ফাঁসি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

ফাঁসি মৃত্যুদণ্ড দানের বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি। আধুনিক বিশ্বের যে সকল দেশে মৃত্যু রহিত করা হয় নি সে সব দেশের অনেকগুলোর আইনে মৃত্যুদণ্ড কার্য করার পদ্ধতি হিসেবে ‘মৃত্যু অবধি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা’র বিধান রয়েছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মধ্যযুগ থেকেই পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই মৃত্যুদণ্ড দানের ক্ষেত্রে ফাঁসির পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে। হোমারের ওডিসি গ্রন্থেও ফাঁসি দ্বারা মৃত্যুর পন্থা বর্র্ণিত আছে। আধুনিক যুগে সামরিক আইনের বিচারে ফায়ারিং স্কোয়াড, সাধারণ আইনে ইলেকট্রিক শক এবং ইসলামি শরিয়তি বিধানে প্রস্তর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিধান থাকলেও বর্তমানে অধিকাংশ দেশে মৃত্যুদণ্ডাজ্ঞা প্রাপ্ত অপরাধীকে ফাঁসির মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়ে থাকে।

স্বাধীন ভারতে প্রথম ফাঁসি দেওয়া হয় মহাত্মা গাঁধীর হত্যাকারী নাথুরাম গডসেকে (১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে)[১]

মৃত্যুদণ্ডতে ফাঁসির পদ্ধতি[সম্পাদনা]

আন্দামান সেলুলার জেলে ব্যবহৃত ফাঁসির মঞ্চ এবং লিভার।

সাধারণত ফাঁসির মঞ্চে তোলার আগে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির দুই হাত পেছনের দিকে বাঁধা হয়। এসময় উপস্থিত থাকবেন কারা কর্তৃপক্ষ, সিভিল সার্জন, একজন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ফাঁসিদার বা জল্লাদ। মঞ্চে তোলার পর আসামির দুই পা বাঁধা হয়। গলায় পরানো হয় ফাঁসির দড়ি। ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে একটি রুমাল থাকবে। রুমালটি হাত থেকে নিচে ফেলে দেয়ার সাথে সাথেই জল্লাদ ফাঁসির লিভারে টান দেন সঙ্গে সঙ্গে ফাঁসির মঞ্চে আসামির পায়ের নিচের তক্তাটি সরে যায় এবং আসামি শূন্যে ঝুলে থাকে। মৃত্যু নিশ্চিত হয়ে গেলে ফাঁসির দড়ি থেকে নামানোর পর সব শেষে আসামির দুই পায়ের রগ কেটে তার মৃত্যু সম্পুর্ণ নিশ্চিত করে কারা কর্তৃপক্ষ।

ফাঁসির মঞ্চ[সম্পাদনা]

ফাঁসিতে যে কারণে মৃত্যু ঘটে[সম্পাদনা]

আত্মহত্যায় ফাঁসি[সম্পাদনা]


ফাঁসি হচ্ছে আত্মহত্যার জন্য একটি সাধারণ পদ্ধতি।

আগ্নেয়াস্ত্র বা বিষের দ্বারা আত্মহত্যার তুলনায়, ফাঁসির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সহজেই ব্যক্তির থাকে, তাই ফাঁসিই আত্মহত্যার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যাবহৃত পন্থা। 


কানাডায় সবচেয়ে বেশি ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করা হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Famous Murder Trial, P.K. Das (২০১০)। Mahatma Gandhi Assacination case। Delhi: Universal Law Publishing। পৃ: 19। আইএসবিএন 978-81-7534-605-5 

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]