গবর্নমেন্ট সায়েন্স হাই স্কুল

স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৫′২৯″ উত্তর ৯০°২৩′৩১″ পূর্ব / ২৩.৭৫৮০৬° উত্তর ৯০.৩৯১৯৪° পূর্ব / 23.75806; 90.39194
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গবর্নমেন্ট সাইন্স হাই স্কুল
GSHS Logo.jpg
অবস্থান
ফার্মগেট, ঢাকা, বাংলাদেশ

তেজগাঁও

ঢাকা
১২১৫

বাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক২৩°৪৫′২৯″ উত্তর ৯০°২৩′৩১″ পূর্ব / ২৩.৭৫৮০৬° উত্তর ৯০.৩৯১৯৪° পূর্ব / 23.75806; 90.39194
তথ্য
বিদ্যালয়ের ধরনপাবলিক
নীতিবাক্যসংস্কৃতি প্রতিশ্রুতি যোগাযোগ উন্নতি
কার্যক্রম শুরু১৯৯৬
বিদ্যালয় বোর্ডঢাকা বোর্ড
বিদ্যালয় জেলাঢাকা
প্রধান শিক্ষিকারহিমা আক্তার
শ্রেণী১-১০
ভাষার মাধ্যমবাংলা

গবর্নমেন্ট সাইন্স হাই স্কুল (ইংরেজি: Government Science High School) বাংলাদেশের একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যা ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত। এটি ঢাকার ২৪টি সরকারি বিদ্যালয়ের একটি।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৫৪ সালে, পূর্ব পাকিস্তান সরকার 'পরীক্ষামূলকভাবে' পাকিস্তানে ৪টি টেকনিক্যাল হাই স্কুল প্রতিষ্ঠা করে। গভঃ টেকনিক্যাল হাই স্কুল, তেজগাঁও ছিল তার মধ্যে একটি। সেই সময়, প্রতিটি দায়িত্ব প্রধান শিক্ষক গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৬২ সালে, সেই স্কুলটি একটি ইন্টারমিডিয়েট কলেজে পরিণত হয়েছিল এবং প্রধান শিক্ষকের পদটি অধ্যক্ষ হিসাবে উন্নীত হয়েছিল। যে কারণে, তৎকালীন প্রধান শিক্ষক জনাব আব্দুর রাজ্জাক ১৮ বছরের জন্য প্রধান শিক্ষক ছিলেন। ১৯৯১ সালে, বাংলাদেশ সরকার ৬২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ডাবল শিফট শুরু করে। আর 'সরকারি বিজ্ঞান কলেজ সংযুক্ত হাই স্কুল' ছিল তার মধ্যে একটি। তখন এর নাম ছিল সরকারি বিজ্ঞান কলেজ সংযুক্ত হাই স্কুল। কিন্তু ২৪শে ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে এটিকে শুধু গবর্নমেন্ট সাইন্স হাই স্কুল-এ পরিবর্তন করা হয়েছিল। যারা প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন-

রিজিয়া খাতুন - ১৯৯৬-১৯৯৭

মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ খান - ১৯৯৮-১৯৯৯

মুহাম্মদ আবদুল আজিজ - ১৯৯৯-২০০০

রওশন আরা বেগম - ২০০০-২০০৬

মুহাম্মদ আবদুল আজিজ - ২০০৬-২০১১

রুহিদাশ শারকার (ইনচার্জ)-২০১১

মুহাম্মদ ইনসান আলী - ২০১১-২০১২

কস্তুরি দত্ত মজুমদার (ইনচার্জ)-২০১২-২০১৫

মুহাম্মদ বাহাউদ্দিন - ২০১৫

কস্তুরি দত্ত মজুমদার (ইনচার্জ)-২০১৫

রওশন আক্তার - ২০১৫

কস্তুরি দত্ত মজুমদার (ইনচার্জ)-২০১৫-২০১৬

আজহার উদ্দিন আহমেদ (ইনচার্জ) - ২০১৭-২০১৯

রহিমা আক্তার (ইনচার্জ) - ২০১৯ –বর্তমান

দৈনিক সমাবেশ[সম্পাদনা]

