শ্রিয়া পিলগাঁওকর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
শ্রিয়া পিলগাঁওকর
Shriya Pilgaonkar.jpg
শ্রিয়া পিলগাঁওকর
জন্ম
শ্রিয়া শচীন পিলগাঁওকর
জাতীয়তাভারতীয়
পেশা
কর্মজীবন২০১৩–বর্তমান
পরিচিতির কারণফ্যান
পিতা-মাতা

শ্রিয়া পিলগাঁওকার হলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, পরিচালক, প্রযোজক এবং মঞ্চ অভিনেত্রী। তিনি অভিনেতা শচীনসুপ্রিয়া পিলগাঁওকরের মেয়ে।[১]

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

ছোটবেলায় পিলগাঁওকর পেশাদার সাঁতারু হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিলেন এবং বিদ্যালয়ে থাকাকালীন তিনি সাঁতারে বেশ কয়েকটি পদকও জয়লাভ করেছিলেন।[২] তিনি যখন ছোট ছিলেন তখন জাপানি ভাষায় ক্লাস করতেন, কেননা বড় হয়ে তিনি একজন অনুবাদক বা ভাষাবিদ হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। পরবর্তীতে তাঁর সিদ্ধান্ত বদল হয়ে যায় এবং তিনি মুম্বইয়ের সেন্ট জেভিয়ার'স কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পিলগাঁওকর ছোটবেলায় কত্থক নৃত্যও শিখেছিলেন।[৩]

পেশা[সম্পাদনা]

অভিনয়[সম্পাদনা]

মাত্র পাঁচ বছর বয়সে, পিলগাঁওকর হিন্দি টেলিভিশন ধারাবাহিক তু তু মে মে-এ একটি ছেলের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।[৪] পিলগাঁওকর ২০১২ সালে করণ শেঠীর ১০ মিনিটের স্বল্পদৈর্ঘ্যের নাটক ফ্রিডম অফ লাভ এ অভিনয় করার মধ্য দিয়ে মঞ্চ নাটকে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। নাটকটি এনসিপিএ-এর সংক্ষিপ্ত এবং মিষ্টি উৎসবের একটি অংশ ছিল। এই নাটকটিতে, তিনি একাধারে অভিনয় করেছেন, গান গেয়েছিলেন এবং একই সাথে নৃত্য পরিবেশনও করেছেন।[৫]

ফ্রিডম অফ লাভ এ অভিনয়ের পরে, পিলগাঁওকার ২০১৩ সালে মারাঠি চলচ্চিত্র একুল্টি এক এর মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেছিলেন; এই চলচ্চিত্রে তিনি স্বরার চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যিনি অরুণ দেশপাণ্ড (শচীন পিলগাঁওকর) এবং নন্দিনীর (সুপ্রিয়া পিলগাঁওকর) মেয়ে। তাঁর বাবা (শচীন পিলগাঁওকার) তাঁকে এই চলচ্চিত্রে স্বরার চরিত্রে অভিনয় করার জন্য বলেছিলেন; তিনিই এই চলচ্চিত্রটি রচনা, পরিচালনা এবং প্রযোজনা করেছিলেন। শ্রিয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, "আমার মা-সহ বেশ কয়েকজন অভিনয়শিল্পীর অভিষেক করানোর কৃতিত্ব রয়েছে তাঁর (বাবার)। তিনি যখন আমাকে ছবিটির প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তখম আমি তাঁর কাছ থেকে কোন আনুকূল্য চাইনি। তবে তিনি আমাকে সংশোধন করে বলেছিলেন, 'আমি বিনা কারণে সম্পদ বিনিয়োগ করার মত বোকা নই"।"[২] তিনি আরও যোগ করেছেন, "অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমি একজন শিক্ষানবিস তবে আমি মনে করি এই শিল্পে (চলচ্চিত্রে) আমার সংযোজনের এটিই দুর্দান্ত সময়। অনেক কিছু ঘটছে, অনেক পরিবর্তন হচ্ছে। আমি গর্ব বোধ করি যে আমি আমার বাবার সাথে প্রথম ছবিটি করেছি।"[৫] এই চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করে তিনি ছয়টি পুরস্কার জিতেছিলেন। এর মধ্যে সেরা অভিষেক অভিনেত্রীর জন্য মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকার পুরস্কার ছিল অন্যতম, যা তিনি ৫১তম মহারাষ্ট্র রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কারে অনুষ্ঠানে গ্রহণ করেছিলেন।[৬][৭][৮] এই চলচ্চিত্রটি সমালোচকদের কাছ থেকে ইতিবাচক পর্যালোচনা পেয়েছিল। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার একজন সমালোচক এই চলচ্চিত্রটিকে ৩/৫ তারামার্কা দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন "এটি তাঁর (শচীন পিলগাঁওকর) কন্যা শ্রিয়াকে চলচ্চিত্রে আনার নিখুঁত সময় এবং তিনি আমাদের সকলকে হতাশ করেননি।"[৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "RELATIVE VALUE: THE THREE 'BESTIES'"Mumbai Mirror। ২০ মার্চ ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৮ মে ২০১৬ 
  2. "ALMOST FAMOUS"Mumbai Mirror। ৮ মার্চ ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ মে ২০১৬ 
  3. "Making an impact"The Hindu। ৭ মে ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০১৬ 
  4. "Reaction to my performance in 'Fan' overwhelming: Shriya Pilgaonkar"The Indian Express। ১৮ এপ্রিল ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০১৬ 
  5. "'It is more difficult to make an impact in a short role'"The Hindu। ৩ মে ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৮ মে ২০১৬ 
  6. "Sachin Pilgaonkar's daughter to debut in dad's directorial"Zee News। ১ মে ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০১৬ 
  7. "Shriya bags Most Promising Newcomer award"The Times of India। ২১ জানুয়ারি ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৮ মে ২০১৬ 
  8. "Winners at the 51st Maharashtra State Awards"The Times of India। সংগ্রহের তারিখ ৮ মে ২০১৬ 
  9. "Ekulti Ek Movie Review"The Times of India। ২৪ মে ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০১৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]