প্রাক্কালে | ২১২ রোমান নাগরিকত্ব সাম্রাজ্যের সকল মুক্ত মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়[৬]২১৪ হিস্পানিয়া গ্যালেসিয়া, তার্রাকোনেন্সিস, বায়েক্টিকা এবং লুসিতানিয়ায় বিভন্ত হয়ে পড়ে[৬]
২৮৬ দিওক্লেশীয় সাম্রাজ্য পূর্ব পশ্চিমে বিভক্ত হয়ে যায় [৬] |
৩০০ পূর্ব পলেনেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ[৯] |
| ৪র্থ শতাব্দী | ৩৩৩ আকসুম রাজ্য খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়
৩৫০ মেরো পতনের দ্বারপ্রান্তে চলে আসে [৮] ৩৫০ আনোয়ারের রাজা কাজা মাজা |
৩৭৮ তেওতিহুয়াকান ওয়াকা, তিকাল এবং উয়াক্সাকতুম মায়া বিজয়ের প্রাক্কালে জয় করে নেয়[১০] | ৩১৯ দক্ষিণ এশিয়ায় গুপ্ত সাম্রাজ্যের উত্থান | ৩১৩ মিলান অধ্যাদেশ[৬] | |
| আফ্রিকা | আমেরিকা | এশিয়া | ইউরোপ | ওশেনিয়া | |
| ৫ম শতাব্দী | ৪০১ আনু. ট্রান্স সাহারা অঞ্চলে উট প্রধান যাতায়াত বাহনে পরিণত হয়
৪২৯ ভ্যন্ডাল অভিযান[৮] ৫০০ নুবিয়া রাজ্য নোবাদিয়া, মাকুরিয়া, আলোদিয়ায় বিভক্ত হয়ে যায় |
৪২০ দক্ষিণ ও উত্তর রাজবংশসমূহের যুগের সূচনা | ৪০৭ ভ্যান্ডালরা এইবেরিয়াতে প্রবেশ করে[১১]৪২১ রোমানরা পারসীয়দের পরাজিত করে[১১] | ৫০০ হাওয়াই, ইস্তার দ্বীপপুঞ্জ, সোসাইটি দ্বীপপুঞ্জ, তুয়ামতোস এবং মানগারেভার বসতির সূচনা[৯] | |
| ৬ষ্ঠ শতাব্দী | ৫২০ কালেবরা ইয়েমেন আক্রমণ করে
৫৩৩ বেলিসারিয়াসের আফ্রিকা অভিযান[৮] ৫৪০ নুবিয়া মনোফাইসাইট খ্রিস্টানত্ব গ্রহণ করে |
৬০০ ওয়ারি পেরু জয় করেন[১২]৬০০ পালেনঙ্ক নির্মাণ[৫] | ৫৩৮ জাপানে বৌদ্ধধর্মের সূচনা
৫৭০ ইসলাম ধর্মের মুহাম্মদের মুহাম্মদের জন্ম |
৫০৭ ভ্যুইলের যুদ্ধ[১১]৫৩৫ ইতালীতে বাইজেন্টীয় সৈন্যদের আক্রমণ[১১] | |
| আফ্রিকা | আমেরিকা | এশিয়া | ইউরোপ | ওশেনিয়া | |
| ৭ম শতাব্দী | ৬৪১ আফ্রিকায় মুসলিমদের অভিযান[১৩]৬৯০ জা রাজবংশের প্রতিষ্ঠা | ৬৫০ জোচিতেকাতেল এবং কাকাক্সতলা উপনিবেশ[১২]৭০০ তিওতিহুয়াকান ধ্বংস[১২] | ৬১৮ তাং রাজবংশের প্রতিষ্ঠা
৬৩১ ইসলামের উত্থান ৬৫১ ইসলামের পারস্য বিজয় |
আনু. ৬৮০ বুলগেরিয় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় | ৭০০ কুক দ্বীপপুঞ্জের বসতি স্থাপন[৯] |
| ৮ম শতাব্দী | ৭০২ আকসুমদের আরব আক্রমণ[১৩] ৭০৬ মিশরে আরবি ভাষার প্রবেশ[১৩] | ৭৩৮ কুইরিগুয়া কোপান থেকে স্বাধীন হয়
৭৫০ পবিত্র কেনোট নির্মিত হয় চিচেন ইৎজায়[১২] ৭৮০ বোনামপাকের [১২] ম্যুরালসমূহ পরিত্যক্ত হয় |
৭৩৮ ভারতে খিলাফতি অভিযান এবং উমাইয়া খিলাফতের ভারত অভিযান ব্যর্থ | ৭১৭ কনস্ট্যানটিনোপল অধিগ্রহণ | |
| আফ্রিকা | আমেরিকা | এশিয়া | ইউরোপ | ওশেনিয়া | |
| ৯বম শতাব্দী | ৮০১ আনু. কানেম সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা
৮০১আনু. আকসুম রাজ্যের পতন হয় এবং রাজধানী স্থানান্তরিত হয় |
৮৩৫ গানলু ঘটনা | ৮৭২ নরওয়ে একত্রীকরণ
আনু.৮৭৪ আইসল্যান্ডে বসতির সূচনা ৮৯৬ কার্পেথিয়ায় হাঙ্গেরীয় অভিযান |
৯০০ নিউজিল্যান্ডে বসতির সূত্রপাত[৯] | |
| ১০ম শতাব্দী | ৯০৫ তুলুনীয়দের উৎখাত[১৩]৯০৯ ফাতিমীয়দের প্রতিষ্ঠা[১৩] | ৯৫০ গ্রেট সার্পেন্ট স্তূপ নির্মাণ[১২]৯৯০ টলটেকরা চিচেন ইৎজা বিজয় করে নেয় | ৯০৭ পঞ্চ রাজবংশের রাজনৈতিক উত্থানপর্বের সূচনা
৯৬০ সং রাজবংশের প্রতিষ্ঠা |
৯৫৮ ডেনমার্কের একত্রীকরণ
৯৮৫ এরিক দ্য রেড গ্রীনল্যান্ডে উপনিবেশ স্থাপন করেন |
১০০০ পলিনেশীয়রা পাথর দিয়ে মন্দির নির্মাণ করতে শুরু করে [৯] |
উদ্ভাবন, আবিষ্কার ও সূত্রপাত
[সম্পাদনা]| যোগাযোগ | গণিত ও বিজ্ঞান | কৃষি | যাতায়াত | যুদ্ধসংশ্লিষ্ট |
|---|---|---|---|---|
|
|
শতাব্দী ও দশকসমূহ
