বানৌজা ওমর ফারুক (১৯৭৬)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইতিহাস
বাংলাদেশ
নাম: বানৌজা ওমর ফারুক
নির্মাতা: হথোর্ন লেসলি অ্যান্ড কোম্পানি
নির্মাণের সময়: ২৭ আগস্ট ১৯৫৩
অভিষেক: ৩০ নভেম্বর ১৯৫৫
অর্জন: ১৯৭৬
কমিশন লাভ: ১০ ডিসেম্বর ১৯৭৬
ডিকমিশন: ৩০ ডিসেম্বর ২০১৫
শনাক্তকরণ: পিন্যান্ট নাম্বার: এফ-১৬
নিয়তি: ভেঙ্গে ফেলা হয়।

বানৌজা ওমর ফারুক বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি সালিসবেরি শ্রেণির ফ্রিগেট। এটি বাংলাদেশ নৌ বাহিনীতে যুক্ত হওয়া প্রথম ফ্রিগেট। জাহাজটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণ জাহাজ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।[১] সক্রিয় অবস্থায় জাহাজটি ৫৯ জন অধিনায়কের নেতৃত্বে ৩ লাখ ৬২ হাজার ১২৭ নটিক্যাল মাইল সমুদ্রপথ অতিক্রম করেছে।[২][৩]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৭৬ সালের ১০ এপ্রিল ওমর ফারুক বাংলাদেশ নৌ বাহিনীতে কমিশন লাভ করে। এর আগে ১৯৫৮ সালে জাহাজটি যুক্তরাজ্যের নৌবাহিনীর কমিশন লাভ করে।[১][৩] ২০০৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ওমর ফারুক ভারতের কোচি বন্দরে দুই দিনের সফরে যায়।[৪] ২০১০ সালের ডিসেম্বরে জাহাজতি ভারতের নৌ বাহিনীর বেস বিশাখাপত্তনমে তিন দিনের সফরে যায়।[৫] ২০১৪ সালে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ৩৭০ উড্ডয়নকালে হারিয়ে যায়। বঙ্গোপসাগরে এর ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনার কারণে ওমর ফারুক এবং বানৌজা বঙ্গবন্ধু যৌথভাবে এই অঞ্চলে তল্লাশি চালায়।[৬] ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ফ্রিগেটটি অবসরে যায়, এবং 'মিউজিয়াম শিপ'-এ রূপান্তর করা হয়।[২][৩] পরবর্তীতে সেটিকে ভেঙ্গে ফেলা হয়।[৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "বানৌজা ওমর ফারুকের ডি-কমিশনিং ও মিউজিয়াম শিপ হিসেবে উদ্বোধন"www.bhorerkagoj.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-২৫ 
  2. "'বুড়ো' হয়ে যাওয়ায় ওমর ফারুক এখন মিউজিয়াম শিপ"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ২০১৫-১২-৩০। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-২৫ 
  3. "নৌবাহিনী জাহাজ 'ওমর ফারুক' এর ডি-কমিশনিং"দৈনিক জনকন্ঠ। ২০১৫-১২-৩০। ২০২০-০৩-২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-২৫ 
  4. "Bangladesh Naval Ship calls at Kochi"oneindia। ১৭ মার্চ ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৫ 
  5. "Bangladesh Navy ship docks in city"Deccan Chronicle। ১৯ ডিসেম্বর ২০১০। 
  6. "Bangladesh sends 2 navy ships to verify MH370 wreckage claim"দ্য ডেইলি স্টার। ২ মে ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৫ 
  7. ""Auction of Bangladesh Navy ship ex-BNS Umar Farooq"" (PDF)Ministry of Defense। ২০১৬-০৭-২৭। ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-২২