মেঘের পরে মেঘ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মেঘের পরে মেঘ
মেঘের পরে মেঘ ছবির প্রচ্ছদ.jpg
ডিভিডি কভার
পরিচালকচাষী নজরুল ইসলাম
প্রযোজকফরিদুর রেজা সাগর
ইবনে হাসান খান (ইমপ্রেস টেলিফিল্ম)
রচয়িতাওয়াকিল আহমেদ
রাবেয়া খাতুন (উপন্যাস)
শ্রেষ্ঠাংশেরিয়াজ
পূর্ণিমা
মাহফুজ আহমেদ
শহিদুল আলম সাচ্চু
সুরকারইমন সাহা
চিত্রগ্রাহকমুজিবুল হক ভুঁইয়া
সম্পাদকআতিকুর রহমান মল্লিক
পরিবেশকইমপ্রেস টেলিফিল্ম
মুক্তি২০০৪
দৈর্ঘ্য১৫০ মিনিট
দেশ বাংলাদেশ
ভাষাবাংলা ভাষা

মেঘের পরে মেঘ ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র[১] বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত এই ছবিটি প্রয়াত অভিনেতা ওয়াসিমুল বারী রাজিব এর উদ্দেশ্বে উত্সর্গ করা হয়। বিশিষ্ট কথা শিল্পি রাবেয়া খাতুন এর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করা হয় এই ছবিটি। এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ভিত্তিক এই ছবিতে অভিনেতা রিয়াজ দৈত্ চরিত্রে অভিনয় করেন এবং তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন পূর্ণিমা

কাহিনী সংক্ষেপ[সম্পাদনা]

১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশের ছোট্ট শান্ত ও নিরিবিলি একটি গ্রাম। মুক্তিযুদ্ধের সময় লন্ডভন্ড এই গ্রামের পটচিত্র। সেই গ্রামেরই এক সন্তান “স্বাধীন মাহমুদ” একদিন জানতে চায় তার পিতৃ পরিচয়। তার জন্ম যুদ্ধ জয়ের পরপরই। প্রশ্ন উঠে কে তার পিতা? মুক্তিযোদ্ধা “সেজান মাহমুদ” (রিয়াজ) নাকি ঘাতক দালাল রাজাকার “মজিদ” (রিয়াজ) নাকি পাকিস্তানী ক্যাপ্টেন “সাদেক”? এই তিনটি চরিত্রের মধ্যে দিয়ে উঠে এসেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের দুঃসহ স্মৃতি। মা “সুরাইয়া”র (পূর্ণিমা) কাছে সন্তান স্বাধীন জানতে চায়, তার জন্মের প্রকৃত ইতিহাস। যেন একজন সন্তান নয় বাংলাদেশের জন্মেরও ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে 'মেঘের পরে মেঘ' ছবিতে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং যুদ্ধত্তর সময় কালের পটভূমিকায় দেশপ্রেম, ভালোবাসা এবং ত্যাগের বীরত্ব বিস্তৃত হয়েছে ছবিটিতে।

শ্রেষ্ঠাংশে[সম্পাদনা]

সংগীত[সম্পাদনা]

মেঘের পরে মেঘ ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন ইমন সাহা।

সাউন্ড ট্র্যাক[সম্পাদনা]

বক্স অফিস[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. প্রকাশকঃ দ্য ডেইলি স্টার, এপ্রিল ০২, ২০০৪ মেঘের পরে মেঘ ফাইজুল এ তানিম ও সৈয়দ তাশফিন চৌধুরী, সংগৃহীত হয়েছেঃ এপ্রিল ১২, ২০১১

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]