মাহবুব আলি খান, ষষ্ঠ আসাফ জাহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মীর মাহমুব আলি খান
మీర్ మహబూబ్ ఆలీ ఖాన్
ষষ্ঠ আসাফ জাহ
রাজত্বকাল১৮৬৯–১৯১১
জন্ম১৭ আগস্ট ১৮৬৬
জন্মস্থানপুরানি হাভেলি, হায়দ্রাবাদ, হায়দ্রাবাদ রাজ্য, ব্রিটিশ ভারত
(বর্তমান তেলেঙ্গানা, ভারত)
মৃত্যু২৯ আগস্ট ১৯১১ (৪৫ বছর)
মৃত্যুস্থানফালাকনুমা প্রাসাদ, হায়দ্রাবাদ, হায়দ্রাবাদ রাজ্য, ব্রিটিশ ভারত
(বর্তমান তেলেঙ্গানা, ভারত)
সমাধিস্থলমক্কা মসজিদ, হায়দ্রাবাদ, হায়দ্রাবাদ রাজ্য, ব্রিটিশ ভারত
(বর্তমান তেলেঙ্গানা, ভারত)
পূর্বসূরিআফজালউদ্দৌলা, পঞ্চম আসাফ জাহ
উত্তরসূরিউসমান আলি খান, সপ্তম আসাফ জাহ
দাম্পত্যসঙ্গীআমাত উজ-জাহরা বেগম
রাজবংশআসাফ জাহি রাজবংশ
পিতাআফজালউদ্দৌলা, পঞ্চম আসাফ জাহ

ষষ্ঠ আসাফ জাহ মীর মাহবুব আলি খান সিদ্দিকি (উর্দু: آصف جاہ ششم میر محبوب علی خان صدیقی‎‎) (১৭ আগস্ট ১৮৬৬ – ২৯ আগস্ট ১৯১১) ছিলেন হায়দ্রাবাদের ষষ্ঠ নিজাম। তিনি ১৮৬৯ থেকে ১৯১১ সাল পর্যন্ত হায়দ্রাবাদ শাসন করেছেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

শৈশবে নিজাম মাহবুব আলি খান।
ভারতের গভর্নর-জেনারেল কর্তৃক নিজামের অভিষেক।

মীর মাহবুব আলি খান ১৮৬৬ সালের ১৭ আগস্ট হায়দ্রবাদের পুরানি হাভেলিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আফজালউদ্দৌলার একমাত্র পুত্র সন্তান ছিলেন।

জীবনী[সম্পাদনা]

মাহবুব আলি খানের দুই বছর বয়সে তার পিতা মারা যান। এরপর তিনি ১৮৬৯ সালে ষষ্ঠ নিজাম হন। প্রথম সালার জং তাকে নিজামের পদে বসান। এসময় নবাব রশিদউদ্দিন খান তৃতীয় শামসুল উমরা নিজামের অভিভাবক হন। ১৮৮১ সালের ১২ ডিসেম্বর শামসুল উমরা মারা যাওয়ার পর সালার জং একমাত্র অভিভাবকের দায়িত্ব পান। ১৮৮৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেছেন।[১] মাহবুব আলি খান গৃহশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে পড়াশোনা করেছেন। ক্যাপ্টেন জন ক্লার্ককে তার গৃহশিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল। এছাড়াও আরবি, ফার্সি ও উর্দু পন্ডিতদের কাছেও তিনি শিক্ষালাভ করেছেন।

মাহবুব আলি খান শাসক হিসেবে সম্মানিত ছিলেন। তাকে মাহবুব আলি পাশা বলে ডাকা হত। আরাস্তু ইয়ার জং উপাধিপ্রাপ্ত ড. আবদুল হুসাইন ছিলেন মাহবুব আলি খানের চিকিৎসক।

জীবনধরণ[সম্পাদনা]

মাহবুব আলি খান বিলাসবহুল জীবনাচরণের জন্য পরিচিত ছিলেন। পোষাক ও গাড়ির প্রতি তার আকর্ষণ ছিল। তৎকালীন সময়ে তার পোশাক সংগ্রহ ছিল সবচেয়ে সমৃদ্ধ। এসবের মধ্যে ছিল শেরওয়ানি, শার্ট, কো, কলার, মোজা, জুতা, পাগড়ি, লাঠি, সুগন্ধি। তিনি জ্যাকব ডায়মন্ড ক্রয় করেছিলেন। এটি নিজামের রত্নের মধ্যে অন্যতম ছিল। বর্তমানে তা ভারত সরকারের মালিকানায় রয়েছে।

সম্মাননা[সম্পাদনা]

(রিবন বার)

Order of the Bath UK ribbon.svg Ord.Stella.India.jpg Empress of India Medal.png Med.DelhiDurbar1903.png Ord.Aquilarossa-GC.png

ব্রিটিশ সম্মাননা

  • এম্প্রেস অফ ইন্ডিয়া গোল্ড মেডেল, ১৮৭৭
  • নাইট গ্র্যান্ড কমান্ডার অফ দ্য অর্ডার অফ দ্য স্টার অফ ইন্ডিয়া (জিসিএসআই), ১৮৮৪
  • নাইট গ্র্যান্ড ক্রস অফ দ্য অর্ডার অফ দ্য বাথ (জিসিবি), ১৯০২
  • দিল্লি দরবার গোল্ড মেডেল, ১৯০৩

বিদেশি সম্মাননা

  • প্রুশিয়া রাজ্য গ্র্যান্ড ক্রস অফ দ্য অর্ডার অফ দ্য রেড ঈগল, ১৯১১

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

  1. "Nizam of Hyderabad Dead", New York Times, August 30, 1911

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

মাহবুব আলি খান, ষষ্ঠ আসাফ জাহ
পূর্বসূরী
আফজালউদ্দৌলা, পঞ্চম আসাফ জাহ
হায়দ্রাবাদের নিজাম
১৮৬৯–১৯১১
উত্তরসূরী
উসমান আলি খান, সপ্তম আসাফ জাহ