বাকমিন্‌স্টার ফুলার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আর. বাকমিন্স্টার ফুলার
জন্ম (১৮৯৫-০৭-১২)জুলাই ১২, ১৮৯৫
মিল্টন, ম্যাসাচুসেটস
মৃত্যু জুলাই ১, ১৯৮৩(১৯৮৩-০৭-০১) (৮৭ বছর)
লস এঞ্জেলস, ক্যালিফোর্নিয়া, ইউ.এস.
পেশা দূরদর্শী, নকশাকার, স্থপতি, লেখক, আবিষ্কারক
দম্পতি অ্যান ফুলার
সন্তান

রিচার্ড বাকমিন্স্টার ''বাকি'' ফুলার (১২ জুলাই, ১৮৯৫ - ১ জুলাই, ১৯৮৩) ছিলেন একজন আমেরিকান স্থপতি, প্রকৌশলী, লেখক, নকশাকারক, ভবিষ্যত্দ্রষ্টা, উদ্ভাবকদূরদর্শী

''মানবতা স্থায়ী ও সফলভাবে টিকে থাকবে কি না এবং যদি থাকে, তবে তা কেমন করে?''- এ প্রশ্নটি নিয়ে ফুলার সারাজীবন ভেবেছেন। নিজেকে একজন গড়পড়তা সাধারণ মানুষ, যার বিশেষ কোনো টাকা-কড়ি বা শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই বিবেচনা করে তার জীবন এই প্রশ্নটির উত্তর-সন্ধানে নিয়োজিত করেছিলেন। মানুষের উন্নয়নে বড় বড় সংগঠন, সরকার এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগ যেখানে অক্ষম, সেখানে একক সত্ত্বা কী করতে পারে তা সন্ধানে তিনি প্রবৃত্ত হয়েছিলেন।

তার জীবনব্যাপী পরীক্ষা-নিরীক্ষার যাত্রায় তিনি তিরিশাধিক পুস্তক রচনা করেছেন। এছাড়াও তিনি অসংখ্য উদ্ভাবনের সাথে জড়িত ছিলেন, মূলতঃ নকশা ও স্থাপত্য ক্ষেত্রে, যার মধ্যে প্রধানতমটি ছিলো জিওডেসিক গম্বুজ। জিওডেসিক গম্বুজের সাথে সাদৃশ্যের জন্যে ফুলারিন অথবা বাকিবলস নামক কার্বন অণুর নামকরণ করা হয়েছে তার নামানুসারে।

শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

বাকমিনিস্টার ফুলার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এ ভর্তি হয়েছিলেন, কিন্তু তাকে হার্ভার্ড থেকে দুবার বহিষ্কার করা হয়।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

ফুলার কানাডার টেক্সটাইল মিলে মেকানিক হিসেবে কাজ করেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীতে রেডিও অপারেটর হিসেবে কাজ করেন।

শিক্ষকতা[সম্পাদনা]

১৯৫৯ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত সাউদার্ন ইলিনয় ইউনিভার্সিটি কার্বনডেল এ শিক্ষকতা করেন। তিনি সেখানে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৯৬৮ সালে পূর্ণ অধ্যাপক হিসেবে উন্নীত হন।

প্যাটেন্ট[সম্পাদনা]

ফুলার ২৮টি আমেরিকান প্যাটেন্টের অধিকারী ছিলেন।[১]

সম্মাননা ও পুরস্কার[সম্পাদনা]

১৯৮৩ সালে ফুলারকে যুক্তরাষ্ট্র সরকার প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রীডম প্রদান করে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]