সোনিয়া নিশাত আমিন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সোনিয়া নিশাত আমিন
জাতীয়তাবাংলাদেশি
পরিচিতির কারণগবেষক ও প্রাবন্ধিক
পুরস্কারবাংলা একাডেমি ফেলো (২০১১)
অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার (১৪২২)

সোনিয়া নিশাত আমিন (সোনিয়া আমিন নামেও পরিচিত) একজন বাংলাদেশি ইতিহাসবিদ, গবেষক ও প্রাবন্ধিক।[১] উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর সামাজিক ইতিহাস নিয়ে গবেষণার জন্য পরিচিত সোনিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০১১ সালে তাকে বাংলা একাডেমি সম্মানিত ফেলোশিপ প্রদান করে এবং ২০১৫ সালে গবেষণা ও প্রবন্ধ সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার (১৪২২) লাভ করেন।[২]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

সোনিয়া ১৯৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।[৩] তিনি যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় ও পরে যুক্তরাষ্ট থেকে সমাজ বিজ্ঞানে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অব মুসলিম উইমেন ইন কলোনিয়াল বেঙ্গলঃ ১৮৭৬-১৯৩৯’ বিষয়ে গবেষণার জন্য পিএইচডি অর্জন করেন।[৩] এছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য।[৪]

সোনিয়া ঊনিশ এবং বিশশতকের বাংলার সামাজিক ইতিহাস নিয়ে কয়েক দশক থেকে গবেষণা করছেন। বিভিন্ন বিষয়ে তিনি ৩০টির বেশি প্রবন্ধ রচনা করেন।[২] তিনি অক্সফোর্ড ডিকশোনারি অব ন্যাশনাল বায়োগ্রাফি এবং ওয়ার্ল্ড এনসাইক্লোপিডিয়া অব উইমেনস হিস্টোরিতে বেগম রোকেয়ার জীবনী লিখেছেন। বাঙালি নারীদের বিশেষ অবদান বিষয়েও তিনি গবেষণা করেন।[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার পেলেন সোনিয়া নিশাত আমিন"দৈনিক জনকণ্ঠ (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  2. "'অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার পেলেন সোনিয়া নিশাত আমিন"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  3. "অনন্যা সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন অধ্যাপক সোনিয়া নিশাত আমিন"দৈনিক ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  4. "বোর্ড অব ট্রাস্টিজ"জাতীয় জাদুঘর। সংগ্রহের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০