বিষয়বস্তুতে চলুন

মাঝারি বক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

মাঝারি বক
টোকিও , জাপান
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস সম্পাদনা করুন
জগৎ/রাজ্য: অ্যানিম্যালিয়া (Animalia)
পর্ব: কর্ডাটা (Chordata)
শ্রেণি: এভিস (Aves)
বর্গ: Pelecaniformes
পরিবার: Ardeidae
গণ: Ardea
ভাগলার, ১৮২৯
প্রজাতি: A. intermedia
দ্বিপদী নাম
Ardea intermedia
ভাগলার, ১৮২৯
প্রতিশব্দ
  • Mesophoyx intermedia (ভাগলার, ১৮২৭)
  • Egretta intermedia (ভাগলার, ১৮২৭)

মাঝারি বক হলো বকের একটি প্রজাতি। আকারে গৃহপালিত মুরগির মতো। এই প্রজাতিটি ইগ্রেটা বা মেসোফয়েক্স শ্রেণীবিশিষ্ট। এরা দক্ষিণ, পূর্ব এশিয়ার, উত্তরপশ্চিম এবং উত্তরপূর্ব ভারতের কিছু অঞ্চল ছাড়া সমগ্র ভারতের স্থায়ী বাসিন্দা।[]

বর্ণনা

[সম্পাদনা]

এদের দৈর্ঘ্য ৬৫ থেকে ৭২ সেন্টিমিটার হয়। এরা মাঝারি মাপের বক হয়।[] এদের মাথাটি প্রায় গোলাকার এবং কপাল উঁচু। ঠোঁটটি ছোট এবং হলুদ রঙের যার ডগাটি কালো রঙের হয়। চোখ ও ঠোঁটের মাঝের অংশ হলুদ হয় এবং মুখগহ্বরের কালো দাগটি চোখের মাঝখান পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। গলাটি সামান্য 'S' অক্ষরের মতন বাঁকানো তবে বড় বগা-র মতো অতটা নয়।[]

আচরণ ও বাসস্থান

[সম্পাদনা]

এরা কর্কশ শব্দ করে ডাক ছাড়ে। এদের বিচরণ ক্ষেত্র মিষ্টি ও লবণাক্ত জলাভূমিতে দেখা যায় তাছাড়া খাল, বিল, হ্রদ, নদী, খাঁড়ি, কর্দমাক্ত জলাভূমিতে এবং সমুদ্রের ব-দ্বীপ ম্যানগ্রোভ অঞ্চলে দেখা যায়। এদের খাদ্যাভ্যাস হল এরা মাংসাশী তাই এরা মাছ, ব্যাঙ, শামুক জাতীয় প্রাণী এবং কীটপতঙ্গ এদের প্রধান খাদ্য। এদের আবাসস্থল দক্ষিণ, পূর্ব এশিয়া, জাপান,ইন্দোনেশিয়া, মায়ানমার, উত্তরপশ্চিম এবং উত্তরপূর্ব ভারতের কিছু অঞ্চল ছাড়া সমগ্র ভারতের স্থায়ী বাসিন্দা। এদের প্রজনন কাল মূলত জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত দেখা যায়। তবে স্থানভেদে এর পার্থক্য লক্ষ করা যায়। প্রজনন ঋতুতে ঠোঁট কালো হয়ে যায় এবং চোখ ও ঠোঁটের মাঝের অংশ হলদেটে সবুজ হয়ে যায়। বুকে ও পিঠে অপূর্ব বাহারি সাদা পালক দেখা যায়। এরা সাধারণত ২ বা ৩টি ডিম পাড়ে আর ডিমের রঙ ফ্যাকাশে সবুজ মসৃণ খোসাযুক্ত হয়। মা-বাবা দুইজন মিলে ২৪ থেকে ২৭ দিনের মধ্যে ডিম ফোটান।[]

চিত্রশালা

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. BirdLife International (২০২০)। "Ardea intermedia"বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২০আইইউসিএন: e.T২২৭২৭৬৬৮A১৮১৭৫৭৮৯৬। ডিওআই:10.2305/IUCN.UK.2020-3.RLTS.T22727668A181757896.en। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২৪
  2. "Storks, ibis, herons"IOC World Bird List version 8.2। International Ornithological Congress। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২৪
  3. del Hoyo, J.; Elliott, A.; Sargatal, J., সম্পাদকগণ (১৯৯২)। Handbook of the Birds of the World। খণ্ড Volume ১: Ostrich to Ducks। Barcelona: Lynx Edicions।
  4. Ali, S. (১৯৯৩)। The Book of Indian Birds (Eleventh revised সংস্করণ)। Bombay: Bombay Natural History Society/Oxford University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০১৯৫৬২১৬৭৯
  5. "Intermediate Egret Ardea intermedia (Wagler)"। Heron Conservation The IUCN-SCC Heron Specialist Group। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২৪

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]