শরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু
রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ১ম মেয়র
কাজের মেয়াদ
২০১২ – ২০১৭
প্রধানমন্ত্রীশেখ হাসিনা
উত্তরসূরীমোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা
রংপুর-১ আসনের
সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৯৯৬ – ২০০১
পূর্বসূরীকরিম উদ্দিন ভরসা
উত্তরসূরীমসিউর রহমান রাঙ্গা
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম৭ জুলাই ১৯৫২
রংপুর জেলা, পূর্ব পাকিস্তান
মৃত্যু২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ (বয়স ৬৬)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
জাতীয়তা বাংলাদেশ
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতিবিদ এবং রংপুর-১ আসনের প্রতিনিধিত্বকারী সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি ২০১২-২০১৭ চলাকালীন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

জন্ম ও শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু তিনি ১৯৫২ সালের ৭ জুলাই রংপুরের ইজ্ঞিনিয়ার পাড়ায় মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা- মৃত: মহিউদ্দীন আহমেদ, মাতা-মৃত জোবেদা খাতুন।১৯৬৭ সালে রংপুর জিলা স্কুল থেকে দুটি বিষয়ে উপর স্টার মার্ক নিয়ে মেট্রিক প্রথম বিভাগে উত্তির্ণ হন এবং প্রথম বিভাগে এইচ এস সি পাশ করেন ও রংপুর সরকারী কলেজ থেকে বি কম পাশ করেন।

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের (দশম সিটি কর্পোরেশন) প্রথম নির্বাচিত মেয়র। সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু '৮০ দশকের শুরু থেকে রাজনীতিতে জড়িত। তার দীর্ঘ রাজনীতি জীবনে তিনি ধীরে ধীরে মাঠ পর্যায় থেকে ১৯৮৭ সালে প্রথম উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং ১৯৮৭ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৯৯২ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত রংপুর পৌরসভা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।১৯৯৬ সালে জাতীয় নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১২ সালের শেষের দিকে রংপুর সিটি কর্পোরেশর প্রথম নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন এবং যথাক্রমে দেশের এই দশম সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশে এই প্রথম ব্যক্তি যিনি একাধারে উপজেলা, পৌরসভা,সংসদ সদস্য ও সিটি মেয়র নির্বাচিত হন । ২০১৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩ টা ৩০ মিনিটে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে তিনি মারা যান।

মুক্তি বাহিনী[সম্পাদনা]

সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে নিজের জীবন বাজি রেখে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে দেশকে মুক্ত করেন।