ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

ব্যালিস্টিক মিসাইল হল সেই সব ক্ষেপণাস্ত্র, যারা শুধু ছুঁড়ে দেওয়ার সময়ের ধাক্কাতেই গোটা পথ চলে না। বন্দুকের গুলি বা কামানের গোলা ছোটে কেবল ছুঁড়ে দেওয়ার ধাক্কাতে। ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রথম ধাক্কায় উঁচুতে ওঠে আকাশপানে। তার পর দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয় পৃথিবীর আবহমণ্ডল থেকে বেশি উচ্চতায়। তখন ওই ক্ষেপণাস্ত্র চলে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তিতে। এ ভাবে অনেকটা দূরত্ব অতিক্রম করার পর তা নেমে আসে পৃথিবীর দিকে। প্রথমে বায়ুমণ্ডল ভেদ করে কোনাকুনি ঊর্ধ্বগতি, তার পর মাধ্যাকর্ষণ-নির্ভর দীর্ঘ পথ, অবশেষে ফের বায়ুমণ্ডল ভেদ করে ভূপৃষ্ঠে লক্ষ্যস্থানে অবতরণ মোট পথের এই তিন ভাগ থাকে ব্যালিস্টিক মিসাইল-এর।

প্রথম দিককার মিসাইলগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল এ -৪।এটি ভি -২ নামেও পরিচিত। ১৯৩০ ও ১৯৪০ -এর দশকে ভি -২ এর আধুনিকায়নে ভূমিকা রেখেছে নাৎসি জার্মানি। এতে নির্দেশকের ভূমিকা ছিল জার্মানির এরোস্পেস ইন্ঞ্জিনিয়ারিং ও স্পেস আর্কিটেক্ট ভের্নহার ভন ব্রাউন। ভি -২ সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয় ১৯৪২ সালের ৩ অক্টোবর। ১৯৪৪ সালের ৬ অক্টোবর প্যারিসে এটি নিক্ষেপ করা হয়। এর দু 'দিন পর নিক্ষেপ করা হয়।লন্ডনে।

সম্পাদনায় - চৌধুরী এম আরমান হোসাইন।