নবা কাল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
নবা কাল
নবা কাল সংবাদপত্র লোগো.png
নবা কাল সংবাদপত্র প্রচ্ছদ.jpg
ধরনদৈনিক সংবাদপত্র
ফরম্যাটব্রডশিট
প্রতিষ্ঠাতাকৃষ্ণজি প্রভাকর খাদিলকর
প্রকাশকনীলকান্ত খাদিলকর
প্রতিষ্ঠাকাল১৯২৩; ৯৭ বছর আগে (1923)
ভাষামারাঠি
দাপ্তরিক ওয়েবসাইটwww.navakal.org
ফ্রি অনলাইন আর্কাইভ?enavakal.com

নবাকাল (দেবনাগরী नवा काल) একটি মারাঠি দৈনিক পত্রিকা। এর সদর দফতর ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের রাজধানী মুম্বাইয়ে অবস্থিত। এর বর্তমান মালিক সম্পাদক নীলকান্ত খাদিলকর[১] ভারতের আধুনিক ইতিহাস গবেষক রবিন জেফারি খাদিলকরকে এই ছোট সংবাদপত্রের অন্যতম উল্লেখযোগ্য এবং স্বনির্ভর মালিক বলে অভিহিত করেছিলেন। [২] স্বাধীনতা পূর্ব মুম্বইয়ে একে কংগ্রেসের কাগজ হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে,[৩] সাময়িকভাবে এটি শিবসেনার সাথে জোটবদ্ধ বলেও বিবেচিত হয়েছে। [৪] ১৯৯৯ সালে নবা কাল মহারাষ্ট্রের সকল সংবাদপত্রের ৮% প্রচলন ভাগ এবং ২৭% পাঠক ভাগ ছিল। [৫] ১৯৫০-এর দশকে নীলকান্ত খালিদকরের বাবা কৃষ্ণজি প্রভাকর খাদিলকরের সময় নবা কালের প্রচলন ৮০০ -তে নেমে গিয়েছিল এবং কাগজ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯২১ সালে, ভারতের স্বাধীনতা কর্মী বাল গঙ্গাধর তিলকের মৃত্যুর পরে, তাঁর অনুরাগীরা লোকমান্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কৃষ্ণজি প্রভাকর খাদিলকর এর সম্পাদনা গ্রহণ করেছিলেন। ১৯২৩ সালে তিনি লোকমান্য থেকে পদত্যাগ করেছিলেন, কারন তিনি গান্ধীর মতাদর্শকে সমর্থন করেতেন কিন্তু এর প্রবর্তকরা তা পছন্দ করতো না। মার্চ ১৯২৩-এ খালিদকর তার নিজের সংবাদপত্র নবা কাল শুরু করেন, যা গান্ধীর কর্মসূচিকে সমর্থন করে" এবং তার সম্পাদকীয়তে তিনি "গান্ধীর দর্শন প্রচার করেন''। [৬][৭]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Agarkar journalism award for Nilkanth Khadilkar"Sakal Times। Sakal Media Group। ২০১১-০৭-২৯। সংগ্রহের তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  2. Jeffrey, Robin (১২ এপ্রিল ২০০০)। India's newspaper revolution: capitalism, politics, and the Indian-language press, 1977-99। Hurst। পৃষ্ঠা 209–। আইএসবিএন 978-1-85065-434-6। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  3. James H. Mills (২০০৫)। Subaltern sports: politics and sport in South Asia। Anthem Press। পৃষ্ঠা 103–। আইএসবিএন 978-1-84331-168-3। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  4. Richard D. Connerney (১ জুন ২০০৯)। The upside-down tree: India's changing culture। Algora Publishing। পৃষ্ঠা 159–। আইএসবিএন 978-0-87586-649-9। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  5. Vir Bala Aggarwal; V. S. Gupta (১ জানুয়ারি ২০০১)। Handbook of journalism and mass communication। Concept Publishing Company। পৃষ্ঠা 78–। আইএসবিএন 978-81-7022-880-6। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  6. National Centre for the Performing Arts (India) (১৯৭২)। Quarterly journal। [Bombay]। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  7. Trimbak Krishna Tope; Maharashtra State Board for Literature & Culture (১৯৮৬)। Bombay and Congress movement। Maharashtra State Board for Literature and Culture। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২