পিপিআর ভাইরাস
অবয়ব

পেস্টি ডে পেটিটস রুমিন্যন্টস (পিপিআর) হলো ছাগল, ভেড়া ও অন্যান্য ক্ষুদ্র রুমিন্যন্ট প্রাণীর একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং উচ্চ মৃত্যুহার সৃষ্টি করে। বর্তমানে বিশ্ব প্রাণীস্বাস্থ্য সংস্থা (WOAH) ও FAO এই রোগকে ২০৩০ সালের মধ্যে নির্মূল করার লক্ষ্য নিয়েছে।
পরিচিতি
- নাম: পেস্টি ডে পেটিটস রুমিন্যন্টস (Peste des petits ruminants, সংক্ষেপে PPR)
- অন্য নাম: Sheep and goat plague
- প্রথম সনাক্তকরণ: ১৯৪২ সালে পশ্চিম আফ্রিকার কোট দিভোয়ার (Côte d'Ivoire)
- কারক ভাইরাস: Morbillivirus (Paramyxoviridae পরিবার), যা রিন্ডারপেস্ট ভাইরাসের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়
বিস্তার ও প্রভাব
- ভৌগোলিক বিস্তার: আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া এবং ইউরোপের বহু দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে ৭০টিরও বেশি দেশ আক্রান্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ।
- প্রাণীর সংখ্যা: আক্রান্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে প্রায় ১.৭ বিলিয়ন ছাগল ও ভেড়া রয়েছে, যা বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় ৮০%
- অর্থনৈতিক প্রভাব: ছোট রুমিন্যন্ট প্রাণী অনেক দেশের গ্রামীণ জীবিকা ও অর্থনীতির মূল ভিত্তি। পিপিআর ব্যাপক ক্ষতি করে কৃষক ও পশুপালকদের জীবনে।
লক্ষণ
- নাক ও মুখ থেকে তরল নির্গত হয়
- পাতলা ও দুর্গন্ধযুক্ত পায়খানা
- মুখে ঘা, ফলে খাবার গ্রহণে অসুবিধা
- শরীরের তাপমাত্রা ১০৩°–১০৮° ফারেনহাইট পর্যন্ত বৃদ্ধি
- অতিরিক্ত পানির চাহিদা ও রোদে থাকার প্রবণতা
- শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ার মতো শ্বাসতন্ত্রের জটিলতা
মৃত্যুহার
- আক্রান্ত পশুর ৯০% পর্যন্ত সংক্রমিত হতে পারে
- মৃত্যুহার ৫০–৭০% পর্যন্ত হতে পারে, বিশেষ করে টিকা না দেওয়া পশুর মধ্যে
প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ
- টিকা: কার্যকর ভ্যাকসিন বিদ্যমান, যা রোগ প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
- চিকিৎসা: নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই; কেবল সহায়ক চিকিৎসা (fluid therapy, secondary infection control)।
- আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ: WHO ও FAO যৌথভাবে Global Control and Eradication Strategy চালু করেছে, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে পিপিআর নির্মূল করা
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |