বিষয়বস্তুতে চলুন

শেহবাজ শরীফ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(শাহবাজ শরীফ থেকে পুনর্নির্দেশিত)
শেহবাজ শরীফ
২০২৪ সালে শহবাজ
২০তম পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
৪ মার্চ ২০২৪
রাষ্ট্রপতিআরিফ আলভি
আসিফ আলি জারদারি
ডেপুটিইসহাক দার
পূর্বসূরীআনোয়ারুল হক কাকার (তত্ত্বাবধায়ক)
কাজের মেয়াদ
১১ এপ্রিল ২০২২  ১৪ আগস্ট ২০২৩
রাষ্ট্রপতিআরিফ আলভি
পূর্বসূরীইমরান খান
উত্তরসূরীআনোয়ারুল হক কাকার (তত্ত্বাবধায়ক)
বিরোধীদলীয় নেতা
কাজের মেয়াদ
২০ আগস্ট ২০১৮  ১০ এপ্রিল ২০২২
রাষ্ট্রপতি
প্রধানমন্ত্রীইমরান খান
পূর্বসূরীখুরশিদ শাহ
উত্তরসূরীরাজা রিয়াজ
জাতীয় পরিষদের সদস্য
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
পূর্বসূরীনিজেই (এনএ-১৩২ (লাহোর-১০))
নির্বাচনী এলাকাএনএ-১২৩ (লাহোর-৭)
কাজের মেয়াদ
১৩ আগস্ট ২০১৮  ১০ আগস্ট ২০২৩
পূর্বসূরীখাজা সাদ রফিক (এনএ-১২৫ (লাহোর-৮))
শাজিয়া মুবারক (এনএ-১২৯ (লাহোর-১২))
সোহেল শওকত বাট (এনএ-১৩০ (লাহোর-১৩))
উত্তরসূরীনিজেই (এনএ-১২৩ (লাহোর-৭))
নির্বাচনী এলাকাএনএ-১৩২ (লাহোর-১০)
কাজের মেয়াদ
৩ নভেম্বর ১৯৯০  ১৮ জুলাই ১৯৯৩
পূর্বসূরীজাহাঙ্গীর বাদার
উত্তরসূরীকামিল আলী আগা
নির্বাচনী এলাকাএনএ-৯৬ (লাহোর-৫)
পাঞ্জাবের ১৩তম ও ১৬তম মুখ্যমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
৭ জুন ২০১৩  ৭ জুন ২০১৮
গভর্নর
পূর্বসূরীনজম শেঠি (তত্ত্বাবধায়ক)
উত্তরসূরীহাসান আসকারি রিজভী (তত্ত্বাবধায়ক)
কাজের মেয়াদ
৩০ মার্চ ২০০৯  ২৬ মার্চ ২০১৩
গভর্নর
পূর্বসূরীগভর্নরের শাসন
উত্তরসূরীনজম শেঠি (তত্ত্বাবধায়ক)
কাজের মেয়াদ
৮ জুন ২০০৮  ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯
গভর্নর
পূর্বসূরীদোস্ত মুহাম্মদ খোসা
উত্তরসূরীগভর্নরের শাসন
কাজের মেয়াদ
২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭  ১২ অক্টোবর ১৯৯৯
পূর্বসূরীমিয়ান মুহাম্মদ আফজাল হায়াত (তত্ত্বাবধায়ক)
উত্তরসূরীপারভেজ এলাহী
মুসলিম লীগ (এন)-এর সভাপতি
কাজের মেয়াদ
১৩ মার্চ ২০১৮  ১৩ মে ২০২৪
পূর্বসূরীনওয়াজ শরিফ
উত্তরসূরীনওয়াজ শরিফ
কাজের মেয়াদ
২০০৯  ২০১১
পূর্বসূরীচৌধুরী নিসার আলি খান
উত্তরসূরীনওয়াজ শরিফ
পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের বিরোধীদলীয় নেতা
কাজের মেয়াদ
১৮ অক্টোবর ১৯৯৩  ১৭ নভেম্বর ১৯৯৬
পূর্বসূরীরানা ইকরাম রব্বানি
উত্তরসূরীসাঈদ আহমেদ খান
পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৮ অক্টোবর ১৯৯৩  ৩১ মে ২০১৮
কাজের মেয়াদ
৩০ নভেম্বর ১৯৮৮  ৬ আগস্ট ১৯৯০
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মমুহাম্মদ শহবাজ শরিফ
(1951-09-23) ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৫১ (বয়স ৭৪)
লাহোর, পশ্চিম পাঞ্জাব, পাকিস্তান
জাতীয়তাপাকিস্তানি
রাজনৈতিক দলপিএমএল-এন (১৯৯৩–বর্তমান)
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
আইজেআই (১৯৮৮–১৯৯৩)
দাম্পত্য সঙ্গী
সন্তান৪, এর মধ্যে হামজা শহবাজ
পিতামাতামিয়ান মুহাম্মদ শরিফ (পিতা)
শামিম আখতার (মাতা)
আত্মীয়স্বজনশরিফ পরিবার
শিক্ষাগভর্নমেন্ট কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়, লাহোর (বি.এ.)
পেশা
  • রাজনীতিক
  • ব্যবসায়ী
স্বাক্ষর

