বিষয়বস্তুতে চলুন

রেল জাদুঘর, হাওড়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রেল জাদুঘর
হাওড়া রেল মিউজিয়াম
রেল জাদুঘর, হাওড়া কলকাতা-এ অবস্থিত
রেল জাদুঘর, হাওড়া
হাওড়ায় অবস্থান
স্থাপিত২০০৬; ২০ বছর আগে (2006)
অবস্থানফোরশোর রোড,
হাওড়া রেলওয়ে স্টেশন, হাওড়া, বৃহত্তর কলকাতা,
পশ্চিমবঙ্গ
স্থানাঙ্ক২২°৩৪′৪৩″ উত্তর ৮৮°২০′১৭″ পূর্ব / ২২.৫৭৮৭২৮৭° উত্তর ৮৮.৩৩৮১৫২২° পূর্ব / 22.5787287; 88.3381522
ধরনরেল
পরিচালকদেবাশীষ ঘোষাল[]
মালিকভারতীয় রেল
নিকটতম গণপরিবহন সুবিধাহাওড়া রেলওয়ে স্টেশন
ওয়েবসাইটরেল জাদুঘর - কলকাতা

রেল জাদুঘর[] হাওড়ার ফোরশোর রোডে অবস্থিত একটি জাদুঘর। এটি ভারতের রেল বিষয়ক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যাদুঘর[] এবং কলকাতা মহানগর অঞ্চলহাওড়া শহরের অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ। জাদুঘরটি ২০০৬ সালে হাওড়া রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে স্থাপন করা হয়।[] এটি হাওড়া রেল মিউজিয়াম হিসাবে অধিক পরিচিত।

জাদুঘরটি ভারতীয় রেলওয়ে দ্বারা পরিচালিত হয়। এটি সাড়ে চার একর জমিতে স্থাপন করা হয়। এখানে পূর্ব ভারতের রেল চলাচল সম্পর্কে যাবতীয় উন্নয়ন ও বিবর্তনের তথ্য প্রদর্শিত হয়।[] জাদুঘর প্রদর্শনের জন্য নিদিষ্ট প্রবেশ মূল্য নির্ধারিত রয়েছে।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

পূর্ব ভারতের প্রথম ট্রেনটি ১৮৫৪ সালের ১৫ অগস্ট হাওড়া ও হুগলির মধ্যে যাত্রা শুরু করে। সকাল সাড়ে আটটায় হাওড়া স্টেশন ছেড়ে ৯১ মিনিটে হুগলি পৌঁছেছিল ট্রেনটি। এর পরে সমগ্র ভারতের সাথে পূর্ব ভারতের রেলপথ ও রেল পরিচালনা ব্যবস্থা বহু পরিবর্তনের মধ্যদিয়ে বর্তমান অবস্থায় পৌঁছায়। জাদুঘরটি শতাব্দী প্রাচীন রেল ব্যবস্থায় ব্যবহৃত ট্রেন ও রেল ইঞ্জিন সহ বিভিন্ন সরঞ্জামসমূহ জনসাধারণের সম্মুখে তুলে ধরার জন্য ভারতীয় রেলের তত্ত্বাবধানে ২০০৬ সালে চালু হয়।

সংগ্রহ

[সম্পাদনা]
জাদুঘরে প্রদর্শিত একটি রেল ইঞ্জিন

জাদুঘরে ট্রেন চলাচলের পুরানো লন্ঠন সিগন্যাল, টেলিফোন, যন্ত্রাংশ সহ বহু উপকরণ সংগৃহীত কারা হয়েছে। এখানে পূর্ব ভারতের রেল চলাচল সম্পর্কে যাবতীয় উন্নয়ন ও বিবর্তনের তথ্য রয়েছে। এছাড়াও দেড়শ বছরের পুরনো বাষ্পীয় ইঞ্জিন, ভিন্টেজ কামরা রয়েছে।[]

এখানে কবিগুরু এক্সপ্রেস- সহ বিভিন্ন এক্সপ্রেস ট্রেনের প্রতিরূপ-সংস্করণ সংরক্ষিত হয়েছে। জাদুঘরে হিন্দি চলচ্চিত্র পরিনীতা অন্তর্গত ‘কস্ত মজা’ গানের দৃশ্যায়নে ব্যবহৃত স্টিম ইঞ্জিনটি স্থান লাভ করেছে।[]

জাদুঘরে হাওড়া স্টেশনের আদলে নির্মিত ভবন রয়েছে। জাদুঘরে টয় ট্রেনের ব্যবস্থা রয়েছে।[]

প্রদর্শনী

[সম্পাদনা]
ট্রয় ট্রেন
  • ডব্লিউসিএম-৫ রেল ইঞ্জিন- ভারতে নির্মিত প্রথম ব্রডগেজ বৈদ্যুতিক লোকোমোটিভ।
  • এইচপিএস-৩২ - ইস্ট পাকিস্তান রেলওয়ের একটি ইঞ্জিন। ভারতীয় সেনা ১৯৭১-এর ভারত-পাক যুদ্ধের সময় এই পাক ইঞ্জিনটি আটক করে।
  • ইন্দ্রপ্রস্থ - পরিষেবা প্রদান থেকে অবসরকারী ভারতীয় রেলের প্রাচীনতম লোকোমোটিভ।

প্রদর্শনের সময় ও প্রবেশ মূল্য

[সম্পাদনা]

জাদুঘরটি রবিবার, সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার ও শুক্রবার, শনিবার জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে। সকাল ১০:৩০ ঘটিকা থেকে বিকাল ৫:৩০ ঘটিকা পর্যন্ত খোলা রাখা হয়।[]

জাদুঘরে প্রবেশের জন্য প্রবেশ মূল্য নির্ধারিত রয়েছে। নির্ধারিত মাথাপিছু প্রবেশ মূল্য ৩০ টাকা।[]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 4 "রেল জাদুঘর- কলকাতা"www.museumsofindia.org। ২১ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ এপ্রিল ২০২১
  2. 1 2 3 4 "জাদুঘরের রেলগাড়িটা, অস্তাচলে ঘড়ির কাঁটা…"। bengali.indianexpress.com। ১০ মার্চ ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২১ এপ্রিল ২০২১
  3. 1 2 "খুলছে হাওড়ার রেল মিউজিয়াম, মানতে হবে কোভিড বিধি"। www.kolkata24x7.com। ২১ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ এপ্রিল ২০২১

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]