রুকইয়াহ শারইয়াহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search

রুকইয়া, রুকইয়াহ, রুকিয়া, রুকিয়াহ, রুকাইয়া সহ বিভিন্ন উচ্চারণ প্রচলিত রয়েছে, যার মূল হচ্ছে আরবি শব্দ (رقية)

রুকইয়াহ কী?[সম্পাদনা]

রুকইয়াহ অর্থঃ ঝাড়ফুঁক করা, মন্ত্র পড়া, তাবিজ-কবচ, মাদুলি... ইত্যাদি [১]

আর রুকইয়াহ শারইয়্যাহ (رقية شرعية) মানে শরিয়াত সম্মত রুকইয়াহ, কোরআনের আয়াত অথবা হাদিসে বর্ণিত দোয়া দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা [২]

তবে রুকইয়া শব্দটি দ্বারা সচরাচর ঝাড়ফুঁক করা বুঝায়, এই ঝাড়ফুঁক সরাসরি মানুষের ওপর হতে পারে, অথবা কোনো পানি বা খাদ্যের ওপর করে সেটা ব্যবহার করা হতে পারে। এক্ষেত্রে রুকইয়ার পানি, অথবা রুকইয়ার গোসল ইত্যাদি পরিভাষা ব্যবহার হয়। আর সবগুলোই সালাফে সালেহিন থেকে প্রমাণিত।

ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি[সম্পাদনা]

শরঈ বিধান[সম্পাদনা]

রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "রুকইয়াতে যদি শিরক না থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।”[৩]

বিশুদ্ধ আক্বিদা[সম্পাদনা]

উলামায়ে কিরামের মতে রুকইয়া করার পূর্বে এই আক্বিদা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়া উচিত ‘রুকইয়া বা ঝাড়ফুঁকের নিজস্ব কোনো ক্ষমতা নেই, সব ক্ষমতা আল্লাহ তা’আলার, আল্লাহ চাইলে শিফা হবে, নইলে নয়।’

শিরকি রুকইয়াহ[সম্পাদনা]

অনেক পথভ্রষ্ট কবিরাজ নিজেদের যাদুটোনার তাবিজকে রুকইয়া বলে প্রচার করে থাকে, যেগুলোকে বলা হয় রুকইয়াহ শিরকিয়্যাহ।[৪]

রুকইয়া প্রকারভেদ[সম্পাদনা]

বিভিন্ন ভাবে রুকইয়া করা হয়, যেমনঃ দোয়া বা আয়াত পড়ে ফুঁ দেয়া হয়, মাথায় বা আক্রান্ত স্থানে হাত রেখে পড়া হয়। এছাড়া পানি, তেল, খাদ্য বা অন্য কিছুতে দোয়া/আয়াত পড়ে ফুঁ দিয়ে খাওয়া বা ব্যবহার করা হয়। [৫]

রুকইয়ার পূর্বশর্ত[সম্পাদনা]

রুকইয়া করে উপকার পাওয়ার জন্য তিনটি জিনিসের প্রয়োজন

  • নিয়্যাত (কেন রুকইয়া করছেন, সেজন্য নির্দিষ্টভাবে নিয়াত করা)
  • ইয়াক্বিন (এব্যাপারে ইয়াকিন রাখা যে, আল্লাহর কালামে শিফা আছে)
  • মেহনত (অনেক কষ্ট হলেও, সুস্থ হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধরে রুকইয়া চালিয়ে যাওয়া)

লক্ষণীয়ঃ রুকইয়া থেকে পুর্ণ ফায়দা পাওয়ার জন্য দৈনন্দিনের ফরজ ইবাদাত অবশ্যই পালন করতে হবে, পাশাপাশি সুন্নাতের প্রতিও যত্নবান হতে হবে। (যেমনঃ প্রতিদিনের নামাজ, মেয়েদের পর্দার বিধান) যথাসম্ভব গুনাহ থেকে বাঁচতে হবে। ঘরে কোনো প্রাণীর ছবি / ভাস্কর্য রাখা যাবেনা। আর সুরক্ষার জন্য সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো[৬] অবশ্যই করতে হবে। আর ইতিমধ্যে শারীরিক ক্ষতি হয়ে গেলে, সেটা রিকোভার করার জন্য রুকইয়ার পাশাপাশি ডাক্তারের চিকিৎসাও চালিয়ে যেতে হবে।

বদনজর এর জন্য রুকইয়াহ[সম্পাদনা]