মিয়া মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ (গুরুমুখী: شہباز شریف, উচ্চারিত [ ʃɛhˈbaːz ʃəˈriːf]; জন্ম: ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৫১) একজন পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ। তিনি ২০২৪ সালের ৪ মার্চ থেকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০২২ সালের ১০ এপ্রিল অনাস্থা ভোটে হেরে ইমরান খান ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ১১ এপ্রিল তিনি নবগঠিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তিনি ৩ মেয়াদে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।[]

তিনি বিশিষ্ট রাজনৈতিক শরীফ পরিবারের ব্যক্তিত্ব, তিনি মিয়া শরীফ (ইত্তেফাক গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা) এবং পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের ভাই, যিনি পাকিস্তান মুসলিম লিগের (এন) সভাপতিও ছিলেন। শেহবাজ শরীফ ১৯৮৮ সালে পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত হন এবং ১৯৯০ সালে জাতীয় পরিষদে নির্বাচিত হন। ১৯৯৩ সালে তিনি আবার পাঞ্জাব অধিবেশনে নির্বাচিত হন এবং বিরোধীদলীয় নেতা হন। ১৯৯৭ সালে তৃতীয়বারের মত নির্বাচন করে শরিফ ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫ তারিখে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

১৯৯৯ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর শরিফ কিছু বছর সৌদি আরবে স্ব-নির্বাসনে যান এবং ২০০৭ সালে পাকিস্তানে আসেন। ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রদেশের পিএমএল-এন বিজয়ী হওয়ার পর শরীফ দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নিন। ২০১৩ সালে তিনি তৃতীয়বার পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।[]

প্রারম্ভিক জীবন এবং শিক্ষা

[সম্পাদনা]

শেহজাদ শরীফ ১৯৫১ সালের ২৩ শে সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মোহাম্মদ শরীফ ছিলেন একজন ঊর্ধ্বতন মধ্যবিত্ত ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি, যার পরিবার কাশ্মীরে ব্যবসা করতেন এবং শেষ পর্যন্ত বিংশ শতাব্দীর শুরুতে পাঞ্জাবের অমৃতসর জেলার যাতি উমরা গ্রামে বসবাস করতেন। তার মা এর পরিবার পুলওয়ামা থেকে এসেছিলেন।[] জিন্নাহর নেতৃত্বে আন্দোলন এবং ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের পর, তার পিতা-মাতা অমৃতসর থেকে লাহোরে চলে আসেন।[] শরীফ সরকারি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়, লাহোর থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। স্নাতকের পর, তিনি তার পরিবারের মালিকানাধীন ইত্তেফাক গ্রুপে যোগদান করেন এবং ১৯৮৫ সালে লাহোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হন। শেহবাজ উর্দু, পাঞ্জাবি, সিন্ধি, ইংরেজি, জার্মানআরবি ভাষায় কথা বলতে পারেন।[]

ব্যক্তিগত জীবন

[সম্পাদনা]

তার দুই ভাই রয়েছে, আব্বাস শরীফ, এবং নওয়াজ শরীফ। নওয়াজ শরীফ পাকিস্তানের তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। তার ভাবী, কুলসুম বাট, পাকিস্তানের তিনবারের ফার্স্ট লেডী।[]

শেহবাজ প্রথমে তার চাচাত-বোন, নুসরাত শেহবাজকে বিয়ে করেন।[] এই দম্পতি ১৯৭৩ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন,[১০] এবং তাদের চারজন সন্তান রয়েছে, সালমান ও হামজা, এবং দুই কন্যা যাবেরিয়া ও রাবিয়া।[১১]

১৯৯৩ সালে তিনি দ্বিতীয় বিবাহ করেন আলিয়া হানি কে। অবশ্য এক বছর পর তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।[]

শরীফ ২০০৩ সালে তিনি তৃতীয় বার তেহমিনা দুররানি কে বিবাহ করেন, যিনি My Feudal Lord এর লেখক।[১২]