শৃঙ্খলা, ঐক্য এবং আনুগত্য বাড়াতে দৈনিক সমাবেশ একটি বড় ভূমিকা পালন করে। এই কারণেই, প্রতিদিনের ক্লাস শুরু হওয়ার ১৫ মিনিট আগে, একটি দৈনিক সমাবেশ উভয় শিফটের জন্য পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত হয়। দৈনিক সমাবেশে কোরআন তেলাওয়াত, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শপথপাঠ, বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন এবং কিছু শারীরিক অনুশীলন করা হয়। প্রত্যেককে প্রতিদিন দৈনিক সমাবেশে অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক।

ইউনিফর্ম[সম্পাদনা]

১ম থেকে ৩য় শ্রেণির ইউনিফর্ম সাদা শার্ট এবং নেভি ব্লু শর্টস বা ফুল প্যান্ট। ৪র্থ থেকে ১০ম শ্রেণির ইউনিফর্ম ফুল বা হাফ হাতা সাদা শার্ট এবং নেভি ব্লু ফুল প্যান্ট। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য সাদা কেডস বাধ্যতামূলক। সমস্ত গ্রেডের জন্য, স্কুল কর্তৃক দেওয়া এমব্রয়ডারি করা মনোগ্রাম অবশ্যই শার্টের বাম পকেটে যুক্ত করতে হবে। উভয় শিফটের জন্য পৃথক মনোগ্রাম রয়েছে। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য অপরিহার্য তাদের নিজস্ব আইডি কার্ড রয়েছে, যা স্কুল কতৃক প্রতি বছর দেওয়া হয়ে থাকে।

স্কুল ম্যাগাজিন[সম্পাদনা]

স্কুল ম্যাগাজিনের নাম 'স্বীকৃতি' এবং সম্পাদক জনাব রমজান মাহমুদ। পত্রিকাটি প্রতি 2 বছর অন্তর প্রকাশিত হয়। সেই ২ বছরে, প্রতিটি শ্রেণী থেকে পত্রিকার বিষয়বস্তু সংগ্রহ করা হয়। বিষয়বস্তুগুলো যেমন - কবিতা এবং ছড়া, নিবন্ধ, গল্প, কৌতুক এবং ধাঁধা, অঙ্কন ইত্যাদি নির্বাচিত বিষয়বস্তু প্রকাশিত হয়।

মূল সঙ্গীত[সম্পাদনা]

তাল-কাহারবা[সম্পাদনা]

কথা, সুর এবং স্বরলিপিঃ[সম্পাদনা]

প্রমীলা জেসমিন,[সম্পাদনা]
সহকারী শিক্ষিকা[সম্পাদনা]

আমরা বিজ্ঞান স্কুলের ছাত্ররা

লেখাপড়া করবোই করব

         মানুষের মত মানুষ হব

         আঁধার থেকে আলোর পথে এগিয়ে যাব

         মানুষের সেবা করব

         দেশকে ভালবাসবো।

এসো সবাই মিলে, এক হয়ে হাতে হাত রাখি,

একটি শক্তিশালী, আদর্শ রাষ্ট্র গড়ি

দেশের একতা রাখবো

সংহতি বুকে বাঁধবো

হবেই জয়, আমাদের জয়, জয় হবে।

স্কাউট কার্যক্রম[সম্পাদনা]

স্কাউটস এই বিদ্যালয়ের অন্যতম বিখ্যাত সহ-পাঠক্রমিক কার্যক্রম। জাতীয় স্কাউট জাম্বুরিসহ স্কাউট এবং কাব স্কাউট কার্যক্রমে এই দলের খুব নিয়মিতভাবে অংশগ্রহণ করে থাকে। ২০০৪ সালে, এই প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীকে রাষ্ট্রপতি স্কাউট পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল, যা স্কাউটদের জন্য সর্বোচ্চ পুরস্কার। এছাড়াও আরেক ছাত্র কে.এম শাকরাত উল্লাহ 'শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড' অর্জন করেন।