মাহমুদ আব্বাস
মাহমুদ আব্বাস | |
|---|---|
مَحْمُود عَبَّاس | |
২০২৪ সালে আব্বাস | |
| ২য় ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রপতি | |
দায়িত্বাধীন | |
| অধিকৃত কার্যালয় ২৩ নভেম্বর ২০০৮[ক] | |
| প্রধানমন্ত্রী | সালাম ফাইয়াদ রামি হামদাল্লাহ মোহাম্মদ শতায়েহ মোহাম্মদ মুস্তাফা |
| পূর্বসূরী | ইয়াসির আরাফাত রুহি ফাত্তুহ (অস্থায়ী) |
| ২য় ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট | |
দায়িত্বাধীন | |
| অধিকৃত কার্যালয় ১৫ জানুয়ারি ২০০৫[খ] | |
| প্রধানমন্ত্রী | আহমেদ কুরেই নাবিল শাথ (অস্থায়ী) আহমেদ কুরেই ইসমাইল হানিয়া সালাম ফাইয়াদ[গ] |
| পূর্বসূরী |
|
| ৪র্থ ফিলিস্তিনি মুক্তি সংস্থার চেয়ারম্যান | |
দায়িত্বাধীন | |
| অধিকৃত কার্যালয় ১১ নভেম্বর ২০০৪[ঘ] | |
| পূর্বসূরী | ইয়াসির আরাফাত |
| ১ম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী | |
| কাজের মেয়াদ ১৯ মার্চ ২০০৩ – ৬ সেপ্টেম্বর ২০০৩[৩] | |
| রাষ্ট্রপতি | ইয়াসির আরাফাত |
| পূর্বসূরী | পদটি প্রতিষ্ঠিত হয় |
| উত্তরসূরী | আহমেদ কুরেই |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | মাহমুদ রিদা আব্বাস ১৫ নভেম্বর ১৯৩৫ সাফেদ, বাধ্যতামূলক ফিলিস্তিন (বর্তমানে ইসরায়েল) |
| রাজনৈতিক দল | ফাতাহ |
| দাম্পত্য সঙ্গী | আমিনা আব্বাস |
| সন্তান | ৩, যার মধ্যে একজন ইয়াসির |
| বাসস্থান | রামাল্লাহ, পশ্চিম তীর[৪] |
| প্রাক্তন শিক্ষার্থী | |
মাহমুদ আব্বাস (আরবি: مَحْمُود عَبَّاس, Maḥmūd ʿAbbās; জন্ম: ২৬ মার্চ ১৯৩৫), এছাড়া তিনি কুনিয়াত আবু মাজেন নামেও পরিচিত (আরবি: أَبُو مَازِن, 'Abū Māzin), হলেন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ও ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষের রাষ্ট্রপতি।[৫] তিনি ১১ নভেম্বর ২০০৪ থেকে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) এর সভাপতি এবং ১৫ জানুয়ারি ২০০৫ থেকে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রপতি (১৫ জানুয়ারি ২০০৫ থেকে ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষের এবং ৮ মে ২০০৫ থেকে ফিলিস্তিনের)। আব্বাস ফাতাহ পার্টির একজন সদস্য।
মাহমুদ আব্বাস ২০০৩ সালের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এর পূর্বে তিনি পিএলও সমঝোতা বিষয়ক অধিদপ্তরের নেতৃত্বে ছিলেন।
ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা]মাহমুদ আব্বাস ১৯৩৫ সালের ২৬ মার্চ মেন্ডটরি ফিলিস্তিনের (বর্তমানে ইসরায়েল) গালিলি অঞ্চলের সফেদে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৮ ফিলিস্তিন যুদ্ধের সময় তার পরিবার সিরিয়াতে গমনে করে। মিশরে যাওয়ার পূর্বে আব্বাস দামেস্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছিলেন, সেখানে তিনি আইন বিষয়ে পড়াশুনা করেন।
রাষ্ট্রপতিত্ব
[সম্পাদনা]আব্বাসের শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহবান সত্ত্বেও নির্বাচনের পর সশস্ত্র গোষ্ঠীর অব্যাহত আক্রমণ তার কর্তৃত্বের একটি সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছিল। ফিলিস্তিনের ফিলিস্তিনি ইসলামী জিহাদ আন্দোলন ১২ জানুয়ারি ২০০৫ সালে একটি অভিযান শুরু করে, যাতে ১ জন ইসরায়েলি নিহত ও তিনজন আহত হয়। ১৩ জানুয়ারি ফিলিস্তিনি আল আকসা মার্টিয়ার্স ব্রিগেড, হামাস ও পপুলার রিসাইডেন্স কমিটি] কার্নি ক্রসিংয়ে আত্মঘাতী হামলা পরিচালনা করে ছয়জন ইসরায়েলিকে হত্যা করে। এর ফলে ইসরায়েল ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনাল বন্ধ করে দেয় এবং আব্বাস ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে, জানায় যে, আব্বাসকে এসব হামলা বন্ধের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ মনোভাব দেখাতে হবে। ১৫ জানুয়ারি, আব্বাস পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ শহরে এক জমকালো অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন।
