সৈয়দ আবদুস সামাদ
|
তারিখবিহীন ছবিতে সামাদ | |||
| ব্যক্তিগত তথ্য | |||
|---|---|---|---|
| জন্ম | ৬ ডিসেম্বর ১৮৯৫ | ||
| জন্ম স্থান | ভুরি, বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত | ||
| মৃত্যু | ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৪ (বয়স ৬৮–৬৯) | ||
| মৃত্যুর স্থান | পার্বতীপুর, দিনাজপুর, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ) | ||
| মাঠে অবস্থান | ফরোয়ার্ড | ||
| যুব পর্যায় | |||
| – | পূর্ণিয়া জুনিয়র এফসি | ||
| জ্যেষ্ঠ পর্যায়* | |||
| বছর | দল | ম্যাচ | (গোল) |
| ১৯১২–১৯১৫ | ক্যালকাটা মেইন টাউন ক্লাব | ||
| ১৯১৫–১৯২০ | তাজহাত এফসি | ||
| ১৯১৮–১৯১৮ | ক্যালকাটা ওরিয়েন্টস ক্লাব | ||
| ১৯২–১৯৩০ | ইস্ট বেঙ্গল রেলওয়ে | ||
| ১৯২৭–১৯২৭ | ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব | ||
| ১৯৩১–১৯৩২ | মোহনবাগান | ||
| ১৯৩৩–১৯৩৮ | মহামেডান স্পোর্টিং | ||
| জাতীয় দল | |||
| ১৯২৪–১৯৩৪ | ভারত একাদশ | ||
| * কেবল ঘরোয়া লিগে ক্লাবের হয়ে ম্যাচ ও গোলসংখ্যা গণনা করা হয়েছে | |||
সৈয়দ আবদুস সামাদ (জন্ম:ডিসেম্বর ৬, ১৮৯৫ - মৃত্যু: ফেব্রুয়ারি ২, ১৯৬৪) এই ভারত উপমহাদেশের ফুটবল যাদুকর হিসেবে খ্যাত। উপমহাদেশের ফুটবলামোদীদের কাছে জাদুকর সামাদ নামে পরিচিত।[১] প্রায় ১০০ টির বেশি গোল করেন আব্দুস সামাদ (ধারণা কিন্তু এরও বেশি হতে পারে) মতান্তরে ৩০০ টিরবেশি গোল করেন আব্দুল সামাদ। তার উল্লেখযোগ্য ম্যাচ ছিল চীনের সাথে যেখানে ৪ গোল করেন মাত্র ১৫ মিনিটে ইংল্যান্ডের সাথে হ্যাটট্রিক করেন এ ফুটবল জাদুকর। তিনি নিঃসন্দে বাংলায় থেকে শ্রেষ্ঠ ফুটবলার।
জন্ম
[সম্পাদনা]১৮৯৫ সালে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বর্ধমানে।
খেলোয়াড় জীবন
[সম্পাদনা]কলকাতা এরিয়ান্স ক্লাবের দুঃখীরাম মজুমদারের কাছে তার ফুটবল শিক্ষা। এরিয়ান্স থেকে তাজ ক্লাবে যান। ১৯১৩ সালে রংপুরের তাজ ক্লাবের হয়ে কলিকাতায় খেলতে গিয়ে ফুটবল সংগঠকদের নজরে পড়েন। ১৯১৫ সালে কলিকাতা দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব এরিয়ান্স সামাদ কে দলভুক্ত করে। সেবার অনেকটা সামাদের অসাধারণ নৈপুন্যে এরিয়ান্স ক্লাব প্রথম বিভাগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। ১৯২০ সালে সামাদ ইস্ট বেঙ্গল রেলওয়ে ক্লাবে যোগ দেন। ১৯২৪ সালে ভারতীয় জাতীয় দলের খেলোয়াড় হিসেবে তিনি বার্মা, যুক্তরাজ্য এবং চীন সফর করেন। বহু খেলায় তার ক্লাব হেরে গেলেও শ্রেষ্ঠ পুরস্কার পেয়েছেন ফুটবল জাদুকর সামাদ। ১৯২৭ সালে তিনি ঢাকার তৎকালীন শীর্ষ দল ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব এবং কলকাতার বিখ্যাত মোহনবাগান ক্লাবে খেলার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। ১৯৩৩ সালে তিনি কলিকাতা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে যোগ দেন এবং এই ক্লাবে খেলেই তিনি ফুটবল থেকে অবসর নেন। বিভিন্ন সূত্র মতে তিনি ১৯৪১ সাল অর্থাৎ প্রায় ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত ফুটবল খেলেছেন। ১৯৫৭ সালে তিনি পাকিস্তান জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বেতনভুক্ত ফুটবল কোচ হিসেবে চাকরি শুরু করেন। ১৯৬২ সালে পাকিস্তান সরকার তাকে রাষ্ট্রপতি পদক দিয়ে সম্মানিত করে।[১]
বৈশিষ্ট্য
[সম্পাদনা]সামাদ ড্রিবলিং এবং গোলে লক্ষ্যভেদী শটের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
মৃত্যু
[সম্পাদনা]১৯৬৪ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তানের সৈয়দপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
- ১৮৯৫-এ জন্ম
- ১৯৬৪-এ মৃত্যু
- বাঙালি ফুটবলার
- বাংলাদেশী বিহারি
- ভারতের আন্তর্জাতিক ফুটবলার
- ভারতীয় ফুটবলার
- ১৮৯০-এর দশকে জন্ম
- বিহারের ফুটবলার
- ১৯৬৫-এ মৃত্যু
- মুহাজির ব্যক্তি
- পূর্ব বর্ধমান জেলার ব্যক্তি
- পশ্চিমবঙ্গের ফুটবলার
- ভারতীয় পুরুষ ফুটবলার
- মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের খেলোয়াড়
- পুরুষ ফুটবল ফরোয়ার্ড
- পাকিস্তানে ভারতীয় অভিবাসী
- বিহারি বংশোদ্ভূত পাকিস্তানি ব্যক্তি
- পাকিস্তানি ক্রীড়া নির্বাহী ও প্রশাসক
- প্রাইড অব পারফরম্যান্স প্রাপক