যদি বুঝা যায় অমুকের জন্য নযর লেগেছে, তাহলে তাকে অযু করতে বলুন, এবং ওযুর পানি গুলো আক্রান্তের গায়ে ঢেলে দিন। তারপর ভালো পানি দিয়ে গোসল করুন। এতটুকুতেই ভালো হয়ে যাবে ইনশা-আল্লাহ। [৭]

আর সেলফ রুকইয়া (নিজের জন্য নিজের রুকইয়া করা) হচ্ছে, প্রথমে বদনজরের রুকইয়ার তিলাওয়াত এক বা একাধিকবার শুনতে হবে। (ডাউনলোড পেইজ দ্রষ্টব্য[৮]) আর রুকইয়ার গোসল করবেন। সমস্যা সমাধান না হওয়া অব্দি এভাবে প্রতিদিন করবেন।

এজন্য ৩ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত লাগতে পারে। কখনো একদিনেও ভালো হয়ে যায়, তবে ভালো হওয়ার পর আরও কয়েকদিন করা উচিত।[৯]

রুকইয়ার গোসল[সম্পাদনা]

গোসলের নিয়মঃ একটা বালতিতে পানি নিবেন, তারপর ওই পানিতে দুইহাত ডুবিয়ে

  1. দরুদ শরিফ
  2. সুরা ফাতিহা
  3. আয়াতুল কুরসি
  4. সুরা ইখলাস
  5. সুরা ফালাক্ব
  6. সুরা নাস
  7. শেষে আবার কোনো দরুদ শরিফ

সবগুলো ৭ বার করে পড়বেন। পড়ার পর হাত উঠাবেন, এবং পানি দিয়ে গোসল করবেন। (এগুলা পড়ে পানিতে ফু দিবেন না, এমনিই গোসল করবেন। যদি টয়লেট আর গোসলখানা একসাথে হয় তখন এসব অবশ্যই বাহিরে এনে পড়বেন। প্রথমে এই পানি দিয়ে গোসল করে তারপর অন্য পানি দিয়ে ইচ্ছামত গোসল করবেন।)

জিন আসরের জন্য রুকইয়াহ (জিন ছাড়ানোর পদ্ধতি)[সম্পাদনা]

যিনি রুকইয়া করবেন তিনি প্রথমে সুরা ইখলাস, ফালাক, নাস পড়ে হাতে ফুঁ দিয়ে নিজের শরীরে হাত বুলিয়ে নিবেন। এরপর রুকইয়া শুরু করবেন। জ্বিনের রুগীর ক্ষেত্রে সাধারণত কথাবার্তা বলে জ্বিন বিদায় করতে হয়, এক্ষেত্রে যিনি রুকইয়া করবেন তাঁকে উপস্থিতবুদ্ধির পরিচয় দিতে হবে। ঘাবড়ানো যাবেনা। রুগীর মাথায় হাত রেখে অথবা (গাইরে মাহরাম হলে) পাশে বসে জোর আওয়াজে রুকইয়ার আয়াতগুলো পড়তে থাকুন।

রুকইয়ার অনেক আয়াত আছে, তবে স্বাভাবিকভাবে

  • সুরা ফাতিহা
  • আয়াতুল কুরসি
  • সুরা বাকারার শেষ ২ আয়াত
  • সুরা ফালাক
  • সুরা নাস
  • সুরা মু’মিনুনের ১১৫-১১৮ নং আয়াত
  • সুরা সফফাতের প্রথম ১০ আয়াত

পড়তে পারেন। ইনশাআল্লাহ যথেষ্ট হবে। জ্বিন ছেড়ে দেয়া পর্যন্ত এগুলো বারবার পড়তে হবে আর ফুঁ দিতে হবে, অথবা রুগীর মাথায় হাত রেখে পড়তে হবে। তাহলে ইনশাআল্লাহ জ্বিন পালাতে বাধ্য হবে।

বাড়িতে জ্বিনের উৎপাত থাকলে[সম্পাদনা]

বাড়িতে জ্বিনের কোনো সমস্যা থাকলে পরপর তিনদিন পূর্ন সুরা বাক্বারা তিলাওয়াত করুন, এরপর আযান দিন। তাহলে ইনশাআল্লাহ সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে। তিলাওয়াত না করে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কয়েকবার যদি সুরা বাক্বারা প্লে করা হয় তাহলেও ফায়দা পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ। তবে সবচেয়ে ভালো ফল পেলে তিলাওয়াত করা উচিত। এরপর প্রতিমাসে অন্তত এক দুইদিন সুরা বাকারা পড়বেন। আর ঘরে প্রবেশের সময়, বের হবার সময়, দরজা-জানালা বন্ধের সময় বিসমিল্লাহ বলবেন। তাহলে ইনশাআল্লাহ আর কোন সমস্যা হবে না।

