সৌম্য স্বামীনাথন (বৈজ্ঞানিক)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সৌম্য স্বামীনাথন
জন্ম (1959-05-02) ২ মে ১৯৫৯ (বয়স ৬৫)
জাতীয়তাভারত
পিতা-মাতাএম এস স্বামীনাথন
মিনা স্বামীনাথন

সৌম্য স্বামীনাথন একজন ভারতীয় শিশু বিশেষজ্ঞ এবং ক্লিনিকাল সায়েন্টিস্ট যিনি টিউবারকুলোসিসে(যক্ষ্মা) তার কাজের জন্য পরিচিত। [১][২] ২০১৯ সালের ৭ই মার্চ থেকে তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী হিসাবে কাজ করেছেন। [৩] এর আগে ২০১৭ সালের ৩রা অক্টোবর তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় মহাপরিচালক ড. টিড্রোস আডহানোম গিব্রেইয়াসাসের দ্বারা ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল অব প্রোগ্রামস (ডিডিপি) পদে নিযুক্ত হন।.[৪] কর্মজীবনের শুরুতে তিনি, তিনি ভারতের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য গবেষণা বিভাগের সচিব এবং পরবর্তীতে বায়োমেডিকাল গবেষণা প্রণয়ন, সমন্বয় ও উন্নয়নের জন্য ভারতে শীর্ষস্থানীয় সংস্থা ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ বায়োমেডিকাল রিসার্চের মহাপরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন।[১][৫]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

স্বামীনাথন আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ থেকে এম বি বি এস এবং অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস, নতুন দিল্লি থেকে এম. ডি ডিগ্রী লাভ করেন।তিনি পরবর্তীকালে লস এঞ্জেলেস-এ শিশু হাসপাতালে এবং কেক স্কুল অব মেডিসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া থেকে পেডিয়াট্রিক পালমোলজিতে এ পোস্ট ডক্টরেট মেডিকেল ফেলোশিপ করেন .[৬]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

সৌম্য স্বামীনাথন হলেন ভারতের "ভারতের সবুজ বিপ্লবের জনক" এম এস স্বামীনাথন এবং ভারতীয় শিক্ষাবিদ মিনা স্বামীনাথন এর কন্যা। সৌম্য্-র দুই বোন আছে, মধুরা স্বামীনাথন,যিনি কলকাতার ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিকাল ইনস্টিটিউটের অর্থনীতির অধ্যাপক এবং নিত্য স্বামীনাথন, যিনি ইউনিভার্সিটি অফ ইষ্ট আঙ্গিলা তে 'লিঙ্গ বিশ্লেষণ" এবং উন্ন্যনের সিনিয়র লেকচারার।. [৭] [না সাইটেশন দেওয়া]

পেশাদারী কর্মজীবন[সম্পাদনা]

  • সহকারিতা Neonatology এবং পেডিয়াট্রিক Pulmonology (1987 - 1989) এ শিশু হাসপাতাল এর লস অ্যাঞ্জেলেস, ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র.
  • রিসার্চ ফেলো (রেজিস্ট্রার) Dept of পেডিয়াট্রিক শ্বাস প্রশ্বাসের রোগ, University of Leicester, UK: 1989-1990.
  • সিনিয়র রিসার্চ অফিসার (অতিরিক্ত গবেষণা ক্যাডার), কার্ডিও মেডিসিন ইউনিট
  • উপরি সহযোগী ক্লিনিকাল অধ্যাপক, Dept. জন স্বাস্থ্য ও পরিবার মেডিসিন এ Tufts বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অব মেডিসিন[৮]
  • পরিচালক - ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন যক্ষ্মা

গবেষণা হাইলাইট[সম্পাদনা]

  • সৌম্য স্বামীনাথন ১৯৯২সালে চেন্নাইয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ ইন টিউবারকুলোসিতে যোগদান করেন (পরে তার পরিচালক হন)। তিনি টিবি এবং টিবি / এইচআইভির বিভিন্ন দিক অধ্যয়নরত ক্লিনিকাল, পরীক্ষাগার এবং আচরণবিজ্ঞানীদের নিয়ে একটি বহু-শৃঙ্খলা গোষ্ঠী শুরু করেন।স্বামীনাথন তার সহকর্মীদের সাথে প্রথমবারের মতো টিবি নজরদারি এবং যত্নের জন্য আণবিক ডায়গনিস্টিকের বিবর্ধন করেন যাতে চিকিতসার সুযোগ কম পাওয়া জনগণের কাছে এই চিকিতসার সুফল পৌছনো যায়।[৯] সম্প্রতি তিনি টিবি জিরো সিটি প্রজেক্টের অংশ যা স্থানীয় সরকার, প্রতিষ্ঠান এবং তৃণমূল সমিতিগুলির সাথে কাজ করে "অপসৃত দ্বীপপুঞ্জ" তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে।.[১০]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Nikita Mehta। "Soumya Swaminathan to take charge of Indian Council of Medical Research"Live Mint 
  2. "Dr. Soumya Swaminathan" (পিডিএফ)Indian Council of Medical Research। ২০১৫-০৮-৩০ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-১০-০৭ 
  3. Thacker, Teena (৭ মার্চ ২০১৯)। "WHO rejigs management, deputy D-G Soumya Swaminathan will now be chief scientist"Live Mint 
  4. "WHO Headquarters Leadership Team"World Health Organization (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-১০-০৩ 
  5. "Podcast: Sentinel Project on Pediatric Drug-Resistant Tuberculosis"The Hindu। ২৭ নভেম্বর ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ 
  6. "Secretary Profile"Department of Health Research, Ministry of Health and Family Welfare, Government of India 
  7. "Image, The Hindu Business Line"। ২৫ মে ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 
  8. ISITE Design। "Soumya Swaminathan, MD, MNAMS"tufts.edu। ১৫ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  9. Das, Pamela (২০১৬-০৩-১৯)। "Soumya Swaminathan: re-energising tuberculosis research in India" (English ভাষায়): 1153। আইএসএসএন 0140-6736ডিওআই:10.1016/S0140-6736(16)30008-3 
  10. "Site 1: Chennai, India — Advance Access & Delivery"। ২০১৭-০২-১৬। ২০১৭-০২-১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০২-১১