বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ
কলেজ লোগো (২০১১-বর্তমান)
BSNMPCGate.jpg
অবস্থান
পিলখানা (23.733183,90.370871) (#৫ গেইট, বিজিবি সদর দপ্তর)
বাংলাদেশ ঢাকা
বাংলাদেশ
তথ্য
ধরনবেসরকারী
প্রতিষ্ঠাকাল১লা আগস্ট, ১৯৭৭
বিদ্যালয় জেলাঢাকা
চেয়ারম্যানমেজর জেনারেল মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
অধ্যক্ষলেঃ কর্নেল মোল্লা মেসবাহউদ্দীন আহমেদ (২০১৮-বর্তমান)
উপাধ্যক্ষঅশোক কুমার রায়
শিক্ষকমণ্ডলী১৬১
শ্রেণীশ্রেণী ১-১২
লিঙ্গউভয় লিঙ্গ
ভাষার মাধ্যমবাংলা এবং ইংরেজি ভার্সন
স্লোগান"প্রভু জ্ঞান দাও"
জাতীয় র‍্যাঙ্ক১৪ তম
ওয়েবসাইট

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ (BNMPC) (সাবেক রাইফেলস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ) পিলখানার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর সদর দপ্তরে অবস্থিত একটি বাংলাদেশী মাধ্যমিক বিদ্যালয়কলেজ। মূলত বিজিবির সদস্যদের সন্তানদের শিক্ষা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে স্থাপিত হলেও[১] এখানে সকলেই পড়াশোনা করতে পারে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

কলেজ লোগো (১৯৭৭-২০১১)

১৯৭৭ সালের ১লা আগস্টে অষ্টম শ্রেণিতে পর্যন্ত অধ্যয়নের ব্যবস্থা রেখে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭৮ সালে একটি একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ১৯৮০ সালে প্রথমবারের মত এসএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠানটিকে একটি কলেজের রুপ দেয়া হয় এবং ১৯৮৫ সালে প্রথমবারের মত শিক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।[১] ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠানটির ইংরেজি সংস্করণ চালু করা হয়। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর নাম পরিবর্তনের কারণে প্রতিষ্ঠানটির নামও পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখা দেয়, যা ২০১১ সালে কার্যকর হয়।[২]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

প্রতিষ্ঠানটিতে প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক শিক্ষা এর পাশাপাশি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। মাধ্যমিক শাখায় বিজ্ঞানবাণিজ্য বিভাগে এবং উচ্চ মাধ্যমিক শাখায় এই দুইটির পাশাপাশি মানবিক বিভাগেও পড়াশোনার সুযোগ দেয়া হয়। মাধ্যমিক পর্যন্ত বাংলা এবং ইংরেজি উভয় সংস্করণেই অধ্যয়ন করা যাবে।

ভর্তি প্রক্রিয়া[সম্পাদনা]

প্রথম শ্রেণি ও কেজি শ্রেণিতে লটারি পদ্ধতিতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের বাছাই করে ভর্তির সুযোগ দেয়া হয়। এই দুইটি শ্রেণি ব্যতিত স্কুল শাখার অন্য সকল শ্রেণিতে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া হয়। স্কুল ভর্তি পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে ভর্তির সুযোগ দেয়া হয়। কলেজে ভর্তির জন্য সংশোধিত সরকারি নিয়মানুযায়ী মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনা করে ভর্তির সুযোগ দেয়া হয়।

পাঠ্যক্রম[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়টির বাংলা ও ইংরেজি উভয় সংস্করণই বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড এর নির্দেশিত পাঠ্যক্রম অনুসরণ করে। প্রতিষ্ঠানটি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা, বাংলাদেশ অনুমোদিত। শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে।[১]

শিফট[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়ের বাংলা সংস্করণে সকাল ও দুপুরের শিফট বিদ্যমান। সকালের শিফটে কেজি হতে পঞ্চম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থী ও ষষ্ঠ হতে দ্বাদশ শ্রেণির সকল ছাত্রী অংশ নিয়ে থাকে। দুপুরের শিফট অবশিষ্ট ষষ্ঠ হতে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রদের জন্য নির্দিষ্ট। ইংরেজি সংস্করণের সকল শিক্ষার্থী একই সঙ্গে সকালের শিফটে ক্লাসে অংশ নিয়ে থাকে। [২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]