রিদম এ্যান্ড ব্লুজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রিদম এ্যান্ড ব্লুজ
শৈলীগত সূত্রপাত জ্যাজ সঙ্গীত
ব্লুজ
সাংস্কৃতিক সূত্রপাত ১৯৪০-এর দশক-১৯৫০-এর দশক,আমেরিকা
সংশ্লিষ্ট বাদ্যযন্ত্র ড্রাম - ডাবল বেজ - স্যাক্সোফোন - পিয়ানো - ইলেকট্রিক গিটার
উদ্ভূত শাখা ফাঙ্ক - স্কা - সোল - রক এ্যান্ড রোল

রিদম এ্যান্ড ব্লুজ (ইংরেজি: Rhythm and blues) এক ধরনের আফ্রিকান আমেরিকান গানের ধারা যা ১৯৪০-এর দশকে জন্ম লাভ করে।[১] বিলবোর্ড ম্যাগাজিনের জেরি ওয়েক্সলার ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় রিদম এ্যান্ড ব্লুজ শব্দটি ব্যবহার করেন সাংগীতিক বাণিজ্যিক একটা শব্দ হিসেবে। আফ্রিকান আমেরিকানদের অভিবাসন ১৯৩০-এর দশকে শিকাগো, নিউইয়র্ক, লস এঞ্জেলেসে শহুরে সঙ্গীতের যেমন জ্যাজ সঙ্গীত, ব্লুজের একটা চাহিদা সৃস্টি করে। জ্যাজ সঙ্গীত, ব্লুজ জাতের সঙ্গীত থেকে আস্তে আস্তে সৃস্টি হয় রিদম এ্যান্ড ব্লুজ সঙ্গীত ধারার। ইলেকট্রিক গিটার ক্রমশঃ মূল বাদ্যযন্ত্র হয়ে উঠছে পিয়ানোস্যাক্সোফোনের সাথে সাথে।[২]

১৯৪৮ সালে আরসিএ ভিক্টর কালোদের সংগীতকে ব্লুজ এ্যান্ড রিদম নামে বাজারজাত করেন। সেই বছরই লুইস জর্ডান ১ম পাঁচটা আর এ্যান্ড বি গানের তালিকা তৈরি করেন যেখানে দুইটা গান বুগী-উগি রিদমে করা হয়েছিল এবং ১৯৪০-এর দশকে গানগুলো বিখ্যাত হয়ে ওঠে।[৩] জর্ডানের ব্যান্ড ট্যাম্পানি ফাইভ, যা ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত সেখানে তিনি ভোকাল ও স্যাক্সোফোনে ছিলেন এবং অন্যান্য মিউজিশিয়ানদের মধ্যে কেউ কেউ ছিলেন ট্রাম্পেটে, টেনর স্যাক্সোফোনে, পিয়ানোতে, বেজে ও ড্রামসে।[৪][৫] লরেন্স কনের মতে, তাদের সঙ্গীত ছিল বুগী সময়ের জ্যাজে রঞ্জিত ব্লুজের চেয়ে দৃঢ়তাসম্পন্ন।[৬] রিদম এ্যান্ড ব্লুজ -এর দ্রুত সফলতা শুরু হয় তুত্তি ফ্রুত্তি ও লং টল স্যালি ব্যান্ডের মাধ্যমে যারা প্রভাবিত করেছিলেন জেমস ব্রাউন, এলভিস প্রেসলি এবং অতিস রেদ্দিংকে। ১৯৫৭ সালে এলভিস প্রেসলি-এর দু’টি গান আর এ্যান্ড বি গানের তালিকার ১ম পাঁচটা গানে চলে আসে। জেইলহাউজ রক এক নাম্বারে ও অল শুক আপ গানটি পাঁচ নাম্বারে চলে আসে। এমন এক সঙ্গীত ধারা যা কালোদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত সেখানে অ-আফ্রিকান-আমেরিকান গায়কের গানের গ্রহণযোগ্যতা বিস্ময়কর ছিল।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. The new blue music: changes in rhythm & blues, 1950–1999, p.172
  2. Tad Richards, "Rhythm and Blues", St. James Encyclopedia of Pop Culture, 2002
  3. [১] "Hot R&B/Hip-Hop Songs 1947"]। Billboard। সংগৃহীত ২০০৭-১২-২৩ 
  4. [২][অকার্যকর সংযোগ]
  5. "Louis Jordan at All About Jazz"। Allaboutjazz.com। সংগৃহীত ২০১০-০১-০৭ 
  6. Cohn, Lawrence; Aldin, Mary Katherine; Bastin,Bruce। Nothing but the Blues: The Music and the Musicians। Abbeville Press। পৃ: ১৭৩।  |origmonth= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য); |coauthors= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য); |isdn= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]