শরীফ পেশাগতভাবে একজন ব্যবসায়ী,[১৩] এবং যৌথভাবে ইত্তেফাক গ্রুপের মালিক,যেটি একটি মাল্টি মিলিয়ন-ডলারের পিন্ডীভূত লৌহ কোম্পানি।[১৪]

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

[সম্পাদনা]
এসসিও সম্মেলনে শাহবাজ শরীফ (২০২২)

প্রথম মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী

[সম্পাদনা]

১০ এপ্রিল ২০২২-এ, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রতি অনাস্থা ভোটের পরে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি হলে বিরোধী দলগুলি দ্বারা শরীফকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসাবে মনোনীত করা হয়েছিল।[১৫][১৬]

তিনি ১১ এপ্রিল ২০২২ তারিখে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।[১৭] একই দিনে তিনি শপথ গ্রহণ করেন। শপথ বাক্য পাঠ করান সিনেটের চেয়ারম্যান সাদিক সানজরানি, যিনি রাষ্ট্রপতি আরিফ আলভির পরিবর্তে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রাষ্ট্রপতি আরিফ আলভি শারীরিক "অসুবিধা" অনুভবের কারণে চিকিৎসা ছুটিতে ছিলেন।[১৮] পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট (পিডিএম)-এর সরকার দেশটির স্বাধীনতার পর থেকে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হয়। শরিফ নেতৃত্বাধীন প্রশাসন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর সঙ্গে একটি ত্রাণ চুক্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নতির আশা করেছিল।[১৯] তবে তারা শুধুমাত্র সীমিত সাড়া পায়।[২০] অন্যদিকে, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিন গ্যাং পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা নিয়ে স্পষ্ট উদ্বেগ প্রকাশ করেন, যদিও চীন তার দীর্ঘদিনের মিত্র পাকিস্তানকে অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করেছে।[২১]

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এ এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) আসিফ আলী জারদারি এবং শেহবাজ শরিফ ঘোষণা করেন যে, তাদের দলগুলো ২০২৪ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনের পর একটি জোট সরকার গঠনে সম্মত হয়েছে। পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)-এর মুখপাত্র মরিয়ম আওরঙ্গজেব জানান, "নওয়াজ শরিফের সুপারিশে শেহবাজ শরিফকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী মনোনীত করা হয়েছে।"[২২] পিপিপি নেতা বিলাওয়াল ভুট্টো বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে পিএমএল-এন প্রার্থীকে সমর্থন করবেন এবং পিপিপি পরবর্তী মন্ত্রিসভায় যোগ দেবে না।[২৩] এক জ্যেষ্ঠ পিপিপি নেতা বলেন, দলটি জোট সরকারে ন্যূনতম ভূমিকা রাখতে চায় এবং উল্লেখ করেন, "আমরা সেই বিশাল দায়িত্ব নিতে চাই না।"[২৪] বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই ব্যবস্থা সেনাবাহিনীর সমর্থন উপভোগ করছে।[২৪]

মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট – পাকিস্তান, পাকিস্তান মুসলিম লিগ (কিউ), ইস্তেহকাম-ই-পাকিস্তান পার্টি এবং বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টি একযোগে পিএমএল-এন এবং পিপিপি জোটে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করে। এর ফলে তারা জাতীয় পরিষদে সরাসরি নির্বাচিত ১৫২টি আসন ধরে রাখতে সক্ষম হবে, যা সংরক্ষিত আসনে বাড়তি অর্জনের মাধ্যমে আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।[২৫] এর জবাবে, ইমরান খান এই জোট সরকারকে "দিন-দুপুরে ডাকাতি" বলে আখ্যা দিয়ে সতর্ক করেন যে "চুরি করা ভোট দিয়ে সরকার গঠন করার দুঃসাহসিকতায় নামবেন না।"[২৬] পর্যবেক্ষকরা উল্লেখ করেছেন যে পিটিআইয়ের ক্রমবর্ধমান সমর্থন ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তন করেছে, যার ফলে শেহবাজ শরিফের নেতৃত্বাধীন সরকার শুরু হওয়ার আগেই দুর্বল মনে হচ্ছে।[২৪]

দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী

[সম্পাদনা]

