বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ বাংলাদেশের লেখক সাহিত্যিকদের নিয়ে গঠিত একটি সংগঠন।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ফ্যাসিস্ট বর্বরতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলতে ১৯৩৫ সালের ২১জুন প্যারিসে অনুষিঠত হয় শিল্পী, সহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবদের প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন (World Congress of Writers for the Defence of Culture)[১]। ১৯৩৬ সালে ভারতবর্ষের প্রগতিশীল শিল্পী-সাহিত্যিকরা সমবেত হন পৃথিবীব্যাপী ফ্যাসিবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লেখকদের সংঘটিত হওয়ার প্রযোজন থেকে। গঠন করলেন ‘নিখিল ভারত প্রগতি লেখক সংঘ’। ১৯৩৯ সালে ঢাকা জেলা প্রগতি লেখক সংঘের একটি সাংগঠনিক কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে রণেশ দাশগুপ্ত, সোমেন চন্দ, কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত, অমৃতকৃমার দত্ত, জ্যোতির্ময় সেনগুপ্ত, সতীশচন্দ্র পাকড়াশী প্রমুখ। ১৯৪৮ সালের শেষের দিকে মুনীর চৌধুরী প্রগতি লেখক সংঘের সম্পাদক নির্বাচিত হন।[২]

প্রকাশনা[সম্পাদনা]

১৯৩৭ এ কলকাতা থেকে নিখিল বঙ্গ প্রগতি লেখক সংঘের উদ্যোগে প্রকাশিত হয় ‘প্রগতি’ নামে একটি সংকলন গ্রন্থ। সেই উদ্যোগের পরিনতিতে ১৯৪০-এর শেষ দিকে প্রকাশিত হয় ‘ক্রান্তি’ প্রথম খন্ড। ২০১৭ সালে প্রগতি লেখক সংঘ সাহিত্য ম্যাগাজিন 'প্রগতি' ফিদেল কাস্ত্রোকে নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করে। আলোচিত এই সংখ্যাটি সম্পাদনা করেন কবি সাখাওয়াত টিপু ও অন্যরা।

সম্মেলন[সম্পাদনা]

৮ আগস্ট ২০১৪ এ বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘের প্রথম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে[৩]। কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বরেণ্য কথা সাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন নাট্যকার ড. রতন সিদ্দিকী। এছাড়া কার্যকরী সভাপতি হয়েছেন কবি গোলাম কিবরিয়া পিনু। দ্বিতীয় জাতীয় সম্মেলন ২০১৭ সালে গোলাম কিবরিয়া পিনু সভাপতি ও কবি সাখাওয়াত টিপু সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. International Congress for the Defence of Culture
  2. হোসেন, সেলিনা; ইসলাম, নুরুল, সম্পাদকগণ (ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭)। "অনিল মুখার্জি" (ছাপা)বাংলা একাডেমী চরিতাভিধান (পরিমার্জিত ও পরিবর্ধিত বিতীয় সংস্করণ সংস্করণ)। ঢাকা: বাংলা একাডেমী। পৃষ্ঠা ২৯২-২৯৩। 
  3. বাংলানিউজ২৪.কম

বহিসংযোগ[সম্পাদনা]