হরলিক্স

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এক মগ হরলিক্স

হরলিক্স একটি প্রতিষ্ঠানের নাম এবং একটি জনপ্রিয় মল্টেড পানীয়ের নাম। এটি গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন কোম্পানী যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং জ্যামাইকা-তে তৈরী করে ও ফিলিপাইন্স ও মালয়শিয়াতে লাইসেন্স প্রাপ্ত।

প্রস্তুত প্রণালী[সম্পাদনা]

ঘুমের জন্য[সম্পাদনা]

বিজ্ঞাপন[সম্পাদনা]

বিশ্ব ব্যাপী[সম্পাদনা]

হংকং[সম্পাদনা]

পাকিস্তান[সম্পাদনা]

দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া[সম্পাদনা]

যুক্তরাজ্য[সম্পাদনা]

কোম্পানীর কালপঞ্জি[সম্পাদনা]

হরলিক্স কারখানা
  • ১৮৬৯: উইলিয়াম হরলিকের যুক্তরাষ্ট্রে আগমন।
  • ১৮৭৩: জেমস হরলিক তার ভাইয়ের সাথে যোগ দিয়ে শিকাগোতে জে এন্ড ডাব্লিউ হরলিক্স কোম্পানীর গোড়াপত্তন করে যারা মল্টেড মিল্ক তৈরীর স্বত্ত্ব লাভ করে।
  • ১৮৭৫: ঝর্ণার পানির সরবরাহের সুবিধার জন্য কোম্পানীর উইসকন্সিন-এ গমন।
  • ১৮৮৩: উইলিয়ামের প্রথম গরম পানির সাথে মেশানোর মল্টেড মিল্ক ড্রিংক-এর স্বত্ত্ব লাভ।
  • ১৮৯০: এই পণ্যটি আমদানীর জন্য জেমস যুক্তরাজ্যে ফিরে যান।
  • ১৯০৬: নতুন প্রতিষ্ঠানের জন্য স্থান নির্বাচন।
  • ১৯০৮: কারখানার নির্মাণ সমাপ্ত (ব্যয়: ২৮,০০০ পাউন্ড)।
  • ১৯০৯-১৯১০: উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে জনপ্রিয়তা লাভ।
  • ১৯১৪: জেমস ব্যারোনেট হন। বিশ্বযুদ্ধে ব্যাপক ব্যবহার।
  • ১৯২১: জেমস-এর মৃত্যুর ফলে কোম্পানীর বিভাজন; উইলিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে এবং জিমসের সন্তানেরা অবশিষ্ট বিশ্বের দায়িত্বে।
  • ১৯২৮: উইলিয়াম হরলিক হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠা।
  • ১৯৩১: হরলিক্সের প্রসারের জন্য "রাত্রিকালীন" গল্পের প্রচারণা।
  • ১৯৩৫: রিচার্ড ই বাইর্ড হরলিক মাউন্টেন নামকরণ করেন। অস্ট্রেলিয়ায় কারখানা প্রতিষ্ঠা।
  • ১৯৩৬: উইলিয়াম হরলিক-এর মৃত্যু; ৯০ বছর বয়সে।
  • ১৯৪৫: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানটির যুক্তরাজ্যের প্রতিষ্ঠানের সাথে একীভূত হওয়া।
  • ১৯৫২: আলসার ও ডায়াবেটিস-এ পথ্য হিসেবে ব্যবহার।
  • ১৯৬০: মহিষের দুধে হরলিক্স তৈরীর উদ্দেশ্যে ভারতের পাঞ্জাবে কারখানা নির্মাণ।
  • ১৯৬৮: স্থানীয় চাহিদা মেটাতে পাকিস্তানের পাঞ্জাবে কারখানা নির্মাণ (বাংলাদেশ যুক্ত হয়)।
  • ১৯৬৯: বীচহাম গ্রুপে হরলিক্স-এ একাত্মীকরণ।
  • ১৯৭৫-১৯৭৮: অন্ধ্র প্রদেশে কোম্পানীর নির্মাণ ও প্রসার।
  • ১৯৮৯: বীচহাম গ্রুপ স্মিথক্লিন বীচহাম-এ রূপান্তর।
  • ২০০০: স্মিথক্লিন বীচহাম গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন-এ রূপান্তর।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহি:সংযোগ[সম্পাদনা]