নৃকুলবিদ্যা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search

নৃকুলবিদ্যা, নৃকুলবিজ্ঞান বা এথনোগ্রাফি (গ্রিক ἔθνος এথ্‌নোস "লোক, জনগণ, জাতি" এবং γράφω গ্রাফো "আমি লিখি") হল জনসমাজ ও সংস্কৃতির বিধিবদ্ধ অধ্যয়ন। এই বিদ্যায় সেই সমস্ত সাংস্কৃতিক ঘটনা ও বিষয়ের পর্যালোচনা করা হয় যেখানে গবেষক নিজে অধ্যয়নের বিষয়বস্তুর দৃষ্টিকোণ অবলম্বন করেন। নৃকুলবিজ্ঞান হল কোনও জাতিগত গোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে ছক ও চিত্রায়নের মাধ্যমে উপস্থাপনার শাস্ত্র। গণনাযোগ্য বা অগণনযোগ্য — দুই রকম বিশেষ্য হিসেবেই ব্যবহার করা যায় বলে কথাটিকে দ্ব্যর্থবোধক বলা যেতে পারে।[১] গবেষণার ফলে প্রাপ্ত সমীক্ষা অথবা প্রতিবেদন একটি নির্দিষ্ট সাংস্কৃতিক জনগোষ্ঠীর জীবনধারায় জ্ঞান ও অর্থ নির্ধারণের ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোকপাত করে।[২][৩][৪]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. (ইংরেজি)"Technical definition of ethnography", American Ethnography
  2. (ইংরেজি)Geertz, C. (1973). Thick description: Toward an Interpretive Theory of Culture.
  3. (ইংরেজি)In The Interpretation of Cultures: Selected Essays (pp. 3-30). New York: Basic Books, Inc., Publishers
  4. (ইংরেজি)Philipsen, G. (1992). Speaking Culturally: Explorations in Social Communication. Albany, New York: State University of New York Press