৩ মার্চ ২০২৪ তারিখে শেহবাজ শরিফ দ্বিতীয় মেয়াদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হন। তিনি ২০১ ভোট পান, যেখানে পিটিআই-সমর্থিত ওমর আইয়ুব খান, যিনি পাকিস্তানের প্রথম সামরিক শাসকের নাতি, পান ৯২ ভোট। জাতীয় পরিষদে এই নির্বাচন প্রায় এক মাসের রাজনৈতিক অচলাবস্থার পর অনুষ্ঠিত হয়।[২৭]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Khan, Omer Farooq (১০ এপ্রিল ২০১০)। "Muslim law and Pakistan"The Times of India। ৩ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
  2. 1 2 Iqbal, Abdullah (৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৫)। "Shahbaz's wedding to top city socialite is talk of town"Gulf News। ১ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
  3. 1 2 "এক নজরে পাকিস্তানের ২৩তম প্রধানমন্ত্রী"দৈনিক ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ১১ এপ্রিল ২০২২
  4. "শেহবাজ শরীফ হলেন পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী"ভিওএ। সংগ্রহের তারিখ ১১ এপ্রিল ২০২২
  5. "As Nawaz Sharif becomes PM, Kashmir gets voice in Pakistan power circuit - Indian Express"archive.indianexpress.com (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০১৭
  6. Lieven, Anatol (২০১১)। Pakistan: A Hard Country (ইংরেজি ভাষায়)। PublicAffairs। আইএসবিএন ৯৭৮১৬১০৩৯০২৩১। ২৮ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৭
  7. Staff, Images (১ সেপ্টেম্বর ২০২২)। "Wild fact of the day — PM Shehbaz Sharif speaks German"Dawn News (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৪
  8. Herald (৮ আগস্ট ২০১৮)। "Kulsoom Nawaz: The silent partner"Herald Magazine (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৪
  9. Iftikhar A. Khan; Kalbe Ali (৩ জানুয়ারি ২০১৪)। "The mystery of Raiwind palace ownership"DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৭{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক)
  10. Ali, Iftikhar A. Khan | Kalbe (৩ জানুয়ারি ২০১৪)। "The mystery of Raiwind palace ownership"DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৪
  11. "Shahbaz's family arrives"DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৪। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৭
  12. "Shehbaz confirms marriage to Tehmina"Daily Times (Pakistan)। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৫। ১৭ মে ২০০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০১৭{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  13. "Shahbaz Sharif"DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ জানুয়ারি ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৭
  14. Baker, Raymond (২০০৫)। Capitalism's Achilles heel: Dirty Money and How to Renew the Free-market System। John Wiley and Sons। পৃ. ৮২–৮৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪৭১-৬৪৪৮৮-০। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০১৭
  15. "Political change in Pakistan as Shehbaz Sharif seeks to become PM"Reuters (ইংরেজি ভাষায়)। ১০ এপ্রিল ২০২২। ১১ এপ্রিল ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৪ {{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: |archive-date= / |archive-url= টাইমস্ট্যাম্প মেলেনি; 10 এপ্রিল 2022 প্রস্তাবিত (সাহায্য)
  16. "Pakistan to Vote in New PM as Ousted Khan Rallies Supporters"Bloomberg.com (ইংরেজি ভাষায়)। ১০ এপ্রিল ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৪
  17. Dawn.com (১১ এপ্রিল ২০২২)। "Shehbaz Sharif elected prime minister of Pakistan"DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৪
  18. "Shehbaz Sharif takes oath as prime minister of Pakistan"www.geo.tv (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ এপ্রিল ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৪
  19. "Pakistan faces more 'difficult choices' after pivot-to-China leak"Nikkei Asia (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৪
  20. Rafiq, Arif (১৩ জুলাই ২০২২)। "Pakistan's foreign policy reset hits a dead end"The Strategist (অস্ট্রেলীয় ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৪
  21. "IMF deal in jeopardy, only China can bailout Pakistan: Report"livemint.com। ১৪ মার্চ ২০২৩।
  22. "Pakistan's former premier Sharif and allies agree to form a coalition"AP News (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৪
  23. Hussain, Abid। "Pakistan election: PTI joins religious parties, PPP backs rival PMLN"Al Jazeera (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৪
  24. 1 2 3 Parkin, Benjamin; Bokhari, Farhan (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪)। "Pakistan's old guard confronts shock upset to Imran Khan in Punjab heartland"Financial Times। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৪
  25. Raza, Syed Irfan (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪)। "Shehbaz prevails in race for PM House"DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৪
  26. "Pakistan election: Imran Khan's rivals PML-N and PPP reach deal to form government" (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৪
  27. "শাহবাজ শরিফ: কেমন ছিল পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক পথচলা?"BBC News বাংলা। ৩ মার্চ ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৪

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]