মাকুম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
মাকুম
শহর
মাকুম আসাম-এ অবস্থিত
মাকুম
মাকুম
মাকুম ভারত-এ অবস্থিত
মাকুম
মাকুম
ভারত-এর অসম-এ মাকুমের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৭°৩০′ উত্তর ৯৫°২৭′ পূর্ব / ২৭.৫° উত্তর ৯৫.৪৫° পূর্ব / 27.5; 95.45স্থানাঙ্ক: ২৭°৩০′ উত্তর ৯৫°২৭′ পূর্ব / ২৭.৫° উত্তর ৯৫.৪৫° পূর্ব / 27.5; 95.45
দেশ  ভারত
রাজ্য অসম
জেলা তিনসুকিয়া জেলা
উচ্চতা ১২২ মিটার (৪০০ ফুট)
জনসংখ্যা (২০০১)
 • মোট ১৫,০৫৮
ভাষা
 • সরকারী অসমীয়া
সময় অঞ্চল ভারতীয় মান সময় (ইউটিসি+৫:৩০)
পিন ৭৮৬১৭০
টেলিফোন কোড Police Station -03742345557

মাকুম (IPA: mɑːkəm) অসমএর তিনসুকিয়া জেলাতে অবস্থিত একটি শহর৷ 'মাকুম' শব্দটি চীনা শব্দের থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে যার অর্থ "meeting point"৷ আসলে এই অঞ্চলে অসমএর তিনটি প্রধান শহর তিনসুকিয়া, ডিগবয়ডুমডুমা মিলিত হওয়ার জন্য এর নাম মাকুম হয়েছে। তদুপরি এই মাকুমে ৩৭ ও ৩৮ নং জাতীয় সড়ক মিলিত হয়েছে৷ এখানে অবস্থিত মাকুম রেলওয়ে স্টেশন ভারতীয় রেলওয়ের একেবারে পূর্বে অবস্থিত স্টেশন । [১]

মাকুম ডিব্রুগড় লোকসভা সমষ্টির অন্তর্ভুক্ত৷

ভৌগোলিক অবস্থান[সম্পাদনা]

মাকুম ভৌগোলিকভাবে ২৭°৩০′ উত্তর ৯৫°২৭′ পূর্ব / ২৭.৫° উত্তর ৯৫.৪৫° পূর্ব / 27.5; 95.45 অবস্থিত । এই অঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড় উচ্চতা ১২২ মিটার (৪০০ ফুট)৷ এই শহরটি তিনসুকিয়ার থেকে ৭ কিমি পূর্বে অবস্থিত । এই অঞ্চলটি দাঁতিকাশরের সরু-বড় স্থানসমূহের সাথে সড়ক ও রেলপথের দ্বারা সংযোজিত হয়ে আছে৷

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের লোকগণনা অনুসারে,[২] মাকুমের মোট জনসংখ্যা ১৫,১১৮। [৩] এর ৫৩% পুরুষ আর ৪৭% মহিলা৷ মাকুমের গড় সাক্ষরতার হার ৬৮%৷ এর মধ্যে পুরুষ ও মহিলার পৃথকভাবে গড় সাক্ষরতার হার হল ৭৩% ও ৬২%৷ মাকুমের জনসংখ্যার ১৩% ছয় বছর বয়সের অনূর্ধ।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

মাকুম একটি উদ্যোগিক শহর৷ এখানে কেইবাটাও ডাঙর প্লাইউডের কারখানা ছিল যদিও বর্তমানে প্রায়ই বন্ধ হয়ে আছে৷ তদুপরি মাকুমে ভালো সংখ্যক চা কারখানা আছে৷ অন্যান্য উদ্যোগসমূহ হল, আটা, মোম ইত্যাদি৷ মাকুম শহরের আশে পাশে ভালো সংখ্যক চা বাগান আছে৷

শিক্ষা[সম্পাদনা]

মাকুমে ভালো সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে৷ এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-

বিদ্যালয়-

  • Ganga Bishan Chowkhani উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
  • গোপালকৃষ্ণ বালিকা বিদ্যালয়
  • রেলওয়ে বিদ্যালয়

মহাবিদ্যালয়-

  • মাকুম মহাবিদ্যালয়

অন্যান্য-

বনরক্ষীর প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান

চায়না টাউন[সম্পাদনা]

মাকুম অঞ্চলটিতে একসময়ে ১৮৩০র দশকে চীনের থেকে অহা বহু লোক এসে বসত করেছিল৷ ১৯৬২ সালে চীন ও ভারতের যুদ্ধের সময় এই চায়না টাউন বন্ধ করে দেওয়া হয়৷ বর্তমানে এই চায়না টাউনে (বর্তমানের চীনাপট্টি) স্থানীয় লোক বসবাস করে যদিও বহু চীনা আর্হির ঘর দেখতে পাওয়া যায়৷ এই চীনা লোকেদের অতীত ও বর্তমান নিয়ে অসমীয়া লেখিকা রীতা চৌধুরী 'মাকাম' নামের একটি গ্রন্থ রচনা করেছেন৷ [৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. TI Trade (২০১০-০৬-১৭)। "The Assam Tribune Online" (ইংরেজি ভাষায়)। Assamtribune.com। সংগৃহীত ২০১২-০৯-৩০ 
  2. "Census of India 2001: Data from the 2001 Census, including cities, villages and towns (Provisional)"। Census Commission of India। আসল থেকে ২০০৪-০৬-১৬-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২০০৮-১১-০১ 
  3. "Population Finder" (ইংরেজি ভাষায়)। Censusindia.gov.in। সংগৃহীত ২০১২-০৯-৩০ 
  4. "India’s shame"The Telegraph - Calcutta (Kolkata) (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ২০১২-০৯-৩০