২০০৫ সালের ৯ আগস্ট, আব্বাস আইনসভা নির্বাচনের ঘোষণা দেন, যা মূলত ১৭ জুলাই হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয়। ২০ আগস্ট তিনি ২৫ জানুয়ারি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
১৫ জানুয়ারি ২০০৬ সালে আব্বাস চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয় যে গাজায় অস্থিরতা সত্ত্বেও নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন হবে না, যদি না পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের ভোট দান প্রতিরোধ করার সিন্ধান্ত দিয়েছিল। নির্বাচনে হামাস সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী হয়।
১৬ জানুয়ারি ২০০৬ তারিখে আব্বাস ঘোষণা করে যে সে তার দায়িত্বে দ্বিতীয় মেয়াদে আসতে পারবে না।
২০০৯ সালের ৯ জানুয়ারি মাহমুদ আব্বাসের প্রকৃত নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হয়।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;Jpost 2009নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;unityনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;ap_060903নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;Britannicaনামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ "Current talks 'last chance' for just peace with Israel, Palestinian leader tells UN"। United Nations News Centre। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ↑ অস্থায়ী: ১৫ জানুয়ারি ২০০৫ – ২৩ নভেম্বর ২০০৮
- ↑ আব্বাসের প্রেসিডেন্ট হিসেবে মেয়াদ ১৫ জানুয়ারি ২০০৯-এ শেষ হয়। এরপর আজিজ দুয়াইককে গাজার হানিয়া সরকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, আর পশ্চিম তীরের ফাইয়াদ সরকার, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া রাষ্ট্রসমূহ এবং জাতিসংঘ আব্বাসকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।[১] এপ্রিল ২০১৪-তে ঐক্য সরকারের পরিপ্রেক্ষিতে হানিয়া আব্বাসকে স্বীকৃতি দেন।[২]
- ↑ ২০১৩ সালে ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষের প্রধানমন্ত্রী পদটি বিলুপ্ত হয় এবং এর পরিবর্তে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী পদ চালু হয়। আব্বাসের শাসনকালে ফাইয়াদ এই পূর্ববর্তী পদটির শেষ ব্যক্তি ছিলেন।
- ↑ অস্থায়ী: ২৯ অক্টোবর – ১১ নভেম্বর ২০০৪
<ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="lower-alpha"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি- ১৯৩৫-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- ফাতাহর সদস্য
- ফিলিস্তিনি আইন পরিষদের সদস্য
- ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী
- ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তু
- ফিলিস্তিনি সুন্নি মুসলিম
- ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষের প্রধানমন্ত্রী
- ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষের রাষ্ট্রপতি
- ফাতাহ সদস্য
- দামেস্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রপতি
- ২১শ শতাব্দীর ফিলিস্তিনি রাজনীতিবিদ