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Julian Day Number from Date Calculator"। High accuracy calculation for life or science. (ইংরেজি ভাষায়)। ২৬ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০২১।
- ↑ Klein Goldewijk, Kees; Beusen, Arthur; Van Drecht, Gerard; De Vos, Martine (১১ সেপ্টেম্বর ২০১০)। "The HYDE 3.1 spatially explicit database of human-induced global land-use change over the past 12,000 years"। Global Ecology and Biogeography। ২০ (1): ৭৩–৮৬ Goldewijk et al. (২০১১) estimate ১৮৮ million as of the year ১, citing a literature range of ১৭০ million (low) to ৩০০ million (high). Out of the estimated ১৮৮ million, ১১৬ million are estimated for Asia (East Asia, South Asia, Southeast Asia, and Central Asia, excluding Western Asia), ৪৪ million for Europe and the Near East, ১৫ million for Africa (including Roman Egypt and Roman North Africa), ১২ million for Mesoamerica and South America. North America and Oceania were at or below one million. For ১০০০, they estimate the world population at ২৯৫ million .। ডিওআই:10.1111/j.1466-8238.2010.00587.x। আইএসএসএন 1466-822X।
- ↑ Jr Ph D Grant Bishop Williams(2009). Abraham's Other Sons. AuthorHouse: pp. 50,51. আইএসবিএন ৯৭৮১৪৩৮৯৯৭০৯৪
- ↑ Ehret, Christopher (2002). The Civilizations of Africa. Charlottesville: University of Virginia, p. 177, আইএসবিএন ০-৮১৩৯-২০৮৫-X.
- 1 2 3 4 5 6 "World Timeline of the Americas 200 BC - AD 600"। The British Museum। ২০০৫। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০০৯।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 "World Timeline of Europe 200 BC-AD 400 Roman"। The British Museum। ২০০৫। ১৩ মার্চ ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০০৯।
- ↑ "World Timeline of the Oceania 1500 BC-AD 1"। The British Museum। ২০০৫। ২১ নভেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০০৯।
- 1 2 3 4 5 "World Timeline of Africa 332 BC-AD 400"। The British Museum। ২০০৫। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০০৯।
- 1 2 3 4 5 "World Timeline of Oceania AD 1-1100"। The British Museum। ২০০৫। ২৯ মে ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০০৯।
- ↑ "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৯ এপ্রিল ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০২১।
- 1 2 3 4 5 6 "World Timeline of Europe AD 400-800 Early medieval"। The British Museum। ২০০৫। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০০৯।
- 1 2 3 4 5 6 "World Timeline of the Americas AD 600-1000"। The British Museum। ২০০৫। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০০৯।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 "World Timeline of Africa AD 600-1500"। The British Museum। ২০০৫। ১৩ মার্চ ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০০৯।
- ↑ Coquery-Vidrovitch, Catherine. The History of African Cities South of the Sahara. Princeton: Markus Wiener Publishers, 2005, p. 45, আইএসবিএন ১-৫৫৮৭৬-৩০৩-১
- 1 2 "Who Built it First"। Ancient Discoveries। A&E Television Networks। ২০০৮। ২৯ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০০৯।