নাতাশা জিমেনেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
নাতাশা জিমেনেজ
জাতীয়তা কোস্টারিকা
যে জন্য পরিচিত রূপান্তরিত লিঙ্গআন্তঃলিঙ্গ অধিকারকর্মী, লেখিকা

নাতাশা জিমেনেজ (স্পেনীয়: Natasha Jiménez) বিশিষ্ট কোস্টারিকীয় রূপান্তরিত লিঙ্গআন্তঃলিঙ্গ অধিকারকর্মী এবং লেখিকা। বর্তমানে তিনি লাতিন আমেরিকান স্পেস ফর সেক্সুয়ালিটিজ এন্ড রাইটসের (মুলাবি) সাধারণ সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করছেন। আইএলজিএ’র আন্তঃলিঙ্গের প্রথম সচিবেরও দায়িত্ব পালন করেন।[১] প্রথম আন্তঃলিঙ্গ মানবাধিকার তহবিলের পরামর্শক পরিচালনা পরিষদের সদস্য তিনি।[১][২] এছাড়াও, আন্তঃ আমেরিকান মানবাধিকার কমিশনে অংশ নেয়ার পূর্বে প্রথম আন্তঃলিঙ্গবিষয়ক মানবাধিকারের শুনানী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন।[৩]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

৩০ বছরের অধিককাল তিনি আন্তঃলিঙ্গরূপান্তরিত লিঙ্গদের সাহায্যার্থে কাজ করে চলেছেন। শুরুতে তিনি লাতিন আমেরিকায় নারীবাদী কার্যক্রম ও এলজিবিটি আন্দোলনে অংশ নিতেন।[১] জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো কথা বলতেন।[৪] রোজা-লিন্ডা ফ্রেগোসো ও সিন্থিয়া বেজারান্দো জিমেনেজ লিখিত ‘টেরোরাইজিং ওম্যান: ফেমিনিসাইড ইন দি আমেরিকাস’ শীর্ষ গ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন,

"মানবাজাতির আনুষ্ঠানিক ইতিহাসের মাধ্যমে আমরা জেনেছি যে, মিথ্যাচারের মাধ্যমে রূপান্তরিত ও আন্তঃলিঙ্গের অধিকারী মহিলাদেরকে অদৃশ্য করে রাখা হয়েছে ... আমাদের অধিকাংশকেই পরিবার ও সমাজ থেকে প্রত্যাখ্যাত হবার পর সমাজের বিধি-নিষেধের জালে আবদ্ধ রেখে জোরপূর্বক বসবাস করতে বাধ্য করা হয়েছে। যখন আমরা আমারদের অধিকার আদায়ের জন্য সংগঠিত হবার চেষ্টা চালাচ্ছি, তখন পুলিশ কর্তৃক উৎপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছি। নেতৃত্বদানের চেষ্টার ফলে ও সহকর্মীদের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসলে প্রায়শঃই হত্যা, নির্যাতন, আইনের ধারা ভঙ্গ করে গ্রেফতার বা জোরপূর্বক অন্যত্র পাঠিয়ে দেয়া হয়।[৫]

মার্চ, ২০১৩ সালে মাওরো কাব্রাল, পলা স্যান্ড্রিন মাচাদো ও পিজিয়ন পাগোনিসের সাথে তিনিও আন্তঃ আমেরিকান মানবাধিকার কমিশনে ‘আমেরিকায় আন্তঃলিঙ্গ ব্যক্তিদের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ বিষয়ে নিজ নিজ মতামত ব্যক্ত করেন। এ কমিশনে বক্তব্য প্রদানের পূর্বে আন্তঃলিঙ্গদের মানবাধিকার বিষয়ে প্রথমবারের মতো বক্তব্য দেন। প্রত্যেকেই তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও আন্তঃলিঙ্গের অধিকারী শিশুদেরকে ‘স্বাভাবিকভাবে’ অস্ত্রোপাচারের ন্যায় বিষয়গুলো উপস্থাপন করেন।[৩][৬]

২০১৫ সালে জিমেনেজ আস্ত্রিয়া লেসবিয়ান জাস্টিস ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় দাতব্যসংস্থা হিসেবে গঠিত আন্তঃলিঙ্গ মানবাধিকার তহবিলের আন্তর্জাতিক পরামর্শক পরিষদে যোগদান করেন।[১] ২০১৬ সালে এ পদটি আইএলজিএ আন্তঃলিঙ্গের সচিব হিসেবে ওলন্দাজ মানবাধিকারকর্মী মিরিয়া ফন দার হাভের কাছে চলে যায়।[৭]

রচনাসমগ্র[সম্পাদনা]

জিমেনেজ এলিসা বার্থের সম্পাদনায় ‘ইন্টার: আফাহরাঙ্গেন ইন্টারজেসেস্লিচার মেনসেন ইন দার ওয়েল্ট দার জেই জেসলেচটারে’ অংশগ্রহণ করেন।[৮] এছাড়াও, জেন বারি ও জেলেনা ডরডেভিচের ‘হোয়াট ইজ দ্য পয়েন্ট অব এ রিভল্যুশন ইফ আই কান্ট ড্যান্স’ এবং মাওরো কাব্রালের সম্পাদনায় ‘ইন্তারদিসিওনেস’ গ্রন্থে লেখেন।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Introducing the Intersex Fund team at Astraea!"Astraea Lesbian Foundation for Justice। Astraea Lesbian Foundation for Justice। জুন ১৬, ২০১৫। সংগৃহীত ২০১৫-০৭-০২ 
  2. "Boost for Intersex activists and organisations"SOGI News.comRFSL। জানুয়ারি ১৬, ২০১৫। সংগৃহীত ২০১৫-০৭-০২ 
  3. Situation of Human Rights of Intersex Persons in the Americas, Center for Human Rights and Humanitarian Law, March 21, 2013
  4. "Voices of LGBTI Defenders"International Service for Human Rights। জুন ২৬, ২০১৫। সংগৃহীত ২০১৫-০৭-০৩ 
  5. Fregoso, Rosa-Linda; Bejarano, Cynthia, সম্পাদকবৃন্দ (২০১০)। Terrorizing Women: Feminicide in the AmericasDuke University Pressআইএসবিএন 978-0-8223-4681-4। সংগৃহীত ২০১৫-০৭-০৩ 
  6. Schedule of Hearings 147o Session Inter-American Commission on Human Rights (IACHR), Organization of American States, 2013
  7. "Board"International Lesbian, Gay, Bisexual, Trans and Intersex Association। সংগৃহীত ২০১৭-০১-১২ 
  8. Barth, Elisa, সম্পাদক (২০১৩)। Inter: Erfahrungen intergeschlechtlicher Menschen in der Welt der zwei Geschlechter (German ভাষায়)। Berlin: NoNo Verlag। আইএসবিএন 978-3-942471-03-9