পক্ষীবিজ্ঞানের ইতিহাস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
প্রাচীন মিশরীয় চিত্র: জলাভূমিতে পাখি শিকার (খ্রিস্টপূর্ব ১৪২২-১৪১১ অব্দ)

পক্ষীবিজ্ঞান বা পক্ষীবিদ্যা জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যেটি শুধুমাত্র পাখি এবং পাখি সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে গবেষণা ও অধ্যয়নের কাজে ব্যবহৃত হয়। বহু বছর ধরে মানুষ পাখি নিয়ে গবেষণা করছে। পরিবেশবিজ্ঞান, শারীরতত্ত্ব, শারীরবৃত্ত, জীবাশ্মবিজ্ঞান, বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞান, অণুজীববিজ্ঞান ইত্যাদির সাথে পক্ষীবিজ্ঞান ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং বিজ্ঞানের এসব শাখার উন্নয়নের সাথে সাথে পক্ষীবিজ্ঞানেরও প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়েছে।

পক্ষীবিজ্ঞানের প্রাথমিক দিকে পাখিদের ছবি আঁকা হত আর সেসব ছবির সংগ্রহ থেকে খুব কম পরিমানের বই-পুস্তক প্রকাশিত হত। আধুনিককালে প্রকাশনা ও আলোকচিত্রের ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রযুক্তিগত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। ফলে পাখি বিষয়ে অসংখ্য তথ্যসম্বৃদ্ধ ও আলোকচিত্রবহুল গ্রন্থ প্রকাশ করা সম্ভব হয়েছে। পক্ষীবিজ্ঞানের গ্রন্থগত উন্নয়ন হওয়ায় বিশ্বব্যাপী পাখি নিয়ে নাড়াচাড়া একটি সহজলভ্য শখে পরিণত হয়েছে।

প্রাচীন যুগ[সম্পাদনা]

প্রাচীন যুগ থেকেই মানুষের সাথে পাখপাখালির নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। ইসরায়েলের প্রস্তর যুগের এক কুঁড়েঘরে ৮০টিরও বেশি প্রজাতির পাখির হাড় খুঁজে পাওয়া গেছে।[১] প্রাচীন গুহাচিত্রগুলোতে পাখির চিত্র পাখির প্রতি তখনকার মানুষের আগ্রহের ব্যাপারটি টের পাওয়া যায়।[২] প্রাচীন যুগে মানুষের সাথে পাখির সম্পর্ক ছিল আসলে খাদ্য-খাদকের সম্পর্ক।

প্রাথমিক অবদান[সম্পাদনা]

অ্যারিস্টটল পাখিদের প্রথম বৈজ্ঞানিক তালিকা করেন। তাঁর তালিকায় ১৭০টি প্রজাতি স্থান পেয়েছিল। পরবর্তীকালে প্লিনি তাঁর ইস্তোরিয়া নাতুরালেস গ্রন্থে অন্যসব প্রাণীর সাথে পাখিরও বিবরণ প্রদান করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Nadel, Dani; Weiss, Ehud; Simchoni, Orit; Tsatskin, Alexander; Danin, Avinoam; Kislev, Mordechai (২০০৪)। "Stone Age hut in Israel yields world's oldest evidence of bedding"Proceedings of the National Academy of SciencesUnited States National Academy of Sciences101 (17)। doi:10.1073/pnas.0402102101 
  2. Gurney, JH (১৯২১)। Early annals of ornithology। HF&G Witherby, London। 

অন্যান্য উৎস[সম্পাদনা]