নারী-নারী সহবাস
| মানব যৌনতা-সম্পর্কিত বিষয়ক এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |

নারী-নারী সহবাস বা নারী-নারী যৌনমিলন হচ্ছে নারী সমকামীদের যৌন চর্চা যেটাতে সাধারণত একটি নারী অপর একটি নারীর যোনিতে তার নিজের যোনি ঘর্ষণ করেন এবং অর্গাজম করে তৃপ্তি পান। এই ধরনের যৌনক্রিয়া সমকামী নারীদের মাঝে খুব জনপ্রিয়। যোনিতে ঘর্ষণ করা ছাড়াও এই ধরনের যৌনক্রিয়াতে একজন নারী তার যোনিকে তার সঙ্গীনারীর উরু, পেট, নিতম্ব, বাহু অথবা শরীরের অন্য কোনো জায়গায় ঘর্ষণ করতে পারেন, তবে সাধারণত মুখে ঘর্ষণ করা হয়না।[১][২][৩] এই ধরনের যৌনক্রিয়ার জন্য অনেক ধরনের যৌন আসন রয়েছে তন্মধ্যে পুরুষ-নারী সহবাসের পদ্ধতি মিশনারি আসনও রয়েছে।[৪][৫]
এই নারী-নারী সহবাসকে ইংরেজি ভাষায় ট্রিব্যাডিজম (Tribadism) বলা হয়। এই ধরনের যৌনমিলনের ধারণা উদ্ভূত হয়েছিলো এই বিশ্বাস থেকে যে একজন নারীও আরেকজন নারীর সঙ্গে যৌনমিলন তার পুরুষসঙ্গীর মতই করতে পারেন।[১][৬][৭] যেসব নারী আগেকার যুগে এই ধরনের যৌনক্রিয়ায় জড়াতেন তাদেরকে নিয়ে সমাজ ঠাট্টা-তামাশা করতো।[১][৭][৮] আধুনিক সময়ে এই ধরনের যৌনক্রিয়া পুরুষদের ঘর্ষকাম এর অনুরূপ একটি যৌনতা হিসেবে স্বীকৃত। এই ধরনের যৌনক্রিয়ায় যোনিতে আঙ্গুল ঢোকানো কিংবা বন্ধনীযুক্ত কৃত্রিম শিশ্ন পরিধান করে পেগিংও করা হতে পারে।[৩][৭]
আরো দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 Bonnie Zimmerman (২০০০)। Lesbian histories and cultures: an encyclopedia (Volume 1)। Taylor & Francis। পৃ. ৭৭৬–৭৭৭। আইএসবিএন ০-৮১৫৩-১৯২০-৭। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- ↑ Cathy Winks; Anne Semans (২০০২)। The Good Vibrations Guide to Sex (3rd সংস্করণ)। Cleis Press। আইএসবিএন ১-৫৭৩৪৪-১৫৮-৯।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|lastauthoramp=উপেক্ষা করা হয়েছে (|name-list-style=প্রস্তাবিত) (সাহায্য) - 1 2 Janell L. Carroll (২০০৯)। Sexuality Now: Embracing Diversity। Cengage Learning। পৃ. ২৭২। আইএসবিএন ০-৪৯৫-৬০২৭৪-৪। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০১০।
- ↑ Hite, Shere (২০০৪)। The Hite Report: A Nationwide Study of Female Sexuality। New York, NY: Seven Stories Press। পৃ. ৩২২। আইএসবিএন ১৫৮৩২২৫৬৯২। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১২।
- ↑ Jude Schell (২০০৮)। Lesbian Sex: 101 Lovemaking Positions। Random House Digital। পৃ. ১৮। আইএসবিএন ০-৪৯৫-৬০২৭৪-৪। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১২।
- ↑ Todd C. Penner; Caroline Vander Stichele (২০০৭)। "Still before sexuality: "Greek" androgyny, the Roman imperial politics of masculinity and the Roman invention of the Tribas"। Mapping gender in ancient religious discourses। Brill। পৃ. ১১–২১। আইএসবিএন ৯০-০৪-১৫৪৪৭-৭। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
- 1 2 3 Halberstam, Judith (১৯৯৮)। Female Masculinity। Duke University Press। পৃ. ৬১–৬২। আইএসবিএন ৯৭৮০৮২২৩২২৪৩৬। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০১০।
- ↑ Dena Goodman (২০০৩)। Marie-Antoinette: writings on the body of a queen। Psychology Press। পৃ. ১৪৪–১৪৫। আইএসবিএন ০-৪১৫-৯৩৩৯৫-১। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২।