ওয়াসওয়াসা (OCD) রোগের জন্য রুকইয়াহ[সম্পাদনা]

  1. এই দোয়াটি বেশি বেশি পড়া। প্রতিদিন ১০০বার। কম হলেও ৩৩বার। أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ، مِنْ غَضَبِهٖ وَعِقَابِهِ، وَشَرِّ عِبَادِهِ، وَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِيْنِ، وَأَنْ يَّحْضُرُوْنِ
  2. আয়াতুল হারক (আযাব এবং জাহান্নাম সংক্রান্ত আয়াত) বেশি বেশি তিলাওয়াত করা। এবং প্রতিদিন ৩-৪বার এসবের তিলাওয়াত শোনা। (ডাউনলোড পেইজ দ্রষ্টব্য[৮])
  3. নাপাক থেকে বেচে থাকা, বিশেষত প্রসাবের ছিটা থেকে বাচা। যথাসম্ভব সর্বদা ওযু অবস্থায় থাকা।
  4. জামাআতের সাথে নামাজ পড়া, মুত্তাকী পরহেজগারদের সাথে উঠাবসা করা।
  5. সকাল-সন্ধ্যায় ও ঘুমের আগের আমলগুলো গুরুত্বের সাথে করা। টয়লেটে প্রবেশের দোয়া পড়া।[৬]

যাদু / বান মারা / তাবিজ করা ব্যক্তির জন্য রুকইয়াহ[সম্পাদনা]

যাদুর প্রকারভেদ অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকার রুকইয়া করা হয়। তবে কমন সেলফ রুকইয়া হচ্ছে, প্রথমে সমস্যার জন্য নিয়াত ঠিক করে নিন, ইস্তিগফার দরুদ শরিফ পড়ে শুরু করুন। তারপর কোন রুকইয়া শুনে নিশ্চিত হয়ে নিন আসলেই সমস্যা আছে কি না! শাইখ সুদাইসের রুকইয়া অথবা সিহরের রুকইয়া শুনতে পারেন (ডাউনলোড পেইজ দ্রষ্টব্য[৮])। সবশেষে একটি বোতলে পানি নিন, এরপর-

  1. সুরা আ'রাফ ১১৭-১২২
  2. ইউনুস ৮১-৮২
  3. সুরা ত্বহা ৬৯" আয়াতগুলো পড়ে ফুঁ দিন
  4. শেষে সুরা ফালাক্ব, সুরা নাস ৩বার পড়ে ফুঁ দিন।
১.[১০]

وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ ۖ فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ (117) فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ (118) فَغُلِبُوا هُنَالِكَ وَانقَلَبُوا صَاغِرِينَ (119) وَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِينَ (120)قَالُوا آمَنَّا بِرَبِّ الْعَالَمِينَ (121) رَبِّ مُوسَىٰ وَهَارُونَ (122)

২.[১১]

فَلَمَّا أَلْقَوْا قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ السِّحْرُ ۖ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ ۖ إِنَّ اللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ (81) وَيُحِقُّ اللَّهُ الْحَقَّ بِكَلِمَاتِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُجْرِمُونَ (82)

৩.[১২]

وَأَلْقِ مَا فِي يَمِينِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوا ۖ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ ۖ وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَىٰ (69)

তিন থেকে সাতদিন সকাল-বিকাল এই পানি খেতে হবে, আর গোসলের পানিতে মিশিয়ে গোসল করতে হবে। আর ৩/৪ সপ্তাহ প্রতিদিন কমপক্ষে দুইঘণ্টা রুকইয়া শুনতে হবে। একঘণ্টা সাধারণ রুকইয়া, আর একঘণ্টা সুরা ইখলাস, ফালাক, নাসের রুকইয়াহ। (অডিওর জন্য ডাউনলোড পেইজ দ্রষ্টব্য[৮]) আর পাশাপাশি তাহাজ্জুদ পড়ে আল্লাহর কাছে দোআ করতে হবে।

বেশীরভাগ ক্ষেত্রে প্রথম সপ্তাহেই উন্নতি টের পাওয়া যায়, তবে এরপরের কয়েক সপ্তাহ একঘন্টা করে হলেও রুকইয়া শুনে যেতে হবে। বাদ দেয়া যাবে না। তাহলে ইনশাআল্লাহ খুব দ্রুতই সুস্থ হয়ে যাবে। সমস্যা যদি দুই-তিন সপ্তাহ পরেও ভালো না হয়, তবে আবার অনুরূপ করতে হবে।

যাদুর জিনিশ অথবা তাবিজ খুঁজে পেলে[সম্পাদনা]

কি দিয়ে যাদু করেছে যদি পাওয়া যায়, অথবা সন্দেহজনক কোন তাবিজ পেলে উপরে বলা আয়াতগুলো পড়ে পানিতে ফুঁ দিন, এরপর তাবিজ অথবা যাদুর জিনিশগুলো ডুবিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ, তাহলে ইনশাআল্লাহ যাদু নষ্ট হয়ে যাবে। পরে সেগুলো পুড়িয়ে বা নষ্ট করে দিন। [১৩]

যাদু আক্রান্ত হলে বুঝার উপায়[সম্পাদনা]

রুকইয়ার আয়াতগুলো যাদু আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর পড়লে, অথবা রুকইয়ার আয়াতের অডিও শুনলে যাদুগ্রস্তের অস্বাভাবিক অনুভূতি হয়। যেমন, প্রচণ্ড মাথা ব্যথা, পেট ব্যথা, বুক ধড়ফড় করা ইত্যাদি।

রুকইয়ার আয়াত[সম্পাদনা]

কোরআন মাজিদের বিভিন্ন আয়াত দ্বারা রুকইয়া করা হয়, তন্মধ্যে প্রসিদ্ধ কিছু আয়াত হচ্ছে[১৪]

  1. সুরা ফাতিহা
  2. সুরা বাকারা ১-৫
  3. সুরা বাকারাহ ১০২
  4. সুরা বাকারাহ ১৬৩-১৬৪
  5. সুরা বাকারাহ ২৫৫
  6. সুরা বাকারাহ ২৮৫-২৮৬
  7. সুরা আলে ইমরান ১৮-১৯
  8. সুরা আ'রাফ ৫৪-৫৬
  9. সুরা আ'রাফ ১১৭-১২২
  10. সুরা ইউনুস ৮১-৮২
  11. সুরা ত্বহা ৬৯
  12. সুরা মু'মিনুন ১১৫-১১৮
  13. সুরা সফফাত ১-১০
  14. সুরা আহকাফ ২৯-৩২
  15. সুরা আর-রাহমান ৩৩-৩৬
  16. সুরা হাশর ২১-২৪
  17. সুরা জিন ১-৯
  18. সুরা ইখলাস
  19. সুরা ফালাক
  20. সুরা নাস

সবগুলো আয়াত একত্রে পিডিএফ রয়েছে উইকিমিডিয়ায়[১৫]

রুকইয়ার সাধারণ আয়াতসমূহ.pdf

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "আল-মা'আনি অভিধান" 
  2. "উইকিপিডিয়া আরবি" 
  3. সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ইফাঃ ৫৫৪৪, ইসলাম ওয়েব ২২০০) 
  4. "রুকইয়াহ আশ-শিরকিয়্যাহ" 
  5. "প্রবন্ধঃ মুখতাসার রুকইয়াহ শারইয়্যাহ (তৃতীয় সংস্করণ)" 
  6. "[প্রবন্ধ] জিন এবং যাদুর ক্ষতি থেকে বাচার উপায়" 
  7. সুনান আন-নাসাঈ, সুনানে ইবনে মাজাহ্‌ 
  8. "ডাউনলোডঃ রুকইয়াহ আশ-শারইয়্যাহ" 
  9. ৫ম পদ্ধতি। "বদনজরের জন্য চিকিৎসা" 
  10. সুরা আরাফ, আয়াত ১১২-১১৭ 
  11. সুরা ইউনুস, আয়াত ৮১-৮২ 
  12. সুরা ত্বহা, আয়াত ৬৯ 
  13. "রুকইয়াহ শারইয়াহ সিরিজ"। Abdullah Almahmud। 
  14. الصارم البتار في التصدي للسحرة الأشرار (২০তম সংস্করণ)। মিসর: শাইখ ওয়াহিদ বিন আব্দুস সালাম। 
  15. "রুকইয়ার_সাধারণ_আয়াতসমূহ pdf" (PDF)