বিভূতিভূষণ বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বিভূতিভূষণ বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য
Parmadan Forest 03.jpg
বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্য
মানচিত্র বিভূতিভূষণ বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য অবস্থান দেখাচ্ছে
মানচিত্র বিভূতিভূষণ বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য অবস্থান দেখাচ্ছে
অবস্থানউত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
নিকটবর্তী শহরবনগাঁ
স্থানাঙ্ক২৩°১১′১২″ উত্তর ৮৮°৪৬′০৫″ পূর্ব / ২৩.১৮৬৭৩৭° উত্তর ৮৮.৭৬৮১৯৩° পূর্ব / 23.186737; 88.768193স্থানাঙ্ক: ২৩°১১′১২″ উত্তর ৮৮°৪৬′০৫″ পূর্ব / ২৩.১৮৬৭৩৭° উত্তর ৮৮.৭৬৮১৯৩° পূর্ব / 23.186737; 88.768193

বিভূতিভূষণ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য (পূর্বনাম পারমাদান অভয়ারণ্য) পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনার বনগাঁ মহকুমায় অবস্থিত একটি অভয়ারণ্য।

জীববৈচিত্র্য[সম্পাদনা]

বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্যের অভ্যন্তর

এখানে প্রচুর চিত্রা হরিণ দেখা যায়। অভয়ারণ্য তৈরির শুরুতে আলিপুর চিড়িয়াখানা থেকে প্রথমে চারটি চিত্রা হরিণ আনা হয়। ১৯৬৫ সালে সেখানে ৩টি নবজাতকসহ ১৫টি চিত্রা হরিণ ছিল। ১৯৬৬ সালে সেখানে আরো ২৬তি চিত্রা হরিণ ছাড়া হয়। ধীরে ধীরে হরিণেরা বংশবৃদ্ধি করতে থাকে। ১৯৮৬ সালে সেখানে ২০১টি চিত্রা হরিণ ছিল।[১] এর পরে ২০০০ সালের বন্যায় বিপুল সংখ্যক হরিণের মৃত্যু ঘটেছিল। এখানে অনেক সাধারণ পাখি দেখা যায়। অভয়ারণ্যটি বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামাঙ্কিত।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. কল্যাণ চক্রবর্তী, বিশ্বজিত রায়চৌধুরী, ভারতের বন ও বন্যপ্রাণী, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষদ, ফেব্রুয়ারি, ১৯৯১, কলকাতা, পৃষ্ঠা-১২৮-